BK Murli 14 June 2016 Bengali

BK Murli 14 June 2016 Bengali

 ১৪-০৬-২০১৬ প্রাতঃমুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন

"মিষ্টি বাচ্চারা -- বাবার আশীর্বাদ প্রাপ্ত করার জন্যে সার্ভিসে বল সুপুত্র (সপুত) হয়ে সবাইকে সুখ দাও , কাউকেই দুঃখ দিয়ো না"

প্রশ্ন -- 

ধর্মরাজের শাস্তি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কোন্ ঈশ্বরীয় নিয়মের ওপর মনযোগ দিতে হবে ?

উত্তর -: 

কখনোও ঈশ্বরের সামনে প্রতিজ্ঞা করে সেইসবের আবার অবজ্ঞা করা ঊচিত নয় । কাউকেই দুঃখ দেওয়া উচিত নয় । ক্রোধ করা , বিরক্ত করা অর্থাৎ এমন চলন চলো না , যাতে ঈশ্বরের নাম বদনাম হয় । তাই এমন কর্ম কখনোই করবে না যাতে আনেক শাস্তি পেতে হয় । মায়ার যত ঝড়ই আসুক অসুখে উথাল পাতাল খাও , তারপরও ঠিক আর ভুলকে বুদ্ধি দ্বারা বিচার করে ভুল কর্ম থেকে নিজেকে সদা বাঁচিয়ে চলো ।

গান --: 

