BK Murli 8 June 2016 Bengali

BK Murli 8 June 2016 Bengali

 ০৮-০৬-১৬ প্রাতঃমুরলী ওমশান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা -- পবিত্র হওয়ার একমাত্র উপায় হলো বাবার স্মরণ, স্মরণের পরিশ্রমই শেষে কাজে আসবে"

প্রশ্ন - 

সঙ্গমে কোন্ তিলক লাগালে স্বর্গের রাজত্বের তিলক প্রাপ্ত হবে ?

ঊত্তর -- 

সঙ্গমে এই তিলক লাগাও যে আমরা শরীর নই , আমরা হলাম বিন্দু । ভিতরে ভিতরে এইসবই ঘুঁটতে থাকো যে আমরা হলাম আত্মা , আমাদের বাবার নিকট থেকে বর্সা বা অধিকার প্রাপ্ত করতে হবে । বাবাও হলেন বিন্দু , আমরাও হলাম বিন্দু । এই তিলক দ্বারাই স্বর্গের রাজত্বের তিলক প্রাপ্ত হবে । বাবা বলেন যে আমি গ্যারেন্টী নিচ্ছি যে তুমি স্মরণ করলে অর্দ্ধ কল্পের জন্য কান্নাকাটির থেকে মুক্ত হয়ে যাবে ।

