BK Murli 8 July 2016 Bengali

BK Murli 8 July 2016 Bengali

০৮-০৭-১৬ প্রাতঃমুরলী ওমশান্তি "বাপদাদা" মধুবন

"মীঠে বাচ্চে - জীবিত অবস্থায় এই শরীর থেকে আলাদা হও, অশরীরী হয়ে বাবাকে স্মরণ করো , একেই বলা হয় ডেড সাইলেন্স বা মৃত্যু সম নিস্তব্ধতা"

প্রশ্ন :- 

তোমরা বাচ্চারা এখন নিজের ফাউন্ডেশান মজবুত করছো , সেই শক্তি কিভাবে প্রাপ্ত হবে?

উত্তর :- 

পবিত্রতার আধারে । আত্মা যত পবিত্র অর্থাৎ সত্য সোনা রূপে পরিণত হয়, শক্তিশালী হয়ে যায়। বাবা এখন স্বরাজ্যের ফাউন্ডেশান এতটাই মজবুত করে দেন যে অর্ধকল্প এই ফাউন্ডেশানকে কেউ নাড়াতে পারবেনা । তোমার রাজত্ব কেউ কেড়ে নিতে পারবেনা ।

গান : 

ওম্ নম: শিবায় ...

ওমশান্তি । 

বাবা বলেন আমাকে স্মরণ করো অর্থাৎ অশরীরী হও অর্থাৎ ডেড সাইলেন্স । যেমন মানুষের মৃত্যুতে ডেড সাইলেন্স হয়। বলা হয় এর শরীর শান্ত হয়েছে । শরীর এবং আত্মা আলাদা হলেই শেষ হয়ে যায়। এখানেও তোমরা বাচ্চারা যখন বসো তখন ডেড সাইলেন্স বলা হয় । জীবিত অবস্থায় অশরীরী হয়ে যাও। নিজেকে আত্মা নিশ্চয় করো বাবাকে স্মরণ করো । তুমি জানো যে এই হল সত্যিকারের শান্তি । তারা শান্তিকে জানেনা । ডেড সাইলেন্সের অর্থ তো জানেই না। ডেড সাইলেন্স কেন বলে? স্মরণ করানো হয় তার মৃত্যু হয়েছে , শান্ত হয়ে গেছে । তুমিও মরে শান্ত হয়ে যাও। বড় লোকেরা গান্ধীজির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে যান। সেখানে বলা হয় ডেড সাইলেন্স অর্থাৎ শান্তিতে বসো। তুমিও জানো যে আমরা আত্মারা হলাম শান্ত স্বরূপ , দুনিয়া সে কথা জানেনা । আমরা নিজ স্বরূপে স্থির হই, আমাদের স্বধর্ম হল শান্তি । আমাদের আত্মা হল শান্ত স্বরূপ । তাদের এইসব জানা নেই তাই তারা শান্তি চায়। আত্মা বলে শান্তি চাই। আত্মা নিজের স্বধর্ম ভুলেছে । বাস্তবে আত্মার ধর্ম হল শান্তি । তাহলে আত্মা কেন বলে - অশান্তি অনুভব হয়। অশরীরী হয়ে বসে যাও। তারাতো হঠযোগ দ্বারা প্রাণায়াম ইত্যাদি করে যেন মৃত , তাকে বলে কৃত্রিম শান্তি । তোমরা বাচ্চারা তো জানো যে আমাদের স্বধর্ম হল শান্তি । তোমরা আত্মারা স্বরাজ্য প্রাপ্ত করছো। আত্মা সর্ব পদ প্রাপ্তি করে। আত্মা ব্যারিস্টার হয়। আত্মা বলে আমাদের রাজত্ব চাই। পূর্বেও রাজত্ব প্রাপ্ত করেছিল বাবার কাছে , এখন পুনরায় প্রাপ্ত করছে । মানুষ দেহঅভিমানে রয়েছে তাই দুঃখে রয়েছে ।
এখন তুমি জানো যে আমরা হলাম আত্মা , আমাদের পরমপিতা পরমাত্মার কাছে স্বরাজ্য প্রাপ্তির জন্যে উপস্থিত হয়েছি। তোমাদের অর্থাৎ আত্মাদের রাজত্ব চাই। এইসময় আত্মা স্বরাজ্য চায় - বেহদের বাবার কাছে। শ্রীকৃষ্ণের স্বরাজ্য ছিল যা হারিয়ে গেছে । এখন বাবা এসে তোমাদের অর্থাৎ আত্মাদের রাজত্ব দিচ্ছেন , একেই রাজযোগ বলা হয়। পরমপিতা পরমাত্মা স্বয়ং এসে আমাদের রাজযোগ শেখাচ্ছেন । মানুষ দেহঅভিমানের বশে বলে দেয় - আমি হলাম অমুক । " আমি " দেহকেই নিশ্চয় করে। বাস্তবে "আমি" "আমি" আত্মা বলে । আত্মা বলে