BK Murli 29 May 2016 Bengali

BK Murli 29 May 2016 Bengali

 ২৯-০৫-১৬ প্রাতঃ মুরলী ওম্ শান্তি "অব্যক্ত-বাপদাদা" মধুবন রিভাইস : ০৪-১০-৮১

সংকল্প শক্তির মহত্ব

বাপদাদা সকল বাচ্চাদের অন্তিম স্টেজ অর্থাৎ সম্পন্ন এবং সম্পূর্ণ স্টেজ -- এই শক্তিশালী স্থিতির অনুভব করাচ্ছেন। যে স্থিতিতে সদা মাষ্টার সর্ব শক্তিবান, মাষ্টার জ্ঞান সাগর, সর্ব গুণে সম্পন্ন, প্রত্যেক সংকল্পে প্রত্যেক শ্বাসে প্রতি সেকেন্ডে সদা সাক্ষী দ্রষ্টা এবং সদা বাবার সাথে সাথী- এই অনুভব হবে। এমন অনুভব হবে যেমন সাইন্সের উপকরণের দ্বারা দূরের বস্তু সমীপ অনুভব করে। তেমনি দিব্য বুদ্ধি দ্বারা যত দূরেই থাকুক না কেন সেই সব আত্মাদের সমীপ অনুভব করবে। যেমন স্থূল ভাবে সমীপ যে সব আত্মারা রয়েছে, তাদেরকে দেখো, কথা বলো, সহযোগিতা দাও এবং নাও, তেমনি আমেরিকাতে থাকা কোনো আত্মাই হোক না কেন, দিব্য দৃষ্টি, দিব্য দৃষ্টি ট্রান্স নয়, রুহানিয়ত (আত্মিক) পূর্ণ দিব্য দৃষ্টি-- যে দৃষ্টি দ্বারা ন্যাচারাল রূপে আত্মা এবং আত্মাদের পিতাকেও দেখা যাবে। আত্মাকে দেখবো-- এই পরিশ্রম হবে না, পুরুষার্থ হবে না, বরং আমি হলামই আত্মা, সকলেই হল আত্মা। শরীরের ভান এমন ভাবে লুপ্ত হয়ে যাবে যেমন দ্বাপর থেকে আত্মার ভান লুপ্ত হয়ে যায়। আত্মা ছাড়া আর কিছুই দেখবে না। আত্মা চলছে, আত্মা এই কাজটা করছে। সদা মস্তকমণির দিকেই শরীরের চোখ বা মনের চোখ যাবে। বাবা এবং আত্মারা- এই স্মৃতি নিরন্তর ন্যাচারাল হয়ে যাবে। সেই সময়ের ভাষা কি হবে ? শ্রেষ্ঠ সংকল্পের ভাষা হবে। ভাষণকারী নয়, আত্মিক আকর্ষণকারী হবে। মুখের ভাষার দ্বারা নয়, বরং স্থিতির দ্বারা, শ্রেষ্ঠ জীবনের দর্পণ দ্বারা সহজেই স্বরূপ অনুভব করাবে। মুখের পরিবর্তে নয়নই স্বরূপ অনুভব করানোর উপকরণ হয়ে যাবে। নয়নের ভাষা হল সঙ্কল্পের ভাষা। সংকল্প শক্তি তোমাদের মুখের আওয়াজের গতির থেকেও তীব্র বেগে কার্য করবে। সেইজন্য শ্রেষ্ঠ সংকল্প শক্তিকে এমন স্বচ্ছ বানাও যাতে বিন্দু মাত্রও ব্যর্থের অসচ্ছ্বতাটুকু না থাকে। যাকে বলা হয় লাইন ক্লীয়ার।