কে এসেছে আমার মনের দ্বারে ---

ওম শান্তি । 

কে বললো ওম শান্তি । বাবা আর দাদা । এইসব তো বাচ্চাদের নিশ্চয় অবশ্যই হয়েছে যে আমাদেরচ পারলৌকিক পিতা হলো পরমপিতা শিব আর ইনি (ব্রক্ষা) সব বাচ্চাদের অলৌকিক পিতা । এনাকেই প্রজাপিতা ব্রক্ষা বলা হয় । শুধু প্রজাপিতা ব্রক্ষা ছাড়া এতো বাচ্চার মধ্যে আর কারোরও হয় কি ? প্রথমে ছিল না , যখন বেহদের বাবা এনার মধ্যে প্রবেশ করলেন তখনই তিনি হয়ে গেলেন দাদা । দাদা নিজে বলেন যে তোমাদের পারলৌকিক পিতার প্রপার্টিই প্রাপ্ত হয় । পৌত্র সবসময় দাদুর ওয়ারিস হয় । তাদের বুদ্ধিযোগ দাদুর দিকে যায় কারণ দাদুর প্রপার্টির অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার থাকে । যেমন রাজাদের নিকটে যখন বাচ্চারা জন্ম গ্রহন করবে তখন এমনিই বলা হবে যে বড়োদের প্রপার্টি । বড়োদের প্রপার্টিথে তাদেরও অধিকার থাকে । তোমরা বাচ্চারা জানো যে আমরা বেহদের বাবা দ্বারা বড়ো থেকে বড়ো প্রপার্টি স্বর্গের বাদশাহী প্রাপ্ত করছি । বাবা আমাদের পড়াচ্ছেন । তুমি এখন বাবার সম্মুখে বসে আছো । সম্মুখের নেশাও নম্বরভিত্তিক পুরুষার্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে । কারোর হৃদয়ে অনেক স্নেহ থাকে অর্থাৎ স্নেহশীল হয় । আমরা উচ্চ থেকে উচ্চ ভগবানের নিকট থেকে এসে এই সাকারে মাতাপিতা দ্বারা ওয়ারিস পরিনত হই । বেহদের পিতা হন অনেক মীঠা , যিনি আমাদের রাজত্বের যোগ্য পরিনত করেন । মায়া আমাদের একদম অযোগ্য করে দিয়েছে । কাল বাবার কাছে কেউ দেখা করতে এসেছিল , কিন্তু সে কিছু বুঝেছে থোড়াই । বাবা বুঝিয়েছেন এরা সব ব্রক্ষকুমার হয় । তুমিও হলে ব্রহ্মার অথবা শিবের সন্তান, তাই না । বলা তো অবশ্যই হয়েছে , কিন্তু এটা শুনে শুধু বলে যে মনে (হৃদয়ে) লাগে নি । তীর লাগেনি যে আমরা সত্যিকারের ওঁনার (শিববাবার) সন্তান , ইনিও (ব্রক্ষবাবা) ওঁনার সন্তান , যিনি বর্সা প্রাপ্ত করেন । সেইরকমই আমাদের নিকটেও বহু সন্তান আছে , যাদের বুদ্ধিতেও খুবই অল্প কিছু থাকে । তাই সেই খুশী সেই চমক দেখা যায় না । অন্দরে অনেক খুশীর পারা (পারদ) থাকা দরকার । তখনই সেই চমক চেহারায়ও দেখা যায় । এখন তোমাদের সজনীদের জ্ঞান শৃঙ্গার হচ্ছে । তুমি জানো আমরা হলাম সাজনের সজনী । এক কৃষকের (খেরুত) কন্যার গল্প আছে , এক রাজা কৃষক কন্যাকে নিয়ে আসলো , কিন্তু রাজত্বে তার মজা না আসার কারণে তাকে আবার গ্রামে ছেড়ে আসা হলো । বলা হলো তুমি রাজত্বের যোগ্য নও । এখানেও বাবা শৃঙ্গার করছেন । ভবিষ্যতে তুমি মহারানী হও । কৃষ্ণের জন্যও বলা হয় যে পাটরানী করার জন্য ভাগিয়েছে , কিছুই বোঝে না । সব হলো ইরিলিজিয়স মাইন্ডেভ অর্থাৎ অধর্মীয় । তারা বোঝে যে দুনিয়া এইরকমই চলতে থাকে । সবই হলো ভাগ্য । অনেক আছে যারা মন্দির ইত্যাদিতেও যায় না অথবা শাস্ত্র ইত্যাদিকেও মানে না । গভর্মেন্টও ধর্মকে মানে না । ভারত কোন্ ধর্মের ছিল , এখন কোন্ ধর্মের , এইসব কিছুই জানে না । এখন তোমরা বাচ্চারা হলে দৈবীয় কুলের । যেমন তারা হলো ক্রিশ্চান কুলের , সেইরকম তুমি হলে ব্রাক্ষণ কুলের । প্রথম প্রথম বাবা বলেন যে তোমাদের বাচ্চাদের পতিত শুদ্র থেকে ব্রাহ্মণ তৈরী করা হয় । পবিত্র হতে হতে আবার তুমি একুশ জন্মের জন্য দৈবীয় সম্প্রদায়ের পরিনত হয়ে যাবে । দৈবী কুলে যাবে । আগে ছিলে আসুরী কুলে । আসুরী কুলের থেকে এবার তুমি ঈশ্বরীয় কোলে এসেছো । এক বাবার সন্তানরা ভাই বোন হয় । এইসব হলো এক আশ্চর্য্যের ব্যাপার , তাই না । সবাই বলবে আমরা হলাম ব্রাক্ষণ কুলের । আমাদের তো শ্রীমতে চলা দরকার , সকলকে সুখ দিতে হবে , আর পথও বলতে হবে । দুনিয়ায় কেউই নেই যে মুখ দ্বারা বলবে যে বেহদের বাবা দ্বারা বেহদের বর্সা কিভাবে প্রাপ্ত হয় । বেহদের বাবা তোমায় গ্রহন করেছেন । তুমিই ওঁনার সন্তান পরিনত হয়েছো । বুদ্ধি দ্বারা জানো যে কল্প পূর্বে যারা বাবা দ্বারা বর্সা প্রাপ্ত করেছে হবে , তারাই এসে আবার প্রাপ্ত করবে । অল্পও বুদ্ধিতে থাকলে কখনো না কখনো এসে এখানে