আমি অমুক বস্তু হাতে নিয়েছি। মেল ফীমেল দুজনেই এক কথা বলে । বাস্তবে আত্মা হল মেল বা পুরুষ । আমি আত্মা হলাম বাবার সন্তান । আত্মা বলে - বাবা আমরা আপনার কাছে স্বরাজ্য প্রাপ্ত করছি । আত্মাকে স্বরাজ্য দান করেন পরমাত্মা। ভক্তি এবং জ্ঞানের মধ্যে দেখ কতটা তফাত রয়েছে । শিবের মন্দিরও রয়েছে । সবচেয়ে বেশী ঘন্টার আওয়াজ শিবের মন্দিরেই শোনা যায়। ওনাকে জাগ্রত করান হয়। সকলকেই জাগানো হয়। সকালের সময়ে ব্যান্ড বাজনা বাজে । এখানে বাবা বাচ্চাদের জাগিয়ে দেবতা রূপে পরিণত করেন। ঘন্টা ইত্যাদি বাজানোর কোনো কথা নেই । বাবা বলেন স্বরাজ্য প্রাপ্তির জন্যে প্রথমে পবিত্র হও। মুখ্য উদ্দেশ্য বুদ্ধিতে থাকে। স্টুডেন্ট বলে আমরা ম্যাট্রিক পাশ করে এই করব। সন্ন্যাসী চাইবেন যাতে শান্তি প্রাপ্ত হয়। একটি কাহিনী আছে না - রানীর গলায় হার থাকা সত্ত্বেও বাইরে খুঁজেছিল। সেইরকম ওরাও শান্তিকে বাইরে খুঁজছে । কিন্তু আত্মাতো স্বয়ং হল শান্তস্বরূপ। আত্মা নিজ স্বধর্ম ভুলে নিজেকে শরীর নিশ্চয় করেছে । বাবা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন তুমি হলে আত্মা । তুমি হলে সেই আত্মা যে ৮৪ জন্ম ভোগ করেছে। এই কথা অন্য কেউ বোঝাতে পারবেনা । বাবা বলেন তুমি নিজের জন্মের বিষয়ে জাননা , আমি বলে দিচ্ছি । তুমি হলে ব্রহ্মাকুমার-কুমারী । বাবা বোঝাচ্ছেন পবিত্রতা বিনে জ্ঞানের ধারণা করা অসম্ভব । বলা হয় কিনা বাঘের দুধ রাখতে সোনার পাত্র চাই। এই জ্ঞানের জন্যেও সোনার পাত্র অর্থাৎ সোনার বুদ্ধি চাই। আত্মা বাবাকে স্মরণ করে সোনায় পরিণত হয়। বাবা হলেন সত্য সোনা। আত্মা বাবাকে স্মরণ করলেই সম্পূর্ণ জ্ঞান বুদ্ধিতে এসে যায়। তুমি সত্যিকারের সোনা সম পবিত্র ছিলে এই জ্ঞানের প্রভাব কারুর নেই । বাবা বলেন আমি তোমাকে স্বরাজ্য প্রদান করি। এই স্বরাজ্য তখন প্রাপ্ত করবে যখন পুরনো সৃষ্টির বিনাশ এবং নতুন সৃষ্টির শুভারম্ভ হবে। মানুষের কাছে থাকে হদের রাজত্ব । বেহদের রাজত্ব মানুষদের প্রাপ্ত হয়না। বিশ্বের মালিক হতে পারেনা। তুমি হও বাবার দ্বারা । ভগবান বাবা-ই তোমার ৮৪ জন্মের কাহিনী জানেন । দেবতারা নিজের জন্মের কাহিনী জানেনা। যদি জানে তবে দুঃখ অনুভব করবে, এবারে কি সিঁড়ি নামতে হবে! রাজত্বের সম্পূর্ণ আনন্দ সুখ হারিয়ে ফেলবে। এখানে তুমি সমস্ত কিছু জানো। জানো যে আমরা হলাম আত্মা , এতে একেবারেই সংশয় নেই । একে অপরের মুখে শুনে বৃদ্ধি হতে থাকে। এইরূপ দৈবী ধর্মের বৃক্ষ স্থাপন হচ্ছে । তুমি বুঝতে পারো আমাদের ব্রাহ্মণ কুলের একজন সদস্য এসেছে । ভক্তি পূর্ণ করে বাবার কাছে বর্সা নিতে এসেছে । জ্ঞান পূর্ণ হলে পুনরায় ভক্তি আরম্ভ হবে। এইসব কথা কেউ জানেনা । বাড়ি যেরকম নতুন ও পুরনো হয়। কাঁচা বাড়ির আয়ুও নিশ্চয়ই কম হবে। আজকাল পাকা বাড়ি তৈরী হয়। ভালাই ভূমিকম্প হয় তবুও বাড়ি ভেঙ্গে পড়েনা , ক্ষতি হয়না , খুব মজবুত বানানো হয়। ফাউন্ডেশান বা ভিঁত বিশেষ ভাবে পাকা তৈরী করা হয়। এখন ফাউন্ডেশান