BK Murli 28 May 2016 Bengali

BK Murli 28 May 2016 Bengali

 ২৮-০৫-২০১৬ প্রাতঃ মুরলী ওম শান্তি “বাপদাদা” মধুবন

“মিঠে বাচ্চে – শ্রীমতে চলে সকলকে সুখ দাও, আশুরী মতে দুঃখ দিয়ে এসেছ, এখন সুখ দাও, সুখ নাও |”

প্রশ্ন : 

বুদ্ধিমান বাচ্চারা কোন্ রহস্যকে বোঝার কারণে উচু পদ পাওয়ার পুরুষার্থ করে ?

উত্তর : 

তারা বোঝে যে এটা হলো দুঃখ আর সুখ, হার আর জীতের খেলা | এখন আধাকল্প সুখের খেলা চলবে | ওখানে কোনো প্রকারের দুঃখ হবে না | এখন নতুন রাজধানী আসবে, সেটার জন্যে বাবা নিজের পরমধাম ছেড়ে আমরা বাচ্চাদের পড়াতে এসেছে, এখন পুরুষার্থ করে উচু পদ নিতেই হবে |

গীত: 

বদলে যাক দুনিয়া আমরা বদলাবো না ...

ওম শান্তি | 

মিষ্টি-মিষ্টি বাচ্চারা অর্থ বুঝলো | এখানে কোনো প্রতিজ্ঞা করার দরকার নেই | এখানে তো আত্মার মধ্যে বোধের প্রয়োজন | আত্মা তমোপ্রধান হওয়ার কারণে একেবারে বুদ্ধিহীন হয়ে গেছে | এখন কতো বুদ্ধিমান হয়েছ | অন্য কোনো সত্সঙ্গে এমন কোনো কথা হয় না | ওরা শাস্ত্র, রামায়ণ ইত্যাদি পড়ে | এক কানে শোনে, দ্বিতীয় কান দিয়ে বের হয়ে যায় | কোনো প্রাপ্তি নেই | যজ্ঞ,তপ,দান-পুণ্য অনেক করে, ধাক্কা খেতে থাকে | প্রাপ্তি কিছুই নেই | এই দুনিয়াতে কারো সুখ নেই | এখন বাবা সব বোধ দেয় | সকলকে সুখ শান্তি এক বাবাই দেয় | মানুষ তো একেবারে ঘোর অন্ধকারে আছে | ভক্তিমার্গের সকলে স্মরণ করতে থাকে- হে দুঃখ হর্তা, সুখ কর্তা , সত্গতি দাতা | দেখো, দুনিয়াতে কি লেগে আছে | সকলের দুঃখ লেগেই থাকে | যেই মনুষ্য মাত্র আছে, কেউ এটা জানে না যে বাবা কে ? বাবার থেকে কি বর্ষা প্রাপ্ত হয় | বেহদের বাবাকে জানেই না | ধাক্কা খেতেই থাকে, শান্তির জন্যে | এখন এটা কে বললো যে মনের শান্তি প্রয়োজন ? আত্মা বলে, এটাও মনুষ্য জানে না | দেহ অভিমান আছে | সাধু-সন্ত ইত্যাদি সকলেই দুঃখী, সকলে শান্তি চায় | অসুখ-বিসুখ তো সাধু-সন্তদেরও হয় | এক্সিডেন্ট হয় | দুনিয়াতে দুঃখ ছাড়া আর কিছু তো নেই | এখন তোমরা বুদ্ধিমান হয়েছ | বাবা বুঝিয়েছে ড্রামার ভেতরে নতুন দুনিয়া আর পুরনো দুনিয়া, সুখ আর দুঃখের খেলা বানানো রয়েছে | বাবা তোমাদের বুদ্ধির তালা খুলেছে আর সকল মানুষের বুদ্ধিতে গোদরেজের তালা লেগে রয়েছে, একেবারেই তমোপ্রধান বুদ্ধি | তোমরা বাচ্চারা পুরুষার্থের নাম্বার অনুসারে জানো | অবশ্যই বেহদের বাবা প্রাপ্ত হয়েছে, সে আমাদের সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তের রহস্য শোনায় যে এই খেলা কেমন করে বানানো আছে | যখন সুখ আছে, তখন দুঃখের নাম হয় না | এখন তোমরা আলোতে আছ | তোমরা পুরুষার্থ করছ – নিজেদের রাজধানীতে এক দুজনের থেকে উচু পদ পাওয়ার জন্যে | এটা হলো বেহদের স্কুল | বেহদের বাবা পড়ায় | তোমরা জানো সে হলো আমাদের মোস্ট বিলাভেড(অতি স্নেহের) বাবা, যার হলো অপরমপার মহিমা | ওই উচু থেকে উচু বাবা শ্রীমত দেয় | বাকি সব মনুষ্য মাত্র আশুরী মতে চলে এক দুজনকে দুঃখ দেয় | তোমাদেরকে শ্রীমতে সকলকে সুখ দিতে হবে | এই ড্রামাতে আমরা হলাম একটার, এটা কেউ জানে না | তোমরা বাচ্চারা এখন বোঝো এই ড্রামাতে ভারতবাসীদেরই আলরাউন্ড পার্ট আছে | আগে তো তোমরা কিছুই জানতে না | এখন তো মূল বতন থেকে নিয়ে সুক্ষ্মবতন, স্থুলবতন সব তোমরা জেনে গেছ | তোমাদের সত্যিকারের জ্ঞান আছে | পরমপিতা পরমাত্মা আমাদের এর দ্বারা পড়াচ্ছে | বাবা আমাদের ত্রিলোকের সব জ্ঞান দিচ্ছে | এটা হলোই কাটার জঙ্গল | বাচ্চারা জানে-এখন আমরা কাটা থেকে ফুল অর্থাৎ মনুষ্য থেকে দেবতা হই | এখানে তো ছোট=বড় সকলে দুঃখ দেয় | গর্ভে মাতাকে বাচ্চা দুঃখ দেয় | এটা হলো অনেক ছিঃ ছিঃ দুনিয়া | এই সৃষ্টি চক্রকে কেও জানে না | আমরা কথা থেকে এসেছি, কতো জন্ম নিয়েছি, আবার কোথায় যেতে হবে ? ... কিছুই জানে না, বেহদের বাবা অর্থাৎ সকল সীতাদের এক রাম সে হলো নিরাকার | তোমরা সকলে হলে সীতা | বাবা হলো ব্রাইডগ্রুম | এক সজনের সকলে হলে সজনী, ভক্ত | যেই সকল সীতা আছে, সকলে রাবনের জেলে ফেসে শোকভাটিকাতে এসে গেছে | সারা দুনিয়ার সব মানুষ এক ভগবানকে স্মরণ করে | ভক্তদের রক্ষক এক ভগবানকে বলা হয় | তোমরা সকলে হলে ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী ব্রাহ্মণ | ব্রাহ্মণরা জানে – আমাদেরকে শিববাবা পড়াচ্ছে | বাবার থেকে বর্ষা অবশ্যই প্রাপ্ত হয় | শিববাবা হলো স্বর্গের রচয়িতা | স্বর্গ বলো বা দেবী রাজধানী বলো – এটা হলো স্বর্গের রাজধানী | লক্ষ্মী-নারায়ণ হলো স্বর্গের মালিক | এটাও এখন তোমরা বোঝো | এখানে যখন সত্যযুগ ছিল তখন লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য ছিলো | এখন হলো কলিযুগ | মনুষ্য তো বেচারা ঘোর অন্ধকারে থাকার কারণে কিছুই জানে না যে এখন হলো কলিযুগের অন্ত | বিনাশ সামনে দাড়িয়ে আছে | তোমরা সকল সীতাদের সত্গতিদাতা হলো এক রাম | সিতারা সকলে দুরগতিতে আছে, কিন্তু এটা তো কেও বোঝে না যে আমরা দুরগতিতে আছি | নিজেদের সাহুকারীর নেশাই শুধু আছে | আমার এতো মাকান আছে, এতো ধন আছে, এতো মহল আছে, কেও জানে না যে দুঃখের দুনিয়া এখন বদলে যাবে | মৃত্যু সামনে দাড়িয়ে আছে | সব মাটিতে মিশে যাবে | এখানে যা কিছু পুরনো দুনিয়াতে দেখো, বিনাশ হয়ে যাবে | বিনাশের জন্যে পুরো প্রস্তুতি হচ্ছে | এটা হলো সেই মহাভারতের লড়াই | সেই গীতার ভগবান আছে | কিন্তু বাবার জীবনীতে(biography) বাচ্চাদের নাম দিয়ে দিয়েছে | এখন শিববাবা তোমাদের রাজযোগ শেখাচ্ছে | বড় থেকে বড় ভুল হলো এটা যে ভগবানের নাম হারিয়ে দিয়েছে | 