এই সংকল্প শক্তির দ্বারা অনেক কার্য সফল হওয়ার সিদ্ধি অনুভব করবে। আত্মাদেরকে, যে স্থূল কার্যকে বা সম্বন্ধ সম্পর্কে আসা আত্মাদের সংস্কারকে, মুখ দ্বারা বা অন্যান্য উপকরণের দ্বারা পরিবর্তন করেও সম্পূর্ণ সফল অনুভব করে না, সেই সকল আকাঙ্খা সংকল্প শক্তির দ্বারা সম্পূর্ণ সফল এমন ভাবে হয়ে যাবে যেন সফল হয়েই ছিল। চারিদেকে যেমন স্থূল আকাশেও নানান নক্ষত্র দেখতে পাও, তেমনি বিশ্বের বায়ু মণ্ডলের আকাশে সফলতার নক্ষত্র চকচক করতে দেখতে পাবে। বর্তমান সময়ে নক্ষত্র এবং সফলতার নক্ষত্র উভয়ই দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু অন্তিম সময়, অন্তিম স্থিতি একমাত্র বাবার অন্তে হারিয়ে থাকা শ্রেষ্ট স্থিতিতে সফলতার নক্ষত্রই হয়ে যাবে। তাই রুহানী নয়ন, এই রুহানী মূরত এমন দিব্য দর্পণ হয়ে যাবে- যে দর্পণে প্রত্যেক আত্মা বিনা পরিশ্রমেই আত্মিক স্বরূপকে দেখবে। সেকেন্ডে এই দর্পণ দ্বারা আত্মিক স্বরূপের অনুভব করবার কারণে বাবার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে- ‘অহো প্রভু’-র গীত গাইতে গাইতে দেহ ভান থেকে সহজেই বাবাতে অর্পিত হয়ে যাবে। ‘অহো তোমার ভাগ্য! ‘অহো আমার ভাগ্য !’ এই ভাগ্যের অনুভূতির কারণে দেহ এবং দেহের সম্বন্ধের স্মৃতির ত্যাগ করে দেবে। কেননা ভাগ্যের সামনে ত্যাগ হল অতি সহজ।
তোমরা সকলেই এই সহজ ত্যাগ এবং ভাগ্যকে পেতে চাও বা প্রদানকারী হতে চাও ? এমন ভাবো না তো যে এত বছরের পরিশ্রমের ফলে অন্তিম সময়ে সহজ ত্যাগ এবং ভাগ্যের অধিকারী হয়ে যাব, কোনটা পছন্দ ? অন্তিম সময়ে সহজ অনুভব নিশ্চয়ই করবে, কিন্তু কত সময়ের অনুভব হবে? যতটুকু সময়ের পরিচয় ততটুকু সময়েরই প্রাপ্তি। তোমরা সবাই হলে অনেক কালের সাথী, এবং অনেক কালের রাজ্য অধিকারী। শেষের কমজোর আত্মাদেরকে মহাদানী বরদানী হয়ে অনুভবের দান এবং পুণ্য করো। এক সেকেন্ডের শক্তিশালী স্থিতি দ্বারা হওয়া পুণ্য আধা কল্পের জন্য পূজনীয় এবং গায়ন যোগ্য বানিয়ে দেবে। কেননা অন্তিম কালে আত্মাদেরকে অন্তিম সময় তোমাদের সম্পূণ আত্মাদের দ্বারা প্রাপ্তির অনুভব এবং সম্পূণ স্বরূপের প্রত্যক্ষতার সম্পন্ন স্বরূপ । এই অন্তিম অনুভবের সংস্কার নিয়ে আত্মারা আধা কল্পের জন্য নিজ গৃহে(পরমধামে) বিশ্রাম রত থাকবে। কিছু প্রজা হবে, কিছু ভক্ত হবে। সেইজন্য অন্তিম কালে ‘অন্ত মতি সো(সেই মতই) গতি’-- দ্বাপরে ভক্ত ভাবের গতিতে অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ ভক্তের মালার শিরোমণি আত্মা হবে। কেউ তোমাদের বিশ্ব রাজ্যের অধিকারী আত্মা হিসাবে দেখবে, কেউ প্রজা হওয়ার সংস্কারের কারণে তোমাদের রাজ্যে প্রজা হবে। যারা তোমাদেরকে পূজ্য স্বরূপে দেখবে, তারা ভক্ত আত্মা হয়ে যাবে। এমন শ্রেষ্ঠ স্থিতি, যে স্থিতির দ্বারা এত সিদ্ধি পাবে, এমন শ্রেষ্ঠত্বের অনুভব করতে পারছো কি? সঙ্কল্পের খাজানার মহত্বকে জেনে শ্রেষ্ঠ সঙ্কল্পের শক্তি জমা করছো? বুঝতে পেরেছো অন্তিম স্টেজ কি?
