BK Murli 21 May 2016 Bengali

BK Murli 21 May  2016 In Bengali

 ২১-০৫-১৬ প্রাতঃ মুরলী ওম শান্তি “বাপদাদা” মধুবন


“মিঠে বাচ্চে – যে রকম বাবা হলেন স্নেহের সাগর, তাঁর মতো স্নেহ এই দুনিয়ায় কেউ করতে পারে না, এই রকমই তোমরা বাচ্চারাও বাবার সমান হও, কাউকে দুঃখ দিও না (রাগিও না) |”

প্রশ্ন : 

কোন্ প্রকারের বিচার চলতে থাকলে খুশির মাত্রা সর্বোচ্চ থাকবে ?

উত্তর : 

এখন আমরা জ্ঞান রত্নের দ্বারা নিজেদের ঝোলি ভরছি তারপর এই খনি ইত্যাদি সব ভরে যাবে | ওখানে সত্যযুগে আমরা সকলে সোনার মহল বানাবো | ২- আমাদের এই ব্রাহ্মণ কুল হলো উত্তম কুল, আমরা সত্যি-সত্যি সত্য নারায়ণের কথা, অমরকথা শুনি আর শোনাই ... এই রকম বিচার চলতে থাকলে খুশির মাত্রা সর্বোচ্চ থাকবে |