তোমরা বাচ্চারা জানো, আমাদের কোনো মনুষ্য, সাধু-সন্ত ইত্যাদি পড়ায় না, শিববাবা আমাদেরকে পড়ায় | সে হলো বাবা, টিচার,সতগুরু | সব কিছু | এটা তো ভুলতে হবে না | বাবা বলে – আমার হলো সকলে সন্তান কিন্তু সকলকে তো পড়াবো না | বাবা বলে – আমি ভারতবাসীদেরকে আবার রাজযোগ শেখানোর জন্যে এসেছি | ভারতবাসীরা স্বর্গবাসী ছিল, হীরার মতো ছিল, এখন কড়ির মতো হয়ে গেছে | ঘরে কতো অশান্তি আছে | বলে – বাবা আমার ক্রোধ আসে, বাচ্চাদেরকে মারতে হয় | ভয় লাগে, আমি ৫ বিকার শিববাবাকে দান দিয়ে দিয়েছি আবার আমি এগুলো কেন করি ? বাবা বোঝায় – এই সময় সকলের ওপর ৫ বিকারের গ্রহণ লেগে রয়েছে | দেহ-অভিমানের ভূত আসার কারণে সব ভূত লেগে যায় | এখন বাবা বলে – দেহী-অভিমানী হও | এখন তোমাদের বোধ হয়েছে | সত্যযুগেও আমরা আত্মা-অভিমানী ছিলাম | বোঝে আত্মার এই শরীর এখন পুরনো হয়েছে আবার গিয়ে নতুন নিয়ে নেয় | এই দৃষ্টান্ত হলো সত্যযুগের জন্যে | ওখানে তোমরা এমন ভাবে শরীর ছার, দুঃখের কোনো কথাই নেই | এখানে কতো দুঃখ আছে | কান্না-কাটি ইত্যাদি থাকে | এখন তোমরা বাচ্চারা জানো- এটা হলো পুরনো খোলস | এখানে কোনো নতুন খোলস প্রাপ্ত হতে পারে না | এটা হলো অন্তিম পুরনো জুতো | এখন তোমরা ওর থেকে বিরক্ত হয়ে গেছ | ওখানে তো খুশির সাথে এক শরীর ছেড়ে দ্বিতীয় নেবে | এই সব কথা তোমরাই বোঝো | এখানে কতো নতুন আসে, বোঝতে পারে না | দুই-চার রোজ এখান থেকে বুঝে যায় তারপর ভুলে যায় | হ্যা, ভালো রীতি শোনে, খুশি হয় তো প্রজাতে এসে যাবে | প্রজাও তো ঢের হবে | এটা হলো ঈশ্বরের দুয়ার অথবা ঘর তোমরা ঈশ্বরের ঘরে বসে আছ | পরমপিতা নিজের পরমধাম ছেড়ে এখানে সাধারণ তনে এসে বসে আছে | ওখানে তো বাবার কাছে আত্মারা থাকে | এখানে সঙ্গমে বাবা নিজে এসেছে – পতিতদের পাবন বানাতে | তাকে শিব নিরাকারই বলা হয় | নিরাকার বাবাকে আত্মারা ও গড ফাদার বলে ডাকে | মনুষ্য না বুঝে বলে দেয় ও গড ফাদার | এই লক্ষী-নারায়ণকেও ইউরোপিয়ান লোকেরা ভগবান-ভগবতী বলে | এদেরকে এমনটা কে বানিয়েছে ? এই দেবতাদেরকে বলে তুমি সর্বগুন সম্পন্ন, ১৬ কলা সম্পূর্ণ তবে নিজেকে কি বলে ? এটা জানে নে যে এও হলো মনুষ্য | ভারতেই রাজ্য করে গেছে | তাদের আগে গিয়ে মহিমা গান করে | নিজেদেরকে নিচ পাপী বলতে থাকে | কৃষ্ণের মন্দিরেও গিয়ে মহিমা করবে | শিবের এই মহিমা করবে না | তার মহিমা হলো আলাদা | বেশিরভাগ সময় শিবের কাছে গেলে বলে ভোরে দাও ঝোলী | তারপর বলে দেয় সে ভাং পান করে, ধ্তুরা খায় | আরে ওখানে ভাং-ধ্তুরা কথা থেকে আসল ? কিছুই বোধ নেই | চাইতে থাকে – পতি চাই, এটা