বাপদাদাও তো আওয়াজের উর্দ্ধে যাবেন, নাকি আওয়াজেই আসবেন? প্র্যাকটিস করো আওয়াজে কম আসবার, তো আওয়াজের উর্দ্ধের স্থিতি স্বতঃতই আকৃষ্ট করবে। প্রথম গেট তো আওয়াজের উর্ধে খোলে তাই না ! তো গেট খুলবার উদ্ঘাটন কবে করবে ? নানান উদ্ঘাটন তো অনেকই করো মধুবনে। এর উদ্ঘাটন একা বাপদাদা করবেন, না একসাথে করবে? তাহলে প্রস্তুত তো? আচ্ছা পরের বার হিসাব নেবো। হিসাব তো নিতেই হবে তাই না ! আচ্ছা-
এমন সর্ব সিদ্ধি স্বরূপ আত্মাদেরকে সংকল্প শক্তির দ্বারা সকলের শ্রেষ্ঠ কামনাকে পূর্ণকারী, স্ব-এর সম্পন্ন দর্পণ দ্বারা নিজ স্বরূপ দেখানো, বাবাকে প্রত্যক্ষ করে সর্ব শক্তির বরদানী স্বরূপ পূণ্য আত্মাদেরকে বাপদাদার স্মরণ - স্নেহ সুমন এবং নমস্কার।
টিচারদের সাথে - এটা হল সেবাধারী গ্রুপ। টিচার নয় সেবাধারী। বাবাও সর্বাগ্রে সেবাধারী হয়েই আসেন। সবচেয়ে বড়র থেকে বড় টাইটেল বাবা নিজেকে দিয়েছেন ওয়াল্ড সার্ভেন্ট। তো যেমন বাবার টাইটেল, তেমনি বাচ্চাদেরও। সেবাধারী মনে করলে স্বতঃতই নির্বিঘ্ন হয়ে যাবে। কেননা সেবাধারী অর্থাৎ ত্যাগী এবং তপস্বী। যেখানে ত্যাগ এবং তপস্যা রয়েছে, সেখানে ভাগ্য তো তাদের সামনে দাসী সম হয়েই উপস্থিত হয়। তো সবাই সেবাধারী তো ! টিচার হয়ে থেকো না, সেবধারী হয়ে থেকো। নইলে কি হয়, যদি তুমি নিজেকে টিচার ভাবো তো যারা আসবে তারা সামাণ্যই অগ্রসর হবে, ফলে তারাও নিজেদের টিচার বলে মনে করবে। টিচার মনে করলে কোনো পদ বা কোনো উঁচু স্থান পাওয়ার সূক্ষ্ম কামনা উৎপন্ন হয়। এটাই মায়ার অনেক বড় বিঘ্ন। টিচার আমি, তাই সিট পাওয়া উচিত, মান পাওয়া উচিত, সম্মান পাওয়া উচিত। সেবাধারী যে হয়, সে হল দাতা, গ্রহীতা নয়। তো তোমরা যেমন নিমিত্ত আত্মা হবে, তেমনি অন্যরাও তোমাদেরকে দেখে সর্বদাই সেবাধারী হয়ে থাকবে। তখন চতুর্দিকে ত্যাগ ও তপস্যার পরিবেশ হবে। যেখানে ত্যাগ আর তপস্যার পরিবেশ, সেখানে সদা বিঘ্ন বিনাশকের ষ্টেজ থাকে। তো সবাই সেবাধারী তো? টিচার বললে স্টুডেন্টরা বলবে আমরাও কম নই। কিন্তু সেবাধারী বললে, সব নম্বর ওয়ানরাও একে অপরের সাথে সমান। তো নিজেকে সেবাধারী মনে করে এগিয়ে চল। সমস্ত বিঘ্নের মূল হল নিজেকে টিচার মনে করে ষ্টেজ নেওয়া। তাহলে তখন ফলো টিচার হয়, ফলো ফাদার নয়।