পৌছোবে । আসবেই কিছূ না কিছূ প্রাপ্ত করতে । তোমাকেও নম্বর ভিত্তিক সবাই জানে । আজ পাবন হওয়ার জন্য আসবে , কাল আবার পতিত হয়ে যাবে । কেউ যদি খারাপ সঙ্গতে ভুলে যায় আর বাবার সন্তান হয়ে আবার বাবাকে ত্যাগ করে তাহলে সে পাপ আত্মা পরিনত হয় । যেমন কেউ কারোর খুন করলো তো পাপের মধ্যে আসে । কিন্তু সেই পাপও হয় অল্প । এখানে যে বাবার পরিনত হয়ে অবজ্ঞা করে , প্রতিজ্ঞা করে আবার বিকারী হয়ে পড়ে , তাহলে সে পাপের ভাগী হয় । অজ্ঞানকালে এতো লাগে না , যত জ্ঞানে লাগে । অজ্ঞানকালে তো মানুষদের ক্রোধ কমন হয় । এখানে তুমি কারোর ওপরে ক্রোধ করবে তো শতগুণ দন্ড হয়ে যাবে । অবস্থা একদম পড়ে যায় কারন ঈশ্বরের আদেশের অমান্য করে । ধর্মরাজের আদেশ হলো পবিত্র হতে হবে । তুমি যদি ঈশ্বরের হয়ে একটুও ওঁনার আদেশের অমান্য করো তাহলে শতগুণ দন্ড হয়ে যাবে । ক্রিয়েটর তো তিনি একজনই হন । ব্রক্ষা বিষ্ণু শঙ্কর হলেন ওঁনারই রচনা। ধর্মরাজও হলেন ওঁনার ক্রিয়েশন । ধর্মরাজের রূপও বাবা সাক্ষাৎকার করান । তারপর সেই সময়ে সিদ্ধ করে বলেন যে দেখো তুমি প্রতিজ্ঞা করেছিলে আমরা ক্রোধ করবো না , কাউকেও দুঃখ দেবো না , তারপরও তুমি তাদের দুঃখ দিয়েছো , বিরক্ত করেছো , এবার শাস্তি ভোগ করো । সাক্ষাৎকার বিনা শাস্তি দেন না , প্রমান তো দরকার হয় , তাই না । তারাও বোঝে যে বরাবর আমি বাবাকে ত্যাগ করে এই কুকর্ম করেছি । বদনামী করালে তো আবার অনেকের ওপরে বিপদ এসে যায় । কত অবলারা বন্ধনে এসে যায় । যারা বদনামী করে , তাদের ওপরে পুরো দন্ড এসে পড়ে । এইজন্য বাবা বলেন যে বড় থেকে বড় পাপ আত্মা যদি দেখতে হয় তাহলে এখানে দেখো , যে ধোপাদের নিকটে অনেক ময়লা নোংরা কাপড় যখন হয় , তখন একটু ঘর্ষণ করলেই ফেটে পড়ে , তো সেইরকম এখানেও একটু সহ্য না করেই চলে যায় । ঈশ্বরের কোলে এসে ডায়রেক্ট ওঁনার অবজ্ঞা করলে তো শাস্তি খেতেই হবে । যে হেড ব্রাক্ষণী পার্টিকে নিয়ে আসে , তার ওপরে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হয় । একজনও যদি হাত ছেড়ে দেয় , বিকারী তৈরী হয় , তো তাদের পাপ যে নিয়ে গিয়েছিল , তার ওপরে আসে । এমনি কাউকেই ইন্দ্রসভায় নিয়ে আসতে নেই । নীলম পরী , পোখরাজ পরীর গল্প আছে , জানো তো ! ইন্দ্রসভায় কেউ তাদের লুকিয়ে এনেছিল , তো ইন্দ্রসভায় গন্ধ আসছিল , তখন যে নিয়ে গেছিল , তাকে দন্ড দেওয়া হলো । এরকম কিছু গল্প আছে । তারা পাথর হয়ে গেছিল । বাবা পারসনাথ তৈরী করছেন , এরপর যদি অবজ্ঞা করেছে তো পাথরে পরিনত হয়ে যায় । রাজত্ব প্রাপ্ত করার সৌভাগ্যও হারায় । বোঝো , কোনো গরীবকে যদি রাজা দত্তক নেয় , আর যদি অযোগ্য পরিণত হয় আর রাজা বার করে দেয় তাহলে কি অবস্থা হবে আবার কাঙ্গালই হয়ে যাবে , তাই না । সেইরকম এইখানেও আছে । আবার অনেক দুঃখ অনুভব হবে এইজন্য বাবা বলেন যে কখনোও কোনো অবজ্ঞা কোরো না । বাবা হলেন সাধারন এই কারনে শিববাবাকে ভুলে বুদ্ধি সাকারে এসে যায় । এবার তোমরা বাচ্চারা শ্রীমত প্রাপ্ত করেছো । যারা নোংরা অথবা অপবিত্র পরিনত হচ্ছে , তারা আর ইন্দ্রসভায় বসতে পারবে না । প্রত্যেকের সেন্টার হলো ইন্দ্রপ্রস্থ , যেখানে জ্ঞানের বর্ষা হয় । নীলমপরী , পোখরাজপরীর নাম তো আছে , তাই না । নীলম রত্নকে বলা হয় । বাচ্চাদের ওপরে এইসব নাম রাখা হয় । কেউ তো অনেক ভালো রত্নের মতন হয় , কোনো দাগ থাকে না । কোনো কোনো জহরাতে অনেক দাগ হয় । কোনোটা আবার একদম পবিত্র হয় । এখানেও নম্বর অনুসারে রত্ন আছে । কোনো কোনো রত্ন আবার অনেক দামী হয় । খুব ভালো সার্ভিস করে । কেউ তো আবার সার্ভিসের পরিবর্তে ডিসসার্ভিসও করে । গোলাপ ফুল আর আকন্দ ফুলেও কত তফাত থাকে । দুটো ফুলই শিবের ওপরে চড়ানো হয় । এবার তুমি জেনে গেছো যে আমাদের মধ্যে কারা কারা ফুল হচ্ছে । তাদেরই চাহিদা বেশী হয় , আর বলে তারা বাবাকে যে ভালো ভালো ফুল দাও । এবার এই ভালো ভালো ফুল কোথা থেকে আনা হবে । রতনজ্যোত ফুল তো কমন হয় । এখানে তো ফুলের বাগান আছে , তাই না । তোমরা তো আবার