চাই... দীপমালাতেও লক্ষীর আহ্বান করে | সে হলো কে, এটা কেও জানে না | ৮-১০ ভুজা কখনো হয় কি ? এই চতুর্ভুজ রূপ দেখানো হয় কারণ ওটা হলো প্রবৃত্তি মার্গ | তার নাম বিষ্ণু রেখে দিয়েছে | লক্ষ্মী-নারায়ণ তো সত্যযুগে থাকে | মনুষ্য এটা জানে না যে বিষ্ণুর দুই রূপ লক্ষী-নারায়ণ দ্বারা পালনা হয় | চিত্রে লক্ষীর ৪ ভুজা দিয়ে দেয় | ৪ ভুজা যাদের তাদের সন্তানেদেরও ৪ ভুজা হওয়া দরকার | কিছুই বোঝে না | তোমরা এখন বোঝো – বাবা যতক্ষণ না আসে ততক্ষণ কিছুই জানতে না | এখন সারা বিশ্বের আদি-মধ্য-অন্তকে জেনে গেছ | বাবা এসে পতিত দুনিয়াকে পাবন বানায় | ডাকেও – হে পতিত-পাবন আস | এখন পরমাত্মা কেমন করে আসবে ? কেমন করে এসে পতিত দুনিয়াকে পাবন বানায় ? বাবা বলে ৫ হাজার বর্ষ আগে আমি দেবী স্বরাজ্য বানিয়েছিলাম তারপর তোমরা ৮৪ জন্ম কেমন করে নিলে ? এই বোধ আগে তোমাদের বুদ্ধিতে একেবারে ছিল না | এই ব্রহ্মাও জানত না | রাধা-কৃষ্ণ, লক্ষী-নারায়নের পুজো করতে থাকতো | কিন্তু এটাও জানত না যে রাধা-কৃষ্ণের সযম্বরের পরে লক্ষী-নারায়ণ হয় তাই প্রিন্সেস রাধে, প্রিন্স কৃষ্ণ বলা হয় | সযম্বরের পরে মহারাজা-মহারানী হয় | এখানে যে নিজে হচ্ছে সেও জানত না | যদিও কারো দীদার হলেও কিছুই বুঝতো না | তা সত্তেও ভক্তদের ভাবনা অল্পকালের জন্যে পূরণ করার জন্যে সাক্ষাত্কার করাই | এখানে তো ধ্যান দরশনের কথা নেই | বাবা তো বোঝায় – সাক্ষাৎকারে মায়া প্রবেশ করে নেবে তো তোমাদের পদ ভ্রষ্ট হয়ে পড়বে | অনেকে এসে বলে – আমার শিববাবার সাক্ষাত্কার হোক | আরে তোমাদের বোঝানো হয় – ফায়ারফ্লাই কতো ছোট হয়, চোখ দিয়ে দেখা যায় | আত্মা তো হলো ওর থেকেও ছোট বিন্দী | যেমন আত্মা তেমনি হলো পরমাত্মারও রূপ | সাক্ষাত্কারও হলে ওই ছোট বিন্দীর হবে | এটা তো হলো ছোট বিন্দী যেটা ভ্রুকুটির মধ্যে থাকে | আত্মার সাক্ষাত্কার হলেও কিছুই বুঝবে না | তোমরা বাচ্চারা জানো – এখন আমরা হলাম শিববাবার সন্তান | সকল ব্রহ্মাকুমার -কুমারীরা শিববাবার থেকে বর্সা নিচ্ছে | আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এটা | আমরা হলাম স্টুডেন্ট | তোমরা বলো – বাবার থেকে সহজ রাজযোগ শিখতে এসেছি | এটা হলো মূল লক্ষ্য | এটা বাচ্চাদের ভুলতে হবে না | ভক্তি মর্গে ভক্ত লোকেরা দেবতাদের চিত্র সাথে রাখত | এখন তোমাদের এই ত্রিমূর্তির চিত্র পকেটে রাখা দরকার | এই শিববাবার দ্বারা আমরা লক্ষী-নারায়ণ হচ্ছি | আচ্ছা |
মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি(সিখিলাধে) বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপ-দাদার স্মরণ ভালবাসা আর গুড মর্নিং | রুহানি বাবার রুহানি বাচ্চাদেরকে নমস্কার |

