BK Murli 5 June 2016 Bengali

BK Murli 5 June 2016 Bengali

 ০৫-০৬-১৬ প্রাতঃ মুরলী ওম্ শান্তি "বাপদাদা" মধুবন রিভাইস : ০৬-১০-৮১

জ্ঞান সূর্য বাবার মাষ্টার জ্ঞান সূর্য বাচ্চাদেরকে সেবার জন্য অভিনন্দন

আজ জগতের আলো (জাহানকে নূর) নিজ নয়নের মণিদের(সিতারা) সাথে মিলিত হতে এসেছেন। আলোক রত্নদের(নূরে রত্ন) সাথে মিলিত হতে এসেছেন। সমগ্র বিশ্বের নজর যার প্রতি, তাঁর দৃষ্টি কীসের প্রতি ? সমগ্র বিশ্ব যাকে স্মরণ করে, তিনি কাকে স্মরণ করেন ? সারা বিশ্ব যাঁর মহিমা করে, তিনি স্বয় কার মহিমা করেন ? তাহলে বড় কে হল ? বাচ্চারা না বাবা ? তো বাপদাদা এইরকম আলোক রত্নদের সাথে মিলিত হতে এসেছেন। যে সকল বাচ্চারা বাবার প্রতি বা সেবার প্রতি নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়েছে,এমন বাচ্চাদের তার রিটার্নে বাপাদাদাও উৎসর্গিত হয়ে যান।
বাবার সামনে আজ এমন অমূল্য রত্ন সামনে রয়েছে। যেখানেই থাকুক, শারীরিক ভাবে দূরে থাকলেও আজকের সভাতে কিন্তু তোমাদের সকলের সাথে বাবার সামনে সাকারে রয়েছে। আজ কাদের সামনে বাবা বসে আছেন তা জান ? আজ বাবার সামনে অতি প্রিয় হারানিধি(সিকিলধে) সদা বাবার হৃদ-সংহাসনে আসীন নব রত্ন সামনে রয়েছেন । অষ্ট এবং ইষ্ট আত্মারা সামনে। তাঁরাও জানেন যে বাপদাদা তাঁদেরকে স্মরণ করছেন। দিব্য দূরদর্শনে তারাও দেখছেন। এমন রত্নদের বিশেষত্বকে বাবা সদা মালা রূপে জপ করেন। বাবা সদা এমন রত্নদেরকে দেখে কোন্ গীত গান ? সেই গীতটি কি শুনেছো ? কী সেই গীত ? বাপদাদার গীতটি খুবই সংক্ষীপ্ত, খুব বড় নয়, বাবার এই গীতটি হল- ‘বাহ আমার বাচ্চারা বাহ!’ তো এই গীতটি কি শুনতে পাও ? কত বার শুনতএ পাও? বাচ্চারা কি রেসপন্স দেয়? বাবা তো হলেন এক, বাচ্চারা হল অনেক । তো বাবা সব বাচ্চাদের গীতই শুনতে পান । খুব মজা হয় সেই গীত শুনতে। কেউ এই রকম তো কেউ ওই রকম গায়। শোনাবো কেমন গীত গায় ? কেউ বলে- “বাহ বাবা বাহ”, কেউ বলে “বাহ আমার বাবা বাহ”। আবার কেউ গায়-“হ্যা বাবা হ্যা”। আরও শোনাবো- কেউ বাধ্য হয়ে গায়, কিসের বাধ্যবাধকতা ? কেননা তারা জানে যে বাবাকে স্মরণ না করলে কিছুই পাওয়া যাবে না। সেই জন্য স্মরণ করতেই হবে। “বাহ বাবা বাহ”-র গীত গাইতেই হবে। এক হল মনের সেতারের ঝঙ্কার, আর এক হল অধরের, তো বাপদাদা গান তো শুনবেনই। কোন গানটি গাইছে ! বাবা আর বাচ্চাদের কাহিনী শোনাবো কি ! এক একজনের এক একটি কাহিনী রয়েছে। আর সকলের কাহিনী গুলিকে যদি জড়ো করা যায় তাহলে কত হয়ে যাবে ? প্রত্যকের কাহিনীও আলাদা আলাদা। তো বাবাকে তো শুনতেই হবে তাই না ? তোমরা তো অনুযোগ করতে থাকো যে বাবা ওখানে কি করেন ? এখানেও আমি কাজ করি। যে কাজ সাকারে করতাম, সে সব কাজই। সাকারে সময় বেশী লাগত, এখন সময় কম লাগে।