বৃদ্ধি(উন্নতি) তো পাচ্ছেই, কিন্তু এখন বৃদ্ধির সাথে বিধি পূর্বক বৃদ্ধি অর্থাৎ সঠিক পদ্ধতিতে এই উন্নতিকে এগিয়ে নিয়ে চলা। সঠিক পদ্ধতির যদি অভাব হয়, তবে বৃদ্ধি বা উন্নতিতেও বিঘ্ন অধিক এসে পড়ে। তো বিধি সম্পন্ন বৃদ্ধি সম্পন্ন হও। পরিশ্রম ভালোই করছো।
পার্টিদের সাথে মিটিং- 
সবাই সদা সুখের সাগর বাবার স্মৃতিতে থেকে স্বরূপের অনুভব করো? কেননা সুখের সাগরের সন্তান হলে তোমরা। তো যেমন বাবা হলেন সুখের সাগর, তেমনি বাচ্চারাও হল সুখ স্বরূপ। কখনো দুঃখের ঢেউ আসে না তো? দুনিয়ায় যতই দুঃখ অশান্তির প্রভাব থাকুক না কেন তোমরা হলে ‘ন্যারা এবং প্যারা’(সকলের থেকে সম্পূর্ণ পৃথক এবং প্রিয়)। কেননা তোমরা সুখের সাগরের সাথে রয়েছো যে। এমন সদা সুখী, সদা সুখের ঝোলায় নিজেকে ঝুলতে থাকা অনুভব করো? সঙ্কল্পেও কোনো দুঃখ নেই। তোমরা হলে মাস্টার, সুখের সাগরের সন্তানদের কাছে দুঃখের সংকল্প আসতেই পারে না। কেননা আত্মা দুঃখের দুনিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে সঙ্গমে পৌঁছে গেছে। এই দুনিয়ার পার(তীর) ছেড়ে চলে গেছো তাই না! ছেড়ে গেছো? নাকি এখনো দুঃখের দুনিয়াতেই রযেছো? কোনো দড়ি এখনো তীরে বাঁধা নেই তো? সকল রশি ছিন্ন হয়ে গেছে তো? যখন সকল রশি ছিঁড়ে গেছে, তখন সুখের সাগরে অবগাহন করতে থাকো।
২) নম্বর ওয়ান ভাগ্যবান আত্মার লক্ষণগুলি --
১ -- নম্বরওয়ান ভাগ্যবান আত্মা সর্ব প্রাপ্তি স্বরূপ হবেন। 
২-- তিনি সর্ব গুণ, সর্ব খাজানা, সর্ব শক্তিতে সদ প্রাপ্তির ঝোলায় ঝুলতে থাকবেন।
৩ -- এখন থেকেই তাঁর জীবনে কোনো রূপ অপ্রাপ্ত বস্তু থাকবে না। প্রতিটি সেকেন্ড, প্রতিটি শ্বাস, প্রতিটি সংকল্প অফুরন্ত খাজানা প্রাপ্তকারী হবেন।
৪ -- তাঁর জীবনের প্রতিটি কদমে আরোহী কলার অনুভব হবে। 
৫-- চারপাশে তিনি অনেক প্রকারের খাজানাই খাজানা দেখতে পাবেন।
৬ -- তাঁর কাছে প্রত্যেক আত্মা অতি স্নেহী অনাদি সম্বন্ধ(ভাই-ভাই)- এর স্বরূপে আপন মনে হবে।
৭ -- তাঁর ভিতরে প্রত্যেক আত্মার প্রতি এই শুভ ভাবনা, শুভ কামনা ইমার্জ রূপে থাকবে যেন এই সকল আত্মারা সদা সুখী এবং শান্ত হয়ে যায়।।