ওম্ শান্তি | 

বাচ্চারা বাবার স্মরণে বসে আছে, এই শ্রীমত অর্থাৎ শ্রেষ্ট থেকে শ্রেষ্ট মত প্রাপ্ত হয় | স্মরণের যাত্রা হল অনেক মিষ্টি | বাচ্চারা পুরুষার্থের নম্বর অনুসারে জানে যে যতো বাবাকে স্মরণ করবো তত বাবাকে মিষ্টি বলে মনে হবে | সে হলো স্যাকারিনের মতো | এক বাবাই স্নেহ করে বাকি সকলে মার দেয় | সারা দুনিয়া শুধু এক অপরকেকে নস্যাৎ করে দেয় | বাবা স্নেহ করে, তাকে শুধু তোমরা বাচ্চারা জানো | বাবা বলে – আমি যে, যেরকম, কতো বড়, বলো আমাদের বাবা কতো বড় ? তো বলে যে সে হলো বিন্দু আর তো কেও জানে না | বাচ্চারাও মাঝে-মাঝেই ভুলে যায় | বলে ভক্তিমর্গে বড় বড় চিত্রের পুজো করতাম | এখন বিন্দুকে কেমন করে সরণ করবো ? বিন্দু, বিন্দুকেই সরণ করবে না | আত্মা জানে আমি হলাম বিন্দু | আমাদের বাবাও হলো এরকমই | আত্মাই হলো প্রেসিডেন্ট, আত্মাই হলো চাকর | পার্ট আত্মাই বাজায় | বাবা হলো সব থেকে মিষ্টি | সকলে স্মরণ করে পতিত-পাবন, দুঃখ-হর্তা সুখ-কর্তা আস | এখন তোমরা বাচ্চাদের এটা নিশ্চয় আছে যে আমরা যাকে বিন্দু বলি, সে হলো অতি সুক্ষ কিন্তু মহিমা কতো ভারী আছে | যদিও মহিমা গানও করে জ্ঞানের সাগর, শান্তির সাগর, কিন্তু বোঝে না যে সে কেমন করে এসে সুখ দেয় | মিষ্টি-মিষ্টি চিলড্রেন প্রত্যেকে বুঝতে পারে – কে-কে কতটা শ্রীমতে চলে | শ্রীমত প্রাপ্ত হয় সার্ভিস করার | অনেক মানুষ অসুস্থ রুগী হয়ে আছে, অনেকে সুস্থ আছে | ভারতবাসীরা জানে সত্যযুগে আয়ু অনেক বড় অ্যাভারেজ ১২৫-১৫০ বছরের হয় | প্রত্যেকে নিজেদের সম্পূর্ণ আয়ু পূর্ণ করে | এটা তো হলো একেবারে ছিঃ-ছিঃ দুনিয়া যেটা বাকি অল্প সময়ই আছে | মানুষ বড়-বড় ধর্মশালা এখন অবধি বানাতে থাকে | জানে না, এখানে বাকি কতো সময় হবে | মন্দির ইত্যাদি বানায়, লক্ষ্য টাকা খরচ করে | সেটার আয়ু বাকি কতো সময় হবে ? তোমরা জানো এটা ভাঙ্গলো কি ভাঙ্গলো | তোমাদের বাবা মাকান ইত্যাদি বানাতে কখনো মানা করে না | তোমরা নিজেদেরই ঘরে একটা কমরাকে হসপিটাল কম ইউনিভার্সিটি বানাও | কোনো খরচা ছাড়া হেলথ,ওয়েলথ,হ্যাপিনেস ২১ জন্মের জন্যে নিতে হবে, এই নলেজের থেকে | এটাও বুঝিয়েছে – তোমরা অনেক সুখ প্রাপ্ত করো | যখন তমোপ্রধান হও তখন বেশি দুঃখ হয় | যতো-যতো তমোপ্রধান হতে থাকবে তত দুনিয়ায় দুঃখ-অশান্তি বাড়তে থাকবে | মনুষ্য অনেক দুঃখী হবে | তারপরে জয়-জয়কার হয়ে যাবে | তোমরা বাচ্চারা যেই বিনাস, দিব্য দৃষ্টির দ্বারা দেখেছ সেগুলো তারপরে প্রাক্টিকালে দেখতে হবে | স্থাপনার সাক্ষাৎকারও অনেকে করেছে | ছোট বাচ্চারা অনেক সাক্ষাৎকার করতো | জ্ঞান কিছুই ছিল না | পুরনো দুনিয়ার বিনাশও অবশ্যই হতে হবে | তোমরা বাচ্চারা জানো বাবাই এসে স্বর্গের বর্ষা দেয় | কিন্তু বাচ্চাদেরকে তারপরে পুরুষার্থ করতে হবে, উচু পদ পাওয়ার জন্যে | তোমরা বাচ্চাদেরকে বাবা বসে, এই সব কথা বোঝায়, ওরা তো জানে না যে বাকি অল্প সময় আছে | বাবা বলে – আমি হলাম দাতা, আমি তোমাদেরকে দিতে এসেছি | মানুষ বলে – পতিত-পাবন এসো, এসে আমাদেরকে পাবন বানাও | বাবা বলে – প্রথমে তোমরা কতো বুদ্ধিমান ছিলে, সতোপ্রধান ছিলে | এখন তোমরা তমোপ্রধান হয়ে গেছ | তোমাদের বুদ্ধিতেও এখন এসেছে, আগে তো বুঝতে না যে আমরা বিশ্বে রাজ্য করতাম | তোমরা বিশ্বের মালিক ছিলে