ধারণার জন্য মুখ্য সার :

১)শিববাবাকে বিকারের দান দিয়ে তারপর কখনো ফেরৎ নেবে না | দেহ অভিমানের ভুতের থেকে বাচতে হবে | এই ভুতের থেকে সব এসে যায় তাই আত্মা অভিমানী হওয়ার অভ্যাস করতে হবে |

২)ধ্যান দরশনের আশা রাখবে না | মূল-লক্ষ্যকে সামনে রেখে পুরুষার্থ করতে হবে | শ্রীমতে সকলকে সুখ দিতে হবে |

বরদান : 

সাধারণত্বকে সমাপ্ত করে মহানতার অনুভব কারী শ্রেষ্ট পুরুষার্থী ভব !

যারা হলো শ্রেষ্ট পুরুষার্থী বাচ্চা তাদের প্রত্যেক সংকল্প মহান হবে কারণ তাদের প্রত্যেক সংকল্পে, শাসে নিজের থেকেই বাবার স্মরণ থাকবে | যেমন ভক্তিতে বলা হয় অনহদ(বিরামহীন ভাবে সুন্দর যাওয়া) শব্দ শোনা যাতে দেয়, অজপা(মনে মনে জপ করে যাওয়া) জপ যেন চলতে থাকে, এই রকম পুরুষার্থ নিরন্তর হলে একে বলা হবে শ্রেষ্ট পুরুষার্থ | স্মরণ করা নয়, নিজের থেকেই স্মরণ আসতে থাকা তখন সাধারণত্ব সমাপ্ত হতে থাকবে আর মহানতা আসতে থাকবে – এটাই হলো আগে এগিয়ে যাওয়ার চিহ্ন |

স্লোগান : 

মন গভীরে যেতে পারলেই শক্তির দ্বারা সাগরের রত্নের অধিকারী হতে পারবে |


***OM SHANTI***

Google+ Followers