তৈরী হচ্ছে স্বরাজ্যের । আত্মা ২১ জন্মের জন্যে রাজত্ব প্রাপ্ত করে। এখানেতো রাজত্ব একেবারেই নেই । আজ রাজত্ব আছে কাল যদি কেউ আক্রমণ করে , তবেই শেষ। ফাউন্ডেশান নেই । মানুষের কোনো ফাউন্ডেশান নেই , আজ আছে কাল মৃত্যু । এখন বাবা তোমার ফাউন্ডেশান পাকা করে দিচ্ছেন , যারফলে তুমি ২১ জন্মের জন্যে রাজ্য ভাগ্য প্রাপ্ত করো। তোমার রাজত্বের ফাউন্ডেশান পাকা হচ্ছে । তোমাকে পৃথিবীর কোনো তুফান স্পর্শ করতে পারবেনা । গীতাতে রয়েছে বাবা আমাদের স্বরাজ্য প্রদান করেন , যা কেউ ছিনিয়ে নিতে পারেনা , ধূলিসাত করতে পারেনা। এমন বাদশাহী দেন যেখানে একটুও দুঃখ থাকেনা । আত্মার কত খুশীর অনুভব হওয়া উচিত । নিশ্চয় আছেতো নাকি । নিশ্চয় না থাকলে স্বর্গে প্রবেশ করার যোগ্যতা নেই । এত ব্রহ্মাকুমার-কুমারী বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তুমি জানো জ্ঞানের সাগর , পতিত-পাবন আমাদের পড়াচ্ছেন রাজযোগ শেখাচ্ছেন । তারা আবার বলে দেয় এইসব কৃষ্ণ শিখিয়েছে । এই কথা কিভাবে বুঝবে শিববাবা মনুষ্য দেহে প্রবেশ করে এই জ্ঞান দিচ্ছেন । ভারত পবিত্র ছিল , এখন হয়েছে অপবিত্র পতিত । দেবতাদের সম্মুখে গিয়ে তাঁদের মহিমা গায়ন করে। শিবের সম্মুখে গিয়ে কখনোই এই কথা বলবেনা যে আপনি হলেন সর্বগুন সম্পন্ন , ১৬ কলা সম্পূর্ণ । শিবের মহিমা হল আলাদা । তিনি হলেন জ্ঞানের সাগর , পতিত-পাবন , সর্বের সদ্গতি দাতা, সর্বের ঝুলি ভরপুর করেন ভোলানাথ । এমন পিতাকে সকলেই ভুলে গেছে । পরমপিতা পরমাত্মাকে আহ্বান করে যে দুঃখ দূর করো সুখ প্রদান করো। সুখকর্তা দুঃখহর্তা তো হলেন একমাত্র তিনিই । ওঁনার হল শ্রেষ্ঠ মত। সেই হল শ্রী শ্রী ভগবানের মত , যার দ্বারা তোমরা বাচ্চারা শ্রেষ্ঠ রূপ ধারণ করো। গভর্নমেন্টও বলে এই দুনিয়া হল ভ্রষ্টাচারী দুনিয়া। এবারে শ্রেষ্ঠ রূপ প্রদান কে করবে , জানা নেই। কেউ ভাবে সাধুরা করবে কিন্তু তারাতো শ্রেষ্ঠ করতে পারেননা । এই কর্তব্য তো একমাত্র বাবার । পূর্ব সময়ে এক রাজার আদেশ অনুসারে সবকিছু চলতো। সত্যযুগে তোমার মন্ত্রী ইত্যাদি থাকেনা । সম্রাটের এতো শক্তি থাকতো। মন্ত্রীর নাম গায়নে নেই । তুমি বুঝতে পারো আমরা বিশ্বের মালিক রূপে রাজত্ব চালিয়েছি। তেমন ভাবে চালাতে হবে, যেমন চালিয়ে ছিলাম । বরাবর সত্যযুগে লক্ষ্মীনারায়ণের রাজত্ব ছিল কিনা । প্রত্যেককে নিজের নিজের রাজধানী প্রাপ্ত হবে। কৃষ্ণের নিজের রাজধানী থাকবে । অন্য রাজারাও তো থাকবে কিনা । অন্তত পক্ষে ৮ তো হবেই , এবারে ৮ হবে নাকি ১০৮ সেটাতো ভবিষ্যতে জানা যাবে। এমন নয় যে জ্ঞান পরে দেওয়ার কথা সেই জ্ঞান বর্তমানে দেওয়া হবে। যারা জীবিত থাকবে বাবা জ্ঞান দেবেন । দিতেই হবে। ড্রামায় ফিক্স রয়েছে । পরমাত্মার পার্ট বর্তমানেই আছে । এই সমস্ত জ্ঞান প্রদান করার পার্ট এখনই ফিক্স আছে । বাবা বলেন ভবিষ্যতে তুমি সবকিছু বুঝতে পারবে। দিন-প্রতিদিন বোঝানো হচ্ছে । এই কথাও জানা যাবে যে আমরা সেখানে রাজধানী কিভাবে চালিয়েছি ! স্বয়ংবরের