ওম শান্তি । 

সবসময় এই খেয়াল চলা দরকার যে আমি আত্মা, আমাকে বাবাকে স্মরণ অবশ্যই করতে হবে , তাহলেই পবিত্র হতে পারব । পরিশ্রম যা কিছু আছে , সেসব এটাই , যে পরিশ্রম বাচ্চাদের দ্বারা পৌঁছায় না । মায়া অনেক হয়রান করে । এক বাবার স্মরণ ভুলিয়ে দেয় আর অন্যদের স্মরণ এনে দেয় । বাবা অথবা সাজনকে (প্রেমিক) স্মরণ করে না । এরকম সাজনকে তো কম পক্ষে আট ঘন্টা স্মরণ করার সার্ভিস দিতে হবে অর্থাৎ সাজনকে সাহায্য করতে হবে স্মরণ করার । অথবা বাচ্চাদের বাবাকে স্মরণ করা দরকার এটাই হলো সবচেয়ে বড় পরিশ্রম । গীতায়ও আছে মনমনাভব । বাবাকে স্মরণ করতে থাকো । উঠতে বসতে , চলতে ফিরতে এক বাবাকেই স্মরণ করো আর কিছুই নয় । পরে গিয়ে এই স্মরণই কাজে আসবে । নিজেকে আত্মা অশরীরী বোঝো , এবার আমাদের ঘরে ফেরার পালা । এই পরিশ্রম অনেক করতে হবে । সকালে স্নান ইত্যাদি করে তারপর একান্তে ওপরে ছাদে বা হলে এসে বসে যাও । যত একান্ত হবে তত ভালো হবে । সবসময় এই খেয়াল চালাতে হবে যে আমাদের বাবাকে স্মরণ করতে হবে । বাবার থেকে পুরো বর্সা প্রাপ্ত করতে হবে । এই পরিশ্রম প্রতি পাঁচ হাজার বছর বাদে তোমাকে করতে হয় । সত্যযুগ , ত্রেতা , দ্বাপর , কলিযুগ কোথাও তোমাকে এই পরিশ্রম করতে হয় না । এই সঙ্গমেই তোমাকে বাবা বলেন আমায় স্মরণ করো , ব্যস । এই সময় যখন বাবা বলেন আমায় স্মরণ করো । বাবা শুধু সঙ্গমেই আসেন আর কখনোই নয় । এইসব তুমিও নম্বরভিত্তিক পুরুষার্থ অনুসারে জেনে থাকো । অনেক বাচ্চারা বাবাকে ভুলে যাওয়ার দরুন অনেক ধোঁকা খায় । রাবণ খুবই ধোঁকাবাজ হয় । অর্দ্ধ কল্পের হয় এই শত্রুতা । এই কারনে বাবা বলেন রোজ সকালে উঠে এই বিচার সাগর মন্থন করো আর এই চার্ট রাখো যে কত সময় পর্য্যন্ত আমরা বাবাকে স্মরণ করি! কতটা মরচে উঠেছে ! সবকিছু স্মরণ যাত্রার ওপরে নির্ভরশীল । বাচ্চাদের পুরো চেষ্টা নিজেদের পুরো অধিকার প্রাপ্ত করার জন্য করতে হবে । নর থেকে নারায়ন পরিণত হতে হবে । এই হলো সত্য নারায়নের পাঁচালী ,ভক্তরা পূর্ণিমার দিন সত্যনারায়নের পাঁচালী পড়ে । এখন তুমি জানো ষোলো কলা সম্পূর্ণ পরিণত হতে হবে । সত্য বাবাকে স্মরন করলেই পরিণত হয়ে যাবে । বাবা হলেন শ্রীমত দাতা । বাবা বলেন গৃহস্থে থাকো , ব্যবসা ইত্যাদি কিছুও করো , বাবাকে স্মরণ অবশ্যই করতে হবে আর পবিত্র হতে হবে , ব্যস । স্মরণ না করলে রাবন দ্বারা ধোঁকা খেতে থাকবে । এই কারনে আসল কথা হলো স্মরনের । শিববাবাকে স্মরণ করতে হবে । দেহ সহিত দেহের সব সম্পর্ককে ভুলে নিজেকে আত্মা নিশ্চয় করো । বারবার বোঝানো হয় যে নিজেকে আত্মা বুঝে বাবাকে স্মরণ করতে হবে । নয় তো পরে অনেক অনেক অনুশোচনা করতে হবে । অনেক ধোঁকা খেতে হবে । এমন জোরে থাপ্পড় লাগবে যে মায়া একদম কালো মুখ করে দেবে । বাবা এসেছেন ফর্সা মুখ পরিনত করতে । এই সময়ে তো একে অপরের মুখ কালো করতে থাকে । ফর্সা পরিনত করার এক বাবাই হন , যাঁর স্মরনে তুমি ফর্সা হয়ে স্বর্গের মালিক পরিণত হবে । এটা হলোই পতিত দুনিয়া । বাবা আসেনই পতিত থেকে পাবন পরিণত করতে । বাকী তোমার ব্যবসা (ধান্ধা ধোরী) ইত্যাদিতে বাবার কোনো সম্বন্ধ নেই । শরীর নির্বাহার্থে তোমার যা করার , তাই করো । বাবা তো শুধু বলেন মনমনাভব হতে । তুমি বলোও আমরা কিভাবে পাবন দুনিয়ার মালিক পরিনত হবো ।বাবা বলেন শুধু আমায় স্মরন করো । ব্যস । আর কোনো উপায় পাবন হওয়ার জন্য হয় না । কতও দান পুন্য ইত্যাদি করো , কতও পরিশ্রম করো । অনেক সময় আগুনের ওপর থেকে আসা যাওয়া করতে থাকে , কিছুও কাজে আসবে না শুধু এক বাবার স্মরণ ছাড়া । অনেক সরল কথা , একেই বলা হয় সহজ যোগ । নিজেকে জিজ্ঞাসা করো যে আমরা আমাদের মিষ্টি মিষ্টি বাবাকে সারা দিনে কতটা স্মরন করি ! নিদ্রায় কোনো পাপ তো হচ্ছে না ! অশরীরী হয়ে যায় । বাকী দিন ভরে অনেক পাপ হতে থাকে আর পুরোনো পাপও অনেক আছে । স্মরণের পরিশ্রম করতে হবে । এখানে যখন