৮-- তিনি বেহদে থাকবেন, সেইজন্য বেহদের সম্বন্ধ, বেহদের জ্ঞান, বেহদের বৃত্তি, বেহদের রুহানী স্নেহ থাকার কারণে তিনি সুখ স্বরূপ থাকবেন। 
৯ -- রুহানী নলেজের কারণে প্রত্যেক আত্মার কর্ম কাহিনীর পার্টের সংস্কারগুলিকে লাইট এবং মাইট হওয়ার কারণে যা কিছু দেখবে, শুনবে, সম্বন্ধ-সম্পকে আসবে প্রতিটি কর্মে অত্যন্ত পৃথক এবং অত্যন্ত প্রিয় হবে।
১০ -- প্রত্যেকের সাথে আত্মিক সম্বন্ধ থাকার কারণে নির্ণয় শক্তি, সমায়িত হয়ে যাওয়ার শক্তি, মোকাবিলা করবার শক্তি থাকবে। সেইজন্য আত্মার পার্ট এবং নিজের পার্টকে নিপুণভাবে জেনে পার্টে আসবেন। তাঁর স্থিতি অচল এবং সাক্ষীর হবে।
১১ -- এমন ভাগ্যবান আত্মা প্রতিটি সংকল্প এবং কর্মকে, প্রতিটি কথাকে ত্রিকালদর্শীর স্থিতিতে স্থিত হয়ে দেখবেন। সেইজন্য প্রশ্ন চিহ্ণ থাকবে না। সদা ফুলস্টপ হবে।
১২-- তাঁর কাছে কোনো বিষয়ই আশ্চর্য বলে মনে হবে না। কি হল ! কেন হল ? না। সদা নাথিং নিউ। এই হল নম্বর ওয়ান ভাগ্যবানের লক্ষণাবলী।
৩) মহাবীরদের শ্রেষ্ঠ সেবার স্বরূপ এবং তাদের বিশেষ সেবা -
মহাবীরদের বিশেষ সেবা হল- সংকল্প শক্তির দ্বারা সেবা। যেমন পূর্বে পাখীদের দ্বারা খবরাখবর পাঠানো হত, তোমরা সংকল্প শক্তির দ্বারা যে কোনো আত্মার সেবা করতে পারো। সংকল্পের বোতাম টিপলে আর সংবাদ পৌছে গেল। যেমন অন্তঃবাহক শরীর দ্বারা সহযোগিতা করতে পারো, তেমনি সংকল্পের শক্তি দ্বারা অনেক আত্মাদের সমস্যার সমাধান করতে পারো। নিজের শ্রেষ্ঠ সংকল্পের ভিত্তিতে তাদের ব্যর্থ বা কমজোর(দুর্বল) সংকল্পকে পরিবর্তন করতে পারে। এই বিশেষ সেবা সময় অনুসারে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আচ্ছা।

বরদান --

 মাস্টার সর্ব শক্তিমানের স্মৃতি দ্বারা মায়াজিৎ সো জগতজিৎ, বিজয়ী ভব

যে সব বাচ্চারা অনেক বেশী চিন্তা করে যে কি জানি মায়া কেন এলো, তো মায়াও ঘাবড়ে গেছে দেখলে আরও বেশী করে আঘাত করে, সেইজন্য বিস্তার করবার পরিবর্তে সদা মাষ্টার সর্ব শক্তিমানের স্মৃতিতে থাকো- তো বিজয়ী হয়ে যাবে। বিজয়ী রত্ন বানানোর নিমিত্তেই এই মায়ার ছোটো ছোটো রূপ, সেইজন্য নিজেকে মায়াজিৎ জগতজিৎ মনে করে মায়ার উপরে বিজয় প্রাপ্ত করো, দুর্বল হয়ো না। চ্যালেঞ্জকারী হও।

শ্লোগান --- 

প্রত্যেক আত্মার থেকে শুভ আশীর্বাদ প্রাপ্ত করতে হলে বেহদের শুভ ভাবনা এবং শুভ কামনাতে স্থিত থাকো।


***OM SHANTI***

Google+ Followers