BK Murli 5 April 2016 In Bengali

BK Murli 5 April 2016 In Bengali

 ০৫-০৪-২০১৬ প্রাতঃমুরলী ওম্ শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


" মীঠে বাচ্চে - বাবার মতন রহমদিল বা দয়ালু হয়ে অনেককে পথ দেখাও, যে বাচ্চারা দিন রাত সার্ভিস করে- তারাই হল বাহাদুর। "

প্রশ্ন :- 

উঁচু ভাগ্যের মুখ্য আধার কোন্ কথায় নির্ভর করছে ?

উত্তর :- 

স্মরণের যাত্রায় । যে যত স্মরণ করে তত উঁচু ভাগ্য নির্মাণ করে। শরীর নির্বাহের জন্যে কর্ম করতে করতে বাবা এবং বর্সাকে স্মরণ করতে থাকো তাহলেই উঁচু ভাগ্যের নির্মাণ হতে থাকবে।

গান:- 

ভাগ্যোদয় করে এসেছি .... (তকদীর জাগাকর আয়ী হুঁ)

ওম্ শান্তি ! 

বাচ্চারা যখন জন্ম নেয় তো কর্ম অনুযায়ী নিজের ভাগ্য নিয়েই আসে । কেউ ধনীর ঘরে, কেউ গরীবের ঘরে জন্ম নেয়। বাবাও বোঝেন যে অধিকারী এসেছে । যেমন যেমন দান পুণ্য করে , সেই অনুসারে জন্ম নেয়। এখন তোমরা মিষ্টি মিষ্টি সিকীলাধে ( অনেক দিনের হারিয়ে ফিরে পাওয়া ) বাচ্চাদেরকে কল্প পরে আবার বাবা এসে বোঝাচ্ছেন । বাচ্চারাও জানে যে আমরা নিজের ভাগ্য নিয়ে এসেছি । স্বর্গের বাদশাহীর ভাগ্য নিয়ে এসেছি , যারা ভাল করে জেনেছে আর বাবাকেও স্মরণ করেছে। স্মরণের সাথে ভাগ্যের কনেক্শান রয়েছে । জন্ম নিয়েছ তো বাবার স্মরণেও থাকা উচিত । যত স্মরণ করবে তত উঁচু ভাগ্য প্রাপ্তি হবে । কত সহজ কথা। সেকেন্ডে জীবনমুক্তির প্রাপ্তি হয়। তুমি এসেছ সুখধামের ভাগ্য প্রাপ্ত করতে। এখন প্রত্যেকে পুরুষার্থ করছে। প্রত্যেকে নিজেকে দেখছে যে আমরা কিভাবে পুরুষার্থ করছি । যেমন মাম্মা বাবা আর সার্ভিসেবল বাচ্চারা পুরুষার্থ করে তাদের ফলো করা উচিত। সবাইকে বাবার পরিচয় দেওয়া উচিত । বাবার পরিচয় দিলে রচনার আদি-মধ্য-অন্তের নলেজও এসে যাবে। ঋষিমুনি ইত্যাদি কেউও রচয়িতা এবং রচনার আদি-মধ্য-অন্তের নলেজ দিতে পারেনা। এখন তোমার বুদ্ধিতে সমস্ত চক্র স্মৃতিতে রয়েছে । দুনিয়ায় কারুর বাবা এবং বর্সাকে জানা নেই । তোমরা বাচ্চারা এখন বাবাকে আর নিজের ভাগ্য কে জানো। এবারে বাবাকে স্মরণ করতে হবে। শরীর নির্বাহের জন্যে কর্মও করতে হবে। ঘর দুয়ার সামলাতে হবে। কেউ নির্বন্ধন হলে ভাল সার্ভিস করতে পারবে। সন্তান ইত্যাদি কেউ না থাকলে সার্ভিস করার ভাল চান্স আছে। স্ত্রীলোকের স্বামী সন্তানের বন্ধন থাকে । যদি সন্তান নেই তবে তো বন্ধনমুক্ত হল কিনা। তারাতো যেন হলেন বানপ্রস্থী । তারপর মুক্তিধামের যাত্রায় সঙ্গ চাই। ভক্তিমার্গেও সঙ্গ পাওয়া যায় সাধুসন্ন্যাসীদের , নিবৃত্তি মার্গের যাত্রীদের। তারা নিবৃত্তি মার্গের হয় তাই প্রবৃত্তি মার্গের বর্সা প্রাপ্ত করাতে পারেনা । তোমরা বাচ্চারাই দিতে পারো। তোমাকে বাবা পথ দেখাচ্ছেন। ভারতের ৮৪ জন্মের হিস্ট্রী জিওগ্রাফী বসে বোঝাও। ভারতবাসীই ৮৪ জন্ম নেয় । একজনের কথা নয়। সূর্যবংশী তারাই চন্দ্রবংশী , আবার বৈশ্যবংশী ....... বংশধর হয়, নম্বর অনুসারে তো হয়। ভারতের প্রথম নম্বর প্রিন্স হল শ্রীকৃষ্ণ , যাঁকে দোলনায় ঝোলানো হয়। দ্বিতীয় নম্বরকে ঝোলানো হয়না কেননা কলা বা কোয়ালিটী কম হয়ে যায়। যে প্রথম নম্বরে পূজো তারই হয়। মানুষ বোঝেনা যে কৃষ্ণ একজন না দুই তিনজন । কৃষ্ণের বংশ চলে , এই কথা কেউ জানেনা । পূজো শুধু নম্বরওয়ানের হয়। মার্ক্স নম্বর অনুযায়ী প্রাপ্ত হয়। তো পুরুষার্থ করা উচিত যে আমরা যেন প্রথম নম্বরে আসি। মাম্মা বাবাকে ফলো করো, ওনাদের রাজধানী প্রাপ্ত করো। যে ভাল সার্ভিস করবে সে ভাল মহারাজার ঘরে জন্ম নেবে । সেখানে তো আছেই মহারাজা মহারানী । ঐ সময় কোনো রাজা রানীর টাইটেল থাকেনা । সেসব পরে শুরু হয়। দ্বাপর থেকে