আজ তো বিশেষ ভাবে বাচ্চাদের সেবার রিটার্ন দিতে এসেছি। বাচ্চারা যেমন স্নেহের সাথে সেবার বন্ধনে আবদ্ধ, তেমনি বাবাও বাচ্চাদের স্নেহে আবদ্ধ।
(জয়ন্তী বোনের প্রতি) আজ কোথায় মিলিত হচ্ছ ? বাপদাদা আজ বিশেষভাবে কোথায় এসেছেন ? মধুবনে তো আসেনই, কিন্তু এই সভাটি কোথায়, যেখানে মিলিত হচ্ছ ? লন্ডনে বিশেভাবে কোথায় মিলিত হও ? বাপদাদা আজ গার্ডেনে মিলিত হচ্ছেন। এটা আল্লাহ-র উদ্যান নয়। কারণ গার্ডেনে মিলিত হওয়া মানেই বেহদে মিলিত হওয়া। বাপদাদার জন্য এই উদ্যান সবচেয়ে সুন্দর। তো কানন বা উদ্যান বৈকুন্ঠের কানন। ওটার কাছে এই কানন কি ? আচ্ছা- “ আজ্ঞে হাজির” তো হয়ে গেছি তাই না। মাস্টার হুজুরের কাছে আজ্ঞে হাজির হয়ে গেছি। সকলকে দেখেও ভালো লাগছে। সকলের সেবার উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে কার্যে সফলতার জন্য অভিনন্দন। সেবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একে অন্যের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার রেস তো ভালোই হচ্ছে। রীস অর্থাৎ ঈর্ষা নয়, রেস করছো, সে কারণে মেজরিটি বিদেশসেবার জন্য নিমিত্ত রত্নরা ভালোই রিটার্ন দিয়েছো।
লন্ডন হল ফাউন্ডেশন, সেই কারণে দশ বছরের মধ্যেই সেবা করেছো, বাপদাদা তার রিটার্ন স্বরূপ কোন দীপকটি প্রজ্জ্বলন করবেন ? বাপদাদা চতুর্দিকের বিদেশী বাচ্চাদের মধ্যে যারা বিশেষ সেবা কার্যে দিন-রাত জুড়ে রয়েছে, সেই সব বিশেষ আত্মাদের বিশেষত্বের দীপককে প্রজ্জ্বলিত করবেন। গুণের ঘৃত দিয়ে বিশেষত্বের দীপককে জাগাচ্ছেন। অভিনন্দন, সেবার জন্য অভিনন্দন ! হংকং-এর ভাইবোনেদেরকেও এই গীতটি শুনিও, তাদেরও তো ১০ বছর পূর্ণ হল। আজ উভয়কেই ১০ বছরের অভিনন্দন। বিশেষভাবে লন্ডন নিবাসী দায়িত্বশীল বাচ্চারা বিদেশে মাষ্টার জ্ঞান-সূর্যের স্বরূপে সেবাতে উৎসাহ উদ্দীপনার কিরণ খুব ভালভাবে ছড়িয়ে দিয়েছে, সেইজন্য জ্ঞান সূর্য বাবা, মাষ্টার জ্ঞান সূর্য বাচ্চাদেরকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ভাই-বোনেরাও ত্যাগ এবং ভাগ্য, ত্যাগ দ্বারা ভাগ্যের খুব সুন্দর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাপদাদা অস্ট্রেলিয়ার সেবার্থে নিমিত্ত বাচ্চাদের একরস, অচল অডোল থাকার সাটিফিকেটের অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তেমনই নাইরোবিবাসীদেরও বিশেষত্বের কারণে বাপদাদা তাদেরকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সেই বিশেষত্বটি কি ? হৃদয় দিয়ে