এসেছো , তখন তো এই পরিশ্রম করতে হবে । বাইরের বাহ্য সঙ্কল্পকে উড়িয়ে দাও বা ভুলিয়ে দাও । নইলে বায়ুমন্ডল খারাপ করে দেবে । ঘরের , খেত খামারীর খেয়াল বা চিন্তা চলতেই থাকে । কখনো বাচ্চাদের মনে পড়বে আবার কখনো গুরু স্মরণে আসবে । সঙ্কল্প চলতে থাকবে তো বায়ুমন্ডল খারাপ বা দুষিত হতে থাকবে । পরিশ্রম যারা করে না , তারাই বিঘ্ন দেয় । এইসব হয় অনেক সূক্ষ্ম কথা । এখন তুমিও জানো , তারপর আবার কখনো জানতে পারবে না । বাবা এখনই বর্সা দিয়ে থাকেন তারপর অর্দ্ধ কল্পের জন্য নিশ্চিন্ত হয়ে যান । লৌকিক বাবার খেয়াল আর বেহদের বাবার খেয়ালের মধ্যে কতটা তফাত হয় । বাবা বলেন ভক্তি মার্গে আমার কত চিন্তা থাকে । ভক্তরা কত ক্ষনে ক্ষনে স্মরন করে । সত্যযুগে কেউই স্মরন করে না । বাবা বলছেন তোমাকে এতো সুখ দেওয়া হয় যে তোমাকে আমায় স্মরন করার দরকারই হয় না । আমরা জানি আমাদের বাচ্চারা সুখধামে , শান্তিধামে বসে আছে । এইসব কথা অন্য কোনো মানুষরা বোঝে না । এরকম বাবার মধ্যে নিশ্চয় বুদ্ধি হলে মায়া বিঘ্ন দিতে থাকে । বাবা বলেন শুধু আমায় স্মরন করো তাহলেই তোমার মধ্যে যে মরচে পড়েছে , রৌপ্র , তাম্র লোহা সেসব বেরিয়ে যাবে । গোল্ডেন এজ থেকে সিল্ভর অব্দি আসলেও দুটো কলা কম হয়ে যায় । এইসব কথা তুমি শোনোও আর বোঝোও । যারা সত্যিকারের ব্রাক্ষণ হবে তাদের বুদ্ধিতে ভালো ভাবে থাকবে , নয় তো বুদ্ধিতে থাকবে না । স্মরন টিকবে না । পুরো ব্যাপারটা বাবাকে স্মরনের ওপরই হয় । বারবার বলা হয় বাচ্চারা বাবাকে স্মরন করো । এই বাবাও (ব্রক্ষবাবা) বলবে শিববাবাকে স্মরন করো । শিববাবা নিজেও বলেন আমায় বাবাকে স্মরণ করো । আত্মাদের বলেন হে বাচ্চারা । সেই নিরাকার পরমাত্মাই আত্মাদের বলেন । আসল কথা এটাই হলো । কেউও আসলে তাদের প্রথম প্রথম বলো যে অল্ফকে (ঈশ্বর) স্মরন করো আর কোনোও টিকটিক করবে না । শুধু বলো নিজেকে আত্মা বুঝে বাবাকে স্মরন করো । অন্দরে এটাই ঘুঁটতে হবে । আমরা হলাম আত্মা , গাওয়াও হয় না যে তুলসীদাস চন্দন বাটে , তিলক দেয় রঘুবীর , এবার এই তিলক কোনোও স্থুল থোড়াই হলো । তুমি বোঝো যে বাস্তবে তিলক হলো এই সময়ের স্মরণ চিহ্ন । তুমি স্মরন করতে থাকো তো রাজত্বের তিলক দিয়ে থাকো । তুমি রাজত্বের তিলক প্রাপ্ত করবে আর ডবল মুকুটধারী পরিণত হবে । রাজত্বের তিলক প্রাপ্ত হবে অর্থাৎ স্বর্গের মহারাজা মহারানী পরিনত হবে । বাবা কত সহজ ভাবে বলছেন । ব্যস শুধূ স্মরণ করো যে আমরা হলাম আত্মা , শরীর নয় । আমাদের বাবার নিকট থেকে বর্সা প্রাপ্ত করতে হবে ।
তুমি জানো আমরা আত্মারা হলাম বিন্দুর মতন , বাবাও হলেন বিন্দু । বাবা হন জ্ঞানের সাগর , সুখের সাগর । তিনি আমাদের বরদান দেন । এনার (ব্রক্ষবাবা) পাশে বসেন । গুরু নিজের শিষ্যকে পাশে বসিয়ে শেখান । ইনিও পাশে বসে আছেন । বাচ্চাদের শুধু বলা হয় নিজেদের আত্মা বুঝে মামেকম্ স্মরণ করো । সত্যযুগেও তোমরা নিজেদের আত্মা বোঝো , কিন্তু বাবাকে জানো না । আমরা আত্মারা শরীর ত্যাগ করি আর তারপর অন্যটা ধারণ করি । ড্রামা অনুসারে তোমার পার্ট এইরকমই আছে এই কারনে তোমার আয়ু সেখানে বড় থাকে , পবিত্র থাকে । সত্যযুগে আয়ু বড় থাকে আর কলিযুগে ছোটো হয় । সেখানে হয় যোগী আর এখানে হয় ভোগী । যোগীরা পবিত্র হয় । সেখানে রাবন রাজত্বই হয় না । আয়ু বড় থাকে , এখানে আয়ু কত ছোটো হয় , এইসবকে কর্ম ভোগ বলা হয় । সেখানে কখনোই অকালমৃত্যু হয় না । সেই কারনে বাবা বলেন বাবাকে যখন চিনেছো তখন শ্রীমতে চলো । এক বাবাকে স্মরণ করো । নিজেকে আত্মা বোঝো । এবার আমাদের ঘরে ফেরার পালা , এই শরীর ত্যাগ করতে হবে । বাকী সময় সার্ভিসে লাগাতে হবে ।
তোমরা বাচ্চারা হলে অনেক গরীব এইজন্য বাবার অনেক দয়া হয় । তোমাদের বৃদ্ধাদের , কুব্জাদের ইত্যাদিদের কোনোও কষ্ট দেওয়া হয় না । বৃদ্ধাদের কুব্জা বলা হয় । বৃদ্ধাদের বোঝানো হয় যে বাবাকে স্মরণ করো । তোমাকে যদি কেউ । জিজ্ঞাসা করে যে কোথায় যাচ্ছ? তো বলো গীতা পাঠশালায় যাচ্ছি । যেখানে কৃষ্ণের আত্মাও চুরাশী জন্ম গ্রহন করে এখন বাবার নিকটে জ্ঞান প্রাপ্ত করছে ।