যখন পতিত রূপে পরিণত হয় তখন তাদের মধ্যে বেশী সম্পত্তিবানকে রাজা বলা হয়। তখন মহারাজার রাজত্ব কম হয়ে যায় , প্রায় লোপ হয়ে যায় বা শেষ হয়ে যায় । তারপর আবার ভক্তিমার্গে গরীব সাহুকারদের মধ্যে তফাত তো থাকেই কিনা। এখন তোমরা বাচ্চারা শিববাবাকে স্মরণ করছ আর ওঁনার থেকে বর্সা নিচ্ছো । অন্য সৎসঙ্গে মানুষ বসে কথা-কাহিনী শোনায় , মানুষ মানুষকে ভক্তি শেখায়। তারা জ্ঞান দিয়ে সদ্গতি করতে পারেনা। বেদ , শাস্ত্র ইত্যাদি হল ভক্তিমার্গের । সদ্গতি কেবলমাত্র জ্ঞানের দ্বারা হয়। পুনর্জন্মেও বিশ্বাস করে। মধ্যিখানে কেউ ফিরে যেতে পারে না । অন্ত সময়েই বাবা এসে সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। এতো সব আত্মারা কোথায় থাকবে? সব ধর্মের সেক্শান আলাদা আছে কিনা । তাহলে এইসব কথাও বোঝাতে হবে। এই কথা কারুর জানা নেই যে আত্মাদেরও বৃক্ষ থাকে। তোমাদের বুদ্ধিতে সম্পূর্ণ বৃক্ষের জ্ঞান রয়েছে । আত্মাদের বৃক্ষ আছে , জীব আত্মাদেরও বৃক্ষ আছে। বাচ্চারা জানে যে আমরা এই পুরনো শরীর ত্যাগ করে ঘরে ফিরছি। " আমি আত্মা " এই দেহ থেকে আলাদা - এই কথা বুঝে নেওয়া মানে জীবিত থেকেও মৃত হওয়া । তুমি মরলে মরে যায় দুনিয়া। মিত্র আত্মীয় স্বজনকে ত্যাগ করা । প্রথমে সম্পূর্ণ শিক্ষা নিয়ে , উঁচু পদের অধিকারী হয়ে ফিরে যেতে হবে। বাবাকে স্মরণ করা তো খুবই সহজ । ভালাই কেউ অসুস্থ হোক , তাকেও বলা উচিত শিববাবাকে স্মরণ করো তাহলে বিকর্মের বিনাশ হবে। যে পাকা যোগী হয় তাদের শীঘ্র দেহ ত্যাগ করা ভাল নয় কারণ তারা যোগের মাধ্যমে রূহানী সেবা করে । দেহ ত্যাগ করলে সেবা করা হবেনা । সেবা করলে নিজের উঁচু পদ বানাবে আর ভাই-বোনেদের সেবাও করা হবে। তারাও বাবার কাছে বর্সা অধিকার নিতে পারবে। আমরা পরস্পর হলাম ভাই-ভাই , এক পিতার সন্তান ।
বাবা বলেন আমাকে স্মরণ করো তাহলে বিকর্মের বিনাশ হবে। আগেও এইরকম বলে ছিলেন । কাউকেও বোঝাতে পারো বোন বা ভাই-জী , তোমার আত্মা তমোপ্রধান হয়েছে। যে সতোপ্রধান ছিল আবার তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান হয়ে সতোপ্রধান দুনিয়ায় যেতে হবে। আত্মাকে সতোপ্রধান হতে হবে স্মরণের যাত্রা দ্বারা । স্মরণের সম্পূর্ণ চার্ট রাখা উচিত । জ্ঞানের চার্ট রাখা যাবে না । বাবা জ্ঞান দিতেই থাকেন। নজর রাখতে হবে আমাদের উপরে যা বিকর্মের ভার আছে , সেই ভার নামবে কিভাবে , সেইজন্যই স্মরণের চার্ট রাখা হয়েছে | আমরা কত ঘন্টা স্মরণের যাত্রা করেছি? মুলবতন অর্থাৎ পরমধামকেও স্মরণ করা হয় আর নতুন দুনিয়াকেও স্মরণ করা হয়। উথালী পাথালী হওয়া উচিত । তারও তৈয়ারী চলছে। বোমা ইত্যাদি তৈরী হবেই । একদিকে বলা হয় এমন এমন বস্তুর নির্মাণ ঘটছে যা মৃত্যুর জন্যে প্রেরিত । আবার অন্যদিকে বলা হচ্ছে মৃত্যুর জন্যে তৈয়ারী বন্ধ হোক । সমূদ্রের তলায় মৃত্যুর সরঞ্জাম রাখা হয়েছে , উপরে বোমা বর্ষণ করে সমূদ্রের তলায় চলে যাবে । এমন এমন সরঞ্জাম নির্মিত হচ্ছে । এইসব নিজের বিনাশের জন্যই করা হচ্ছে । মৃত্যু সম্মুখে দাঁড়ানো রয়েছে । এত বড় বিশাল মহল তৈরী হচ্ছে । তুমি জানো যে সবকিছু মাটিতে মিশে যাবে। কাদের চাপা রয়েছে ধূলোয়.... লড়াই নিশ্চয়ই লাগবে। সবার পকেট খালি হবে। চোর ঢুকে যায় কত। লড়াই করতে কত খরচ করা হয়। এইসব মাটিতে মিশে যাবে। বাড়ি ঘর সব ভেঙে পড়বে। বোমা ইত্যাদি বর্ষণ হলে সৃষ্টির তিন ভাগ শেষ হয়ে যাবে। বাকি এক ভাগ রয়ে যাবে। ভারত এক ভাগে আছে কিনা । বাকি তো সব পরে এসেছে । এখন ভারতেরই ভাগ রয়ে যাবে। মৃত্যু তো সবার নিশ্চিত তাহলে বাবার কাছে পুরো বর্সা কেন নেবে না সেইজন্য বাবা বলেন লৌকিক আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গেও তোড় ( ভুলে যাওয়া ) মেন্টেন করতে হবে। বাকি বন্ধন নেই তবে বাবা পরামর্শ দেন সার্ভিস করো। যদি স্বতন্ত্র রয়েছ তবে অনেকের ভাল করতে পারবে। আচ্ছা কোথাও বাইরে যাবেনা তো নিজের আত্মীয় স্বজনদের উপরে দয়া করো। আগে বলেছ কিনা বাবা দয়া করো। এখনতো তুমি রাস্তা বা পথ পেয়েছ তো অন্যদের উপরেও দয়া করা উচিত , যেমন বাবা দয়া করেন। বাবা বলেন আমারে স্মরণ করো তো বিকর্মের বিনাশ হবে। সন্ন্যাসীরা তো হঠযোগ ইত্যাদির জন্যে কত পরিশ্রম করে। এখানেতো এইসব কিছুই নেই। শুধু স্মরণ করলে পাপ ভস্ম হয়ে যাবে, এতে কোনো কষ্টই নেই । শুধু স্মরণের যাত্রার কথা আছে । ওঠো বসো , কর্মেন্দ্রীয় দ্বারা কর্ম করো , শুধু বুদ্ধির যোগ বাবার সঙ্গে লাগাও। সত্যিকারের আশিক বা প্রেমিক হতে হবে সেই মাশুকের (প্রেমিকার)। নিজেই বলেন হে আশিক হে বাচ্চারা ! ভক্তিমার্গে তো অনেক স্মরণ করেছ। এখন আমি মাশুক আমারে স্মরণ করো তো তোমার পাপ ভস্ম হবে। আমি গ্যারান্টী করছি । কোনো কোনো কথা শাস্ত্রে আছে । ভগবান দ্বারা গীতা শুনলে তুমি জীবনমুক্তি প্রাপ্ত করবে। মানুষের দ্বারা গীতা শুনে তুমি জীবন বন্ধনে এসেছ, সিড়ি নীচে নেমেছ। প্রত্যেকটি কথায় বিচার সাগর মন্থন করতে হবে। নিজের বুদ্ধিকে চালাতে হবে। এই হল বুদ্ধির যাত্রা , যার ফলে বিকর্মের বিনাশ হবে। বেদ, শাস্ত্র, যজ্ঞ , তপ ইত্যাদি করলে পাপ বিনাশ হবেনা । নীচে নেমে আসবে। এখন তোমাকে উপরে যেতে হবে। শুধু সিড়ি দ্বারা কেউ বুঝবেনা , যতক্ষণ না কেউ বুঝিয়ে দেয়। যেমন ছোটদের ছবি দেখিয়ে বোঝাতে হয় - এই হল হাতি। যখন হাতি দেখবে তখন ছবিও মনে পড়বে। যেমন তোমার বুদ্ধিতে এসে যায়। ছবিতে সবকিছু ছোটো দেখানো হয়। তুমি জানো যে বৈকুন্ঠ তো বড় হবে কিনা । বড় রাজধানী হবে। সেখানে হীরে জহরাতের মহল থাকবে , সেসব আবার লোপ হয়ে যায়। সব কিছু গায়েব হয়ে যায়। নাহলে এই ভারত গরীব হল কিভাবে ? বিত্তবান (সাহুকার) থেকে গরীব , গরীব থেকে সাহুকার হতে হবে । এই ড্রামা হল পূর্ব রচিত সেইজন্য সিড়ি সম্পর্কে বোঝান হয় , নতুনরা আসে তাদের বোঝালে প্র্যাক্টিস হবে, মুখ খুলবে । বাচ্চাদের সার্ভিস যোগ্য করা হয়। অনেক সেন্টারে বাচ্চারা অশান্তি করে। বুদ্ধিযোগ বাইরে রইলে ক্ষতি হয়। বায়ুমন্ডল খারাপ হয়। নম্বর অনুযায়ী হয় কিনা। তারপর বাবা বলবেন তুমি পড়া করোনা তাই নিজের এই অবস্থা দেখ। প্রতিদিন সাক্ষাতকার হতেই থাকবে । পাপ করলে দণ্ড ভোগ করতেই হবে। তারপর বলবে - বেকার পাপ করেছি। বাবাকে শুনিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করলে কিছুটা কম হতে পারে। নাহলে বৃদ্ধি হতেই থাকবে । এমন হতেই থাকে। নিজেও বুঝতে পারে কিন্তু বলে দেয় কি করি আমাদের স্বভাব মিটছে না , তার চেয়ে ভাল বাড়িতে থাকো। কেউ তো আবার ভাল সার্ভিস করে। কেউ ডিস সার্ভিসও করে। আমাদের সেনাতে কে কে বাহাদুর রয়েছে , বাবা বসে নাম বলে দেন। বাকি লড়াই ইত্যাদির কোনো কথাই নেই । এইসব হল বেহদের কথা। ভাল বাচ্চা হলে বাবা নিশ্চয়ই মহিমা করবেন । বাচ্চাদের খুব দয়ালু , কল্যাণকারী হতে হবে । অন্ধের লাঠি হতে হবে । সবাইকে পথ বলতে হবে যে বাবাকে স্মরণ করো তো বিকর্মের বিনাশ হবে। পাপ আত্মা আর পুণ্য আত্মা বলা হয় কিনা। এমন থোরাই হয় যে অন্তরে রয়েছে পরমাত্মা বা আত্মা কোনো পরমাত্মায় পরিণত হয়। এই সব হল ভুল । পরমাত্মায় পাপ থোরাই লাগে। ওনার তো ড্রামাতে পার্ট রয়েছে সার্ভিস করার। মানুষই হয় পাপাত্মা , পুন্যাত্মা । যারা সতোপ্রধান ছিল তারাই তমোপ্রধান হয়েছে। ওনার দেহে বাবা বসে সতোপ্রধান স্বরূপে পরিণত করেন তাই ওনার মতানুযায়ী চলতে হবে কিনা।