প্রক্রিয়া কিভাবে হয়! তুমি ধ্যান করে বৈকুন্ঠের দর্শন করেছ। সেখানে কিরকম সোনার মহল থাকে। সেখানে সর্বত্র সোনা আর সোনা । নিজেকে পারসপুরীতে নিবাস করতে দেখেছ। সোনার ঈঁটের ভবন নির্মাণ দেখেছ। ভেবেছো কিছু ঈঁট সঙ্গে নিয়ে যাবে। তারপর একটু নীচে নেমেই নিজেকে এইখানে দেখেছ। মীরা ধ্যান মগ্ন হয়ে নিজেকে কৃষ্ণের সঙ্গে রাস করতে দেখেছিল। তুমি সুক্ষ্মবতনে যাও সেখানে হাড্ডি মাংস দ্বারা গঠিত দেহ থাকেনা , ফরিস্তা হয়ে যাও। ব্রহ্মারও সুক্ষ্ম শরীর দেখতে পাওয়া যায়। সেই ফরিস্তা রূপে পরিণত হন। তুমি বাগান ইত্যাদি দেখেছ। এই কথা বাবা সাক্ষাতকার করান। তুমি বলো বাবা আমাদের শুবীরস পান করতে দেন। এবারে সুক্ষ্মবতনে তো পান করানো যাবেনা। বৈকুন্ঠে ফল ফুল ইত্যাদি ফার্স্টক্লাস থাকে। সুক্ষ্মবতনে তো বাগান ইত্যাদি হয়না। তুমি বলো যে বাগানে প্রিন্স ছিল সেতো হল বৈকুন্ঠ কিনা । বৈকুন্ঠের বৈভব এখানে প্রাপ্ত করা অসম্ভব । সেখানে তো ফার্স্টক্লাস বৈভব থাকে । বাবা বলেন আমি তোমাকে বৈকুন্ঠের মালিক করি। এখানে তো কেবল দুঃখ রয়েছে । এমন কোনো মানুষ নেই যে বলছেনা হে দুঃখ মুক্ত করো। দুঃখেই সবাই স্মরণ করে । কৃষ্ণের পুজারী বলবে কৃষ্ণ কহো , হনুমানের পুজারী বলবে জয় হনুমান ... এখানে বাবা বলছেন নিরন্তর আমারে স্মরণ করো। এমন স্মরণ করো যাতে অন্তকালে অন্য কারুর স্মৃতি যেন না আসে। কাশী কলবট খেলে এমন অনুভূতি হয় যে নিজেদের কৃত্য পাপের জন্ম-জন্মান্তরের সাজা ভোগ করছি। অনেক পাপ করেছি। একেই বলা হয় পাপ আত্মাদের দুনিয়া। আত্মা হল পাপী। আত্মাই বাবাকে আহ্বান করে - হে পরমপিতা পরমাত্মা , হে পরমধাম নিবাসী শিববাবা, ওঁনার আসল নাম তো একটাই । তিনি হলেন আত্মাদের পিতা। রূদ্র নামের সাথে শালিগ্রাম শব্দটি শোভা পায়না । শিব ও শালিগ্রাম বললে শোভা পায়। শিবের মাটির লিঙ্গ রূপ তৈরী করা হয় তাই শালিগ্রামও তৈরী করা হয়। পতিত-পাবন তো তিনিই হলেন কিনা। এখানে যজ্ঞ রচনাও করা হয়। ভারত হল সবচেয়ে উঁচুতে কিন্তু দেবতা ধর্মকে ভুলে গেছে । তোমার হল আদি সনাতন দেবীদেবতা ধর্ম । সেতো নিরন্তর চলা উচিত । হিন্দু কোনো ধর্ম হল নাকি। দেবতা ধর্মের আত্মারাই সতো-রজো-তমোতে আসে । যখন তমোতে এসে পড়ে তখন আর নিজেদের দেবতা সম্বোধন করতে পারেনা। বাস্তবে হিন্দু ধর্ম হয়না । তাই বোঝান হয় তুমি দেবীদেবতা হতে পারো , এসে বোঝো। তখন বলে দেয় সময় কোথায় আছে ! বাবা বলেন আমি তোমাদের আপন করি সুখ শান্তির বর্সা দেওয়ার জন্যে । কোনো পরিবার একত্রে বাস করে স্নেহপূর্ণ ভাবে । সকলের উপার্জন একত্রিত হয়। কোনো ঝঞ্ঝাট থাকেনা কিন্তু তবুও স্বর্গ বলা যাবেনা । সত্যযুগে কারুর সংসারে রোগ শোক ইত্যাদি হয়না। নামই হল স্বর্গ । সেখানে সবাই সুখী হয়। বাবার কাছে তুমি সদাকালের সুখের বর্সা প্রাপ্তির জন্যে এসেছ। তুমি এখন জ্ঞান প্রাপ্ত করো। বলা হয় বাবা আপনি হলেন পতিত-পাবন । আমাদের পবিত্র করুন । বাবার সাথে তোমরা বাচ্চারাও হলে ঈশ্বরীয় সেবাধারী । আচ্ছা !