আবার অবশ্যই হবে | হিস্ট্রি-জিওগ্রাফি রিপিট হবে | বাবা বুঝিয়েছে – ৫০০০ বছর আগে আমি এসেছিলাম, তোমাদের স্বর্গের মালিক বানিয়েছিলাম | তারপর আবার তোমরা ৮৪ জন্মের সিঁড়ির দ্বারা নিচে নেমে আস | এই বিস্তার কোনো শাস্ত্রে নেই | শিববাবা কি কোনো শাস্ত্র ইত্যাদি পড়েছে ? তাকে তো জ্ঞানের অথরিটি বলা হয় | ওই লোকেরা তো শাস্ত্র ইত্যাদি পড়ে শাস্ত্রের অথরিটি হয় | ওরাও তো গান করে – পতিত-পাবন আস | গঙ্গা স্নান করতে যায় | বাস্তবে এই ভক্তি হল গৃহস্হীদের জন্যে | বাবা বসে বোঝায়, সেও জানে না যে সত্গতি দাতা কে | বাবা বোঝায় – তোমরা আমাকে ডাক, হে পতিত-পাবন আস | আমি তোমাদের পাবন বানাই | আমি তোমাদের পড়ানোর জন্যে আসি, এমনটা নয় যে আমার ওপরে কৃপা করো | আমি তো হলাম টিচার, তোমরা কৃপা ইত্যাদি কেন চাও ? আশির্বাদ তো অনেক জন্ম নিয়ে এসেছ | এখন এসে মা-বাবার প্রপার্টির অধিকারী হও আর আশির্বাদ কি করবে ! বাচ্চা হলো আর মা বাবার প্রপার্টির অধিকারী হলো | লৌকিক বাবাকে বলো, যে কৃপা করো | এখানে তো কৃপার কোনো কথাই নেই | শুধু বাবাকে স্মরণ করো | এটাও কেও জানে না যে বাবা হলো বিন্দু | এখন তোমাদেরকে বাবা বলেছে, সকলে বলেও পরমপিতা পরমাত্মা, গড ফাথার, সুপ্রিম সোল | তো সে হলো পরমাত্মা | সে হলো সুপ্রিম | বাকি সকলে হলো আত্মা | সুপ্রিম বাবা এসে নিজের সমান বানায় আর কিছু নেই | কারো বুদ্ধিতে হবে কি যে বেহদের বাবা হলো স্বর্গের রচয়িতা, তিনি এসে স্বর্গের মালিক বানান ! তোমরা এখন জানো, কৃষ্ণের হাতে স্বর্গের গলা রয়েছে | গর্ভ থেকে বাচ্চা বের হলে তখন থেকে আয়ু শুরু হয় | শ্রীকৃষ্ণ তো পুরো ৮৪ জন্ম নেয় | গর্ভ থেকে বাইরে আসল, ওই দিন থেকে ৮৪ জন্ম গুনতি হবে | লক্ষী-নারায়নের তো বড় হতে ৩০-৩৫ বছর লেগেছে | তো ওই ৩০-৩৫ বছর ৫ হাজার থেকে কম করতে হবে | শিববাবার তো গুনতি করতে পারবে না | শিববাবা কখন এসেছে, সময় দিতে পারে না | শুরু থেকে সাক্ষাৎকার হতো | মুসুলমানরাও বাগান ইত্যাদি দেখতো | এখানে নোধা ভক্তি তো কেও করেনি | ঘরে বসে নিজে থেকেই ধ্যানে যেতে থাকতো | ওরা তো কতো নোধা ভক্তি করতো | তো বাবা বসে সম্মুখে বোঝাচ্ছে | বাবা দূর দেশ থেকে এসেছে, এটা বাচ্চারা জানে | এর মধ্যে প্রবেশ করে একে পড়ায় | কিন্তু পরে বাইরে যাওয়াতে নেশা কম হয়ে যায় | স্মরণে থাকলে খুশিও বেশি থাকবে আর কর্মতীত অবস্থা হয়ে যাবে, কিন্তু ওতে টাইম চাই | এখন দেখো, শ্রীকৃষ্ণের আত্মার অন্তিম জন্মে সম্পূর্ণ জ্ঞান আছে তারপর গর্ভ থেকে বের হবে, একটুকু জ্ঞান থাকবে না | বাবা এসে বোঝায় – কৃষ্ণ কোনো মুরলী বাজায়নি | সে তো জ্ঞানই জানে না | লক্ষী-নারায়ণই জানে না তো ঋষি,মুনি,সন্ন্যাসী ইত্যাদি কেমন করে জানবে | বিশ্বের মালিক লক্ষী-নারায়ণই জানে না তো এই সন্যাসী লোকেরা কেমন করে জানবে | সাগর থেকে অশ্বত্থ পাতাতে এসেছে, এটা করেছে... এই সব হলো গল্প, যেগুলো বসে লিখেছে | গঙ্গা নদীতে পা দেওয়াতে গঙ্গা নিচে চলে গেছে, বিচার করো- মানুষ কি বলতে পারে না | এখন বাবা বোঝায়, কোনো উল্টো-বাল্টা কথাতে বিশ্বাস করবে না | শাস্ত্র ইত্যাদি কতো মানুষ পড়ে | বাবা বলে – যা পড়েছ সব ভুলে যাও | এই দেহকেও ভুলে যাও | আত্মাই এক শরীর ছেড়ে দ্বিতীয় নিয়ে পার্ট বাজায় | ভিন্ন-ভিন্ন নাম, রূপ, দেশ চোলা