এখন বাবা তোমাদের বিশালবুদ্ধি করেছেন । এখন তুমি জানো যে রাজধানী কিভাবে স্থাপন হচ্ছে। বাবা-ই ব্রহ্মা দেহে এসে মুখ বংশাবলী বাচ্চাদের রাজযোগ শিখিয়ে দেবী দেবতা রূপে পরিণত করেন । তারা-ই পুনরায় পুনর্জন্মে এসে সিড়ি দিয়ে নামে। এখন আবার সবকিছু রিপিট করতে হবে। বাবা পুনঃ ব্রহ্মা দ্বারা স্থাপনা করাচ্ছেন। যোগবলের দ্বারা তুমি ৫ বিকারের উপরে জীত প্রাপ্ত করে জগৎজিত হও। বাকি লড়াই ইত্যাদির কোনো কথাই নেই । আচ্ছা ।

মিষ্টি মিষ্টি অনেক দিনের হারিয়ে আবার ফিরে পাওয়া (সিকিলধে) বাচ্চাদেরকে মাতাপিতা বাপদাদা স্মরণ করছেন জানাচ্ছেন স্নেহ -সুমন আর সুপ্রভাত I আত্মাদের পিতা(রূহানী) আত্মা রূপী (রূহানী) বাচ্চাদের জানায় নমস্কার I