মীঠে মীঠে সিকীলাধে বাচ্চাদের প্রতি মাতাপিতা বাপদাদার স্মরণ ভালোবাসা আর সুপ্রভাত । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সার :-

১. স্বরাজ্য প্রাপ্তির জন্যে পবিত্রতার ফাউন্ডেশান এখন থেকেই মজবুত করতে হবে । যেমন বাবা হলেন পতিত-পাবন তেমনই বাবা সম পবিত্র হতে হবে।

২. নিজের শান্ত স্বধর্মে স্থির থাকতে হবে। যতটা সম্ভব দেহ-অভিমান ত্যাগ করে দেহি-অভিমানী হয়ে থাকতে হবে। ডেড সাইলেন্স অর্থাৎ অশরীরী হয়ে থাকার অভ্যাস করতে হবে ।

বরদান :- 

এক লগনে , এক ভরসায় , একরস অবস্থা দ্বারা সর্বদা নির্বিঘ্ন হয়ে থাকে এমন নিবারণ স্বরূপ ভব।

সর্বদা এক বাবার লগনে , বাবার কর্তব্যের লগনে এমন মগ্ন থাকো যে সংসারের কোনো বস্তু বা ব্যক্তি যে আছে - তা যেন অনুভব না হয়। এমন এক লগনে , এক ভরসায় , একরস অবস্থায় অবস্থিত বাচ্চারাই চড়তি কলা অর্থাৎ আরোহী কলার অনুভব করে। তারা কারণকে পরিবর্তন করে নিবারণ রূপে পরিণত করে। কারণ দেখে কমজোর হয়না , নিবারণ স্বরূপ হয়ে যায়।

শ্লোগান :- 

প্রশংসার আধারে প্রসন্নতা অল্পকালের হয় । 

***OM SHANTI***

Google+ Followers