বাচ্চারা প্রদর্শনীতে কত খরচা করে , আবার লেখেও অমূকে ভালো প্রভাবিত হয়েছে । কিন্তু বাবা বলেন একজনও এরকম লেখে না যে বরাবর এই সময়ে বেহদের বাবা এই ব্রক্ষার তনে এসেছেন , ওঁনার দ্বারাই স্বর্গের বর্সা প্রাপ্ত হয়ে থাকে । বাবা বুঝে যান যে একজনেরও নিশ্চয় হয়নি । শুধু প্রভাবিত হয়েছে । এই জ্ঞান খুবই ভালো । সিড়ি ঠিক ভাবে দেখানো হয়েছে । কিন্তু নিজে যোগে থেকে তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান পরিনত হবে , তারা সেটা করে না । শুধু বলে পরমাত্মার নিকটে বর্সা প্রাপ্ত করার -- বোঝানোটা খুব ভালো । কিন্তু নিজে প্রাপ্ত করুক , সেটা নয় । কিছুই পুরুষার্থ করে না । প্রজা ঢের তৈরী হবে । বাকী রাজা পরিনত হওয়াতেই পরিশ্রম আছে । প্রত্যকে নিজের মনকে জিজ্ঞাসা করো যে আমরা কত পর্য্যন্ত বাবার স্মরনে হর্ষিত থাকি ? আমরা আবার থেকে দেবতা পরিনত হই । এরকম এরকম নিজের সাথে একান্তে বসে কথা বলো , ট্রাই করে দেখো । বাবাকে স্মরন করতে থাকো তো বাবা গ্যারেন্টী দেন যে অর্দ্ধ কল্প তুমি কাঁদবে না । এখন তুমি বলো বাবা এসে আমাদের রাবণ মায়ার ওপরে জীত হাসিল করান । যে যত পরিশ্রম করে , সেটা নিজের জন্যই করা হয় । আবার তুমি আসবে নতূন দুনিয়ায় । পুরোনো দুনিয়ার হিসেব নিকেশও চুক্তূ করতে হবে আর তোমাকে তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান পরিনত হতে হবে । পাবন বা পবিত্র হওয়ার অনেক যুক্তি বলেন । এই সময় হলো বিনাশের সময় , সকলের বিনাশ হওয়ার আছে । নতুন দুনিয়ার স্থাপনা হওয়ার আছে । তুমি জানো আমরা এই মৃত্যুলোকে এই শরীর ত্যাগ করে আবার নতূন দুনিয়া অমরলোকে আসবে । আমরা পড়া করিই নতুন দুনিয়ার জন্য আর কোনো এমন পাঠশালা হয় না , যেখানে ভবিষ্যতের জন্য পড়া হয় । হ্যাঁ , যারা অনেক দান পুন্য করে তারা রাজার নিকটে জন্ম গ্রহন করে । গোল্ডেন স্পুন ইন মাউথ বলা হয় । সত্যযূগে তুমি প্রাপ্ত করো , কলিযুগেও যারা রাজার নিকটে জন্ম গ্রহন করে , তাদেরও প্রাপ্ত হয় , তারপরও এখানে তো অনেক প্রকারের দুঃখ থাকে । তোমার তো ভবিষ্যতে একুশ জন্মের জন্য কোনোও দুঃখ হবে না । কখনোও অসুস্থ হবে না , গোল্ডেন স্পুন ইন স্বর্গ । এখানে হয় অল্পকালের রাজত্ব । তোমার হয় একুশ জন্মের জন্য । বুদ্ধি দ্বারা ভালো ভাবে কাজ করতে হবে , তারপর বোঝাতে হবে । এমন নয় যে ভক্তি মার্গে কেউ রাজা হতে পারে না । কেউ কলেজ অথবা হাসপাতাল তৈরী করে তো তাদেরও সেই মুল্য প্রাপ্ত হয় । হাসপাতাল তৈরী করলে দ্বিতীয় জন্মে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে । বলা হয় তো যে এর পুরো আয়ুতে একবারও জ্বর হয়নি । আয়ু বড় হয় । অনেক দান ইত্যাদি করলে , হাসপাতাল ইত্যাদি তৈরী করলে আয়ু বেড়ে যায় । এখানে তো যোগ দ্বারা তুমি এভরহেল্দী - ওয়েল্দী পরিনত হও । যোগ দ্বারা তুমি একুশ জন্মের জন্য সমৃদ্ধি প্রাপ্ত করে থাকো । এটা তো অনেক বড় হাসপাতাল , অনেক বড় কলেজ হয় । বাবা প্রতি কথা খুব ভালো ভাবে বোঝান । বাবা বলেন যেখানে আনন্দ হবে , যেখানে মন লাগবে সেখানেই গিয়ে পড়তে পারো । এমন নয় যে আমাদের সেন্টরে যেতে হবে , এদের কাছে কেন যাও । না , যার যেখানে ইচ্ছা সে সেখানে যাক্ । কথা তো একটাই । মুরলী তো পড়ে শোনানো হয় । সেই মূরলী এখান থেকে যায় , তারপর কেউ বিস্তারিত ভাবে বোঝায় , কেঊ আবার পড়ে শুনিয়ে দেয় । যারা ভাষণ করে তারা হয়তো চেঁচিয়ে বলে হবে । কোথাও ভাষণ হোক্ সেখানে প্রথমেই বলো যে শিববাবা বলেন নিজেকে আত্মা বুঝে আমায় বাবাকে স্মরণ করো তো তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে আর পাবন পরিনত হয়ে পাবন দুনিয়ার মালিক হবে । কত সহজ ভাবে বোঝানো হয় । আচ্ছা !

মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি (সিকীলধে) বাচ্চাদের মাতাপিতা বাপদাদা স্মরণকরছেন আর জানাচ্ছেন স্নেহ সুমন আর সুপ্রভাত । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের জানান নমস্কার ।

ধারনার জন্য মুখ্য সার -:

১. বাইরের ব্যর্থ খেয়াল বা চিন্তাকে ত্যাগ করে একান্তে বসে স্মরণের পরিশ্রম করতে হবে । সকাল সকাল ঊঠে বিচার সাগর মন্থন করতে হবে আর নিজের চার্ট দেখতে হবে ।

২.যেমন ভক্তিতে দান পুণ্যের মহত্ব আছে , সেইরকমই জ্ঞান মার্গেও স্মরণের মহত্ব আছে । স্মরণ দ্বারাই আত্মাকে এভারহেল্দী ওয়েল্দী হতে হবে । অশরীরী থাকার অভ্যাস করতে হবে ।

বরদান --: নিজস্ব স্মৃতির জ্যোতি দ্বারা ব্রাক্ষণ কুলের নাম উজ্জ্বল কারী কুল দীপক (ভব) হও !

এই ব্রাক্ষণ কুল সবচেয়ে বড় থেকে বড় হয় , এই কুলের তোমরা হলে সবাই দীপক (প্রদীপ) । কুল দীপক অর্থাৎ সদা নিজস্ব স্মৃতির জ্যোতির দ্বারা ব্রাক্ষণ কুলের নাম ঊজ্জ্বল করার অধিকারী । অখন্ড জ্যোতি অর্থাৎ সদা স্মৃতি স্বরূপ আর সমর্থী স্বরূপ । যদি স্মৃতিতে থাকে যে আমি মাস্টার সর্বশক্তিমান তাহলে স্বতঃই সমর্থ স্বরূপ থাকবে । এই অখন্ড জ্যোতির স্মরণ চিহ্ন তোমাদের জড় চিত্রের আগে অখন্ড জ্যোতি জ্বালাতে থাকে ।

স্লোগন --: 

যারা সকল আত্মাদের প্রতি শুদ্ধ সঙ্কল্প করে তারাই হলো বরদানী মূরত ।


***OM SHANTI***

Google+ Followers