ধারণার জন্যে মুখ্য সার :-

১. বন্ধনমুক্ত হয়ে বাবার সার্ভিস করতে হবে, তবেই উঁচু ভাগ্যের নির্মাণ হবে। দয়ালু হয়ে অনেককে পথ দেখাতে হবে। অন্ধের লাঠি হতে হবে। 

২. এই শরীর থেকে মমত্ত ত্যাগ করে জীবিত অবস্থায় মরে যেতে হবে কেননা এখন ঘরে ফিরতে হবে। অসুস্থ অবস্থায়ও এক বাবার স্মরণে থাকলে বিকর্মের বিনাশ হবে।

বরদান :- 

অধিকারী স্থিতি দ্বারা বাবাকে নিজের সাথী বানায় এমন সর্বদা বিজয়ী ভব।

বাবাকে সাথী বানানোর সহজ পদ্ধতি হল - অধিকারী স্বরূপ স্থিতি। যখন অধিকারী স্বরূপ স্থিতিতে স্থির থাকো তখন ব্যর্থ সংকল্প বা অশুদ্ধ সংকল্পের অস্থিরতায় বা অনেক রসে বুদ্ধি চলায়মান হয়না। বুদ্ধির একাগ্রতা দ্বারা সম্মুখীন হওয়ার শক্তি , পরীক্ষণ এবং নির্ণয় করার শক্তি এসে যায় , যার ফলে মায়ার অনেক প্রকারের আক্রমণ থেকে বিজয়ী হওয়া যায়।

শ্লোগান :- 

রাজযোগী হল সে , যে সেকেন্ডে সার থেকে বিস্তারে আর বিস্তার থেকে সারে আসার অভ্যাসী হয়।

***OM SHANTI***

Google+ Followers