বাবা এবং বাবার সেবা ভালোবাসার সাথেই করেছে। পরিস্থিতির দিকে তাকায় না, তাদের দৃষ্টি সেবার প্রতি। সেবা কার্যে আমরা হলাম সবাই এক । এই দৃষ্টান্তের বিশেষত্বটি ভালোই দেখিয়েছে। সেবার প্রতি ভালোবাসা অর্থাৎ বাবার প্রতি ভালোবাসা। কীভাবে নির্মূল করতে হবে, কীভাবে সমায়িত করতে নিতে হবে- এই দুটি বিষয়েই খুব ভালো দৃষ্টান্ত রেখেছো। সেইজন্য বাপদাদা এমন বিশেষত্ব ধারণকারী বাচ্চাদেরকে মহাবীর বাচ্চা বলা হয়
আমেরিকাও কম নয়। আমেরিকার ভাই-বোনেরাও অনেক অনেক আওয়াজ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম মাইককে ভালোই পাকড়াও করেছে। ফলে সেবার সহজ এবং শ্রেষ্ঠ উপকরণ লাভ হয়েছে। যে সব সেবাকেন্দ্রগুলি আমেরিকাতে রয়েছে, সকলেই ভি. আই. পি. দের সার্ভিসে খুব ভালো সফলতা লাভ করেছে। এখন বিদেশে ভি. আই. পি. দের সার্ভিস কঠিন নয়। এখন তো লন্ডেনেও সুনাম ছড়িয়ে পরেছে।
তো এই বছর বিদেশ বরদান লাভ করেছে- বিশেষ ব্যাক্তিদের সেবার। কত বছর কঠিন লাগল ? আর সহজে কীভাবে হয়ে গেল- বোঝা গেছে ? তো বিদেশের সব দিকের মধ্যে মুখ্য স্থানগুলির নাম নিয়েছি, কিন্তু চারিদিকে সেবার ঢেউ ভালোই উঠেছে। গুয়েনা,জার্মানী ইত্যাদি ইত্যাদি মরিশাস- সব স্থানেই। প্রত্যেক স্থানেরই আলাদা আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। এখন তারা বিশেষ প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশেষ আত্মাদেরকে প্রস্তুত করেছে। এমনিতেই চারিদিকে উৎসাহ উদ্দীপনা রয়েছে, সেইজন্য সকলের নামই নোট করে রাখো।
(দিদিজি এবং লচ্ছু বোন বিদেশ সেবা করে ফিরেছেন)
দিদির প্রতি :-- ব্যালেন্স এবং ব্লেসিংসের অনুভব করেছো ? সফর ঠিক ঠাক ছিল ? (লচ্ছু বোনের প্রতি) ইনিও বিদেশের সেবা করে এসেছেন। ইনিও তো তপস্যা করেছেন তাই না ? ইনিও লাকি যে শৈশব থেকেই শ্রেষ্ঠ সঙ্গে রয়েছেন। ইনিও বাবার সাথে সাথেই থেকেছেন, এমন ভাগ্য সকলের হয় না। এখন বিদেশ থেকে ফিরে কি করবে ? কোথাও ভাষণ করেছো ? এখন প্র্যাকটিস করো। ক্লাস করানোরও প্র্যাকটিস করো। ডাইরেক্ট তো অনেক শুনেছো, নখের ডগায় গোপন করে রাখা কথাও শুনেছো। তার রিটার্ন তো দিতে হবে। আচ্ছা- সারভিসেবল বাচ্চারা যেখানেই যায়, সার্ভিসের দৃষ্টান্ত অবশ্যই রেখে আসে। দিয়ে এসেছো তো ? সার্ভিসেবল অর্থাৎ সেবা, সেবা এবং সেবা। যা কিছু দেখবে সেটা হবে সেবা, যা কিছু বলবে তা হবে সেবা, হাটাচলার মধ্যেও থাকবে সেবা এবং কাজের মধ্যেও থাকবে সেবা। তো ৫ চিত্র তো দেখিয়ে থাকো না- সেই ‘মন্দ কিছু দেখবে না, মন্দ বলবে না...... ' দেখিয়ছো। আর এখানে যারা সর্বদা হ্যাঁ বলে থাকো, সেই ৫ টি বিষয়েই তারা না তো, নাকি ‘হ্যাঁ’ ? একেই বলা হয় সার্ভিসেবল। তো সার্ভিসের চিত্র কি হল ? সেবা করতে খুব ভাল লেগেছে তাই না ? এটাই অনুভব করেছো। প্রতিটি স্থান বিশেষত্ব সম্পন্ন হতে হতে চতুর্দিকে সেবায় সম্পন্নতা এসে যাবে। সেইজন্য এই অনুভবও ভালো।