পরে | এখন বাবা বলে – এটা হলো ছিঃ-ছিঃ বস্ত্র | আত্মা আর শরীর দুটোই হলো পতিত | আত্মাকেই শ্যাম আর সুন্দর বলা হয় | আত্মা পবিত্র ছিল তো সুন্দর ছিল কাম চিতার ওপরে বসাতে কালো হয়েছে | এখন আবার বাবা জ্ঞান চিতাতে বসাচ্ছে | পতিত-পাবন বাবা বলে – আমাকে স্মরণ করো তবে এই খাদ বের হয়ে যাবে | আত্মার মধ্যেই খাদ পরে | কলিযুগের অন্তে তোমরা হলে গরিব | ওখানে সত্যযুগে তোমরা তারপর মহল বানাবে | ওয়ান্ডার, এখানে হিরোর দেখো কতো সম্মান আছে | ওখানে তো পাথরের সমান হয় | এখন তোমরা বাবার থেকে জ্ঞান রত্নের ঝোলী ভরছ | লেখা আছে সাগর থেকে রত্নের থালা ভরে নিয়ে আসে | সাগরের থেকে যতো চাও তত নেও | খনিও ভর্তি হয়ে যায় | তোমরা সাক্ষাৎকার করেছ | মায়া আর জিনের খেলাও দেখানো হয় | সে দেখেছিল শোনার ইট পরে আছে নিয়ে যাই | নিচে এসেছে তো কিছুই ছিল না | ওখানে তো শোনার ইটের মহল বানাবে | এমন-এমন খেয়ালাত আসা দরকার যাতে খুশির বৃদ্ধি হয় | বাবার পরিচয় দিতে হবে | শিববাবা ৫ হাজার বছর আগেও এসেছিল, এটা কেও জানে না | তোমরা জানো ৫ হাজার বছর আগে এসে তোমাদেরকে রাজযোগ শিখিয়েছিলাম, কল্প-কল্প তোমাদেরকেই শেখাবো | যারা-যারা এসে ব্রাহ্মণ হবে তারা তারপরে দেবতা হবে | বিরাট রূপও বানায় | ওতে ব্রাহ্মণের চিহ্ন(peak/top-most) হারিয়ে দিয়েছে | ব্রাহ্মনেদের কুল অনেক উত্তম বলে গায়ন করা হয়, সেটা হলো জিস্মানি | তোমরা হলে রুহানি | তোমরা সত্য-সত্য কথা শোনাও | এটাই হলো সত্য নারায়নের কথা, অমর কথা | তোমাদেরকে অমরকথা শুনিয়ে অমর বানাচ্ছি | এই মৃত্যুলোক সমাপ্ত হয়ে যাবে | শিববাবা বলে – আমি তোমাদেরকে নিতে এসেছি | কতো ঢের আত্মা হবে | আত্মা ঘরে ফিরে যাওয়াতে কোনো আওয়াজ হয় না | মৌমাছিদের দল গেলে কতো আওয়াজ হয় | রানীর পেছনে মৌমাছিরা কতো ভাগে | তাদের নিজেদের মধ্যে কতো একতা আছে | ভ্রমরীর উধাহরণও হল এখানকারই | তোমরা মনুষ্য থেকে দেবতা বানিয়ে দাও | পতিত্দেরকে তোমরা জ্ঞানের ভূ-ভূ করো তো পাবন বিশ্বের মালিক হয়ে যায় | তোমাদের হলো প্রবৃত্তি মার্গ, তাদের মধ্যেও মেজরিটি হলো মাতাদের এই জন্যে বন্দে মাতরম বলা হয় | ব্রহ্মাকুমারী হলো সে যে বাবার দ্বারা ২১ জন্মের বর্ষা দেওয়ায় | বাবা সদা সুখের বর্ষা দেয় | যে সার্ভিস করবে, লেখা-পড়া করবে সে হবে নবাব... | রাজা হওয়া ভালো নাকি চাকর হওয়া ভালো | পরে তোমরা সব জেনে যাবে | আমি কি হবো ? তারপর পস্তাবে | আমি শ্রীমতে কেন চলিনি ! বাবা বলে – ফলো করো | এমনটাও নয় যে কোনো একটা ঘর দিয়ে দেয়, সেন্টারের জন্যে, নিজে মীট ইত্যাদি খেতে থাকে | ওখানে পুণ্য আত্মা, ওখানে পাপ আত্মা, তারপর আশ্রম থাকবে না | ঘরে স্বর্গ বানায় তো নিজেদেরকেও স্বর্গে থাকতে হবে | শুধু আশির্বাদে থেমে যেতে হবে না | বাবাকে স্মরণ করতে হবে | পবিত্র হয়েই সাথে নিয়ে যাবে | তোমাদের তো অনেক খুশি থাকা দরকার, কতো ভারী লটারি [প্রাপ্ত হয় | বাবাকে যতো স্মরণ করবে, ততই বিকর্ম বিনাশ হবে | বাবার মতো স্নেহ, দুনিয়াতে কেও করতে পারে না | তাকে বলাই হয় – স্নেহের সাগর | তোমরাও এমনটা হও | যদি কাওকে দুঃখ দেও, রাগ করাও তবে রাগ হয়ে মরবে | এটা কোনো বাবা অভিশাপ দেয় না, বোঝায় | সুখ দাও তো সুখী হবে, সকলকে স্নেহ করো | বাবাও হলো স্নেহের সাগর | আচ্ছা |

মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি(সিখিলধে) বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণ-ভালবাসা আর গুড-মর্নিং | রুহানি বাবার রুহানি বাচ্চাদেরকে নমস্কার |

ধারণার জন্য মুখ্য সার :

১)যে কোনো উল্টো-পাল্টা কথাতে বিশ্বাস করবে না | যা কিছু উল্টো পড়েছ সেগুলো ভুলে অশরীরী হওয়ার অভ্যাস করতে হবে |

২)শুধু আশির্বাদের ওপরে চললেই হবে না | নিজেকে পবিত্র বানাতে হবে | বাবাকে প্রত্যেক কদমে অনুসরণ করতে হবে, কাউকে দুঃখ দেবে না | রাগিও না |

বরদান : 

নিজের সহযোগিতার দ্বারা নির্বল আত্মাদেরকে বর্ষার অধিকারী বানাতে পারলে বরদানি মূর্তি ভব !

এখন বরদানি মূর্তির দ্বারা সংকল্প শক্তির সেবা করে নির্বল আত্মাদের বাবার সমীপে নিয়ে এসো | মেজরিটি আত্মাদের মধ্যে শুভ ইচ্ছা উত্পন্ন হচ্ছে যে আধ্যাতিক শক্তি যা কিছু করতে পারে সেটা আর কোনো শক্তি করতে পারে না | কিন্তু আধ্যাতিকতার দিকে চলার জন্যে নিজেকে হিম্মৎহীন মনে করে | তাদের নিজেদের শক্তির দ্বারা আধ্যাতিকতার পা দাও তখন বাবার সমীপ চলে আসবে | এখন বরদানি মূর্তি হয়ে নিজেদের সহযোগীতার দ্বারা তাদের বর্ষার অধিকারী বানাও |

স্লোগান : 

নিজেদের পরিবর্তনের দ্বারা সম্পর্ক, বোল আর সম্মন্ধে সফলতা প্রাপ্ত করতে পারলে সফলতার মূর্তি হতে পারবে |

***OM SHANTI***

Google+ Followers