যারা যমুনার কিনারে থাকে, তারাও এসেছে। (দিল্লী গ্রুপ) এবং তার সাথে সাথে যমুনার কিনারে যারা নাটক করবে সেই কর্ণাটকবাসীরাও এসেছে। বোনাস হিসাবে বম্বেও এসে গেছে। ভালো, বেশ ভালো, যমুনার কিনারেও রয়েছে আর যমুনার মাঝে কাননটিও রয়েছে। তারই মাঝখানে বাপদাদা মিলিত হচ্ছেন। তবুও সেবার ফাউন্ডেশন হল দিল্লী। আর তাছাড়া সবাই তো সেবার জন্য পদার্পণ দিল্লীতেই করেছে। মেজরিটি মহারথীরা সেবার্থে দিল্লিতেই পা রেখেছে। আচ্ছা, অন্য কখনো শোনাবো দিল্লীকে কি করতে হবে। আজ তো কাননে বসে কথা হচ্ছে তাই না !
এমন ভাবেই খেলার মাঝে খেলাকে যারা দেখে, খেলা এবং মেলাকে অনুভবকারী, সদা বাবার গুণ গাইতে থাকা, পাশাপাশি বাপ সমান নিজেকে মাষ্টার গুণ মূরত নির্মাণকারী, বিশ্বের প্রতি সদা কল্যাণকারী বিশ্ব কল্যাণকারী, এমন শ্রেষঠ আত্মাদেরকে বাপদাদার স্মরণ স্নেহ-সুমন এবং নমস্কার।
দিদিজির প্রতি- উড়ন্ত বিহঙ্গ হয়ে সেবার পার্টে অভিনয় করতে করতে নিজ বিশ্রাম স্থলে পৌছে গেছো ? এখন সফর ছিল শর্ট(সংক্ষীপ্ত) এবং সুইট। বাপদাদাও বাচ্চাদের সাহস এবং সেবার প্রতি উৎসাহ দেখে আপ্লুত। সাহস ঔষধির কাজ করে। কতজনকে ব্লেসিন্স দিয়েছো ? এখন তোমাদের বিশেষ আত্মাদের পার্ট হল ব্লেসিন্স দেওয়ার। ব্যালেন্সের বিশেষত্ব এবং ব্লেসিন্সেরও কামাল। ফলো ফাদার। সহজ সেবাও এটা, আর শক্তিশালীও। এমনিতেই যে বস্তু যত শক্তিশালী, তার রূপও তত ছোট হয়। যেমন বীজ হল শক্তিশালী, তো কত ছোট সেটি। অটম শক্তিশালী এবং কত ছোট, তেমনি আত্মিক স্থিতি দ্বার ব্লেসিন্স দেওয়া এও হল খুবই সহজ এবং শক্তিশালী। সময়ও কম এবং পরিশ্রমও কম এবং রেজাল্ট বেশী। আর তাও অনেক সময়ের জন্যও। এখনই শুনলাম আর এখনই ভুলে গেলাম- না। অনুভব হয়ে যায় তাই না ! তো তোমাদের শক্তিশালী আত্মাদের এখন সেবা হল ব্লেসিন্স দেওয়া।
জয়ন্তী বোনের প্রতি- তোমার মধ্যে কত জন আত্মা সমায়িত হয়ে রয়েছে ? তুমি কত জন আত্মার মধ্যে সমায়িত হয়ে রয়েছো ? খুব ভালো, দ্রুততম বেগে সেবাকে এগিয়ে নিয়ে গেছো। লৌকিক, অলৌকক, পারলৌকিক তিনটি দিক থেকেই অভিনন্দন তোমরা আত্মারা পেয়েছো। পার্টে ভালো ভূমিকাও পালন করছো। লোক প্রিয়ও যে। সেইজন্য এই পয়েন্টের স্মৃতির কারণে সফলতাও রয়েছে। সেবায় সফলতা কারণই হল- করণকরাবনহার বাবার স্মৃতি রয়েছে, তাই তো সেফও সফলও হয়েছো তাই না? বাবাকে তো ফলো করেছ, কিন্তু নিমিত্ত যে তোমার দাদী(জানকী দাদী)কেও ফলো করেছো, তাঁর গুণ গুলিকেও ভালো ভাবে ফলো করেছো। খুব ভালো। জনককে বিশেষ স্মরণ জানিও। তাঁরও প্রত্যক্ষ ফল লাভ হয়েছে- নিরোগী কায়া। ওনার শরীর(ওনার নাম) কল্পতরু(অবিস্মরণীয়) হয়ে গেছে না !
যদিও গুয়েনার ফাউন্ডেশনের আধারে আমেরিকার ভি. আই. পি. দের পাওয়া গেছে, আমেরিকারও ফাউন্ডেশন হল গুয়েনা। বিদেশে এক নম্বর ভি আই পি যুগলও গুয়েনারই। সেইজন্য খুবই লাভলি তারা। দুজনের সেবাতেও বিশেষত্ব রয়েছে। অন্যদের থেকেও তারা এগিয়ে। তারা হল বিরল পুষ্প। সেই কারণে নামও ভালো ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের কন্যারাও খুব ভালো হয়েছে। বাড়িও খুব ভালো বানিয়েছে। বিঘ্নকে নির্বিঘ্ন বানিয়ে দিয়েছে। সেইজন্য পুরো পরিবারই হল লাভলি পরিবার। লাভলিও আবার লাভলীনও। আর যে সব ব্রাহ্মণরা এসেছে তাদের তাদের বাবার প্রতি ভালোবাসা রয়েছে এবং সেবাও ভালো করেছে। বেশী পরিশ্রম করতে হয়নি, খুব ভালো। গুয়েনার বিশেষত্ব হল কম পরিশ্রম করে, কিন্ত ভালোবেসে করে, সেইজন্য সকলকে স্মরণ জানিও আর বিশেষত্বের সওগাত দিও।
পার্টিদের সাথে - সঙ্গম যুগে সর্ব বৃহৎ কোন্ খাজানাটি লাভ হয় ? খুশীর। খুশীর খাজানা যাতে সদা সম্পন্ন থাকে, এমন যেন না হয় যে কখনো কম কখনো অনেক খুশী। খাজানা যখন অফুরন্ত অসীম, তাহলে কখনো কম কখনো বেশী-- তা যেন না হয়। সদা খাজানার প্রাপ্তিতে একরস থাকো। খুশীতে কেবল থাকলে হবে না, একরস এবং নিরন্তর থাকা। নম্বর তার ভিত্তিতেই হবে। কেবল নিরন্তর থাকে কিন্তু একরস নয়, তাহলেও দ্বিতীয় স্থান হয়ে যাবে। যদি কোনো ঝামেলাতে পড়ে যাও তবে খুশীর দোলনা ঢিলা হয়ে যাবে, জোরে জোরে নয় থেমে থেমে দুলবে। সেইজন্য সদা খুশীর দোলনায় দোলো।। সঙ্গম যুগ হল অনুভবের যুগ- এটাই হল এই যুগের বিশেষত্ব, এই বিশেষত্বের লাভ নাও। আচ্ছা।

বরদান :-- 

তোমার পূজনীয়তাকে স্মৃতিতে রেখে প্রতিটি কর্মকে পূজনীয় বানানো পরম পূজ্য হও(ভব)

বাচ্চারা তোমাদের প্রতিটি শক্তির পূজা দেবী-দেবতার রূপ হয়ে থাকে। সূর্য দেবতা, বায়ু দেবতা, পৃথ্বী দেবতা.... তেমনই নির্ভয়তার পূজা কালী দেবী রূপে হয়, সম্মুখীন হওয়ার শক্তির পূজা দূর্গার রূপে হয়। সন্তুষ্ট থাকা এবং সন্তুষ্ট করার পূজা সস্তোষী মাতার রূপে হয়। বায়ুর সমান হাল্কা হওয়ার শক্তির পূজা পবন পুত্রের রূপে হয়। তো তোমার এই পূজাকে স্মৃতিতে রেখে প্রতিটি কর্মকে পূজনীয় বানাও তবেই পরমপূজ্য হবে।

শ্লোগান : --

 জীবনে সন্তুষ্টতার এবং সফলতার পাল্লাকে সমান রাখাই হল সব চেয়ে বড় বিশেষত্ব।

***OM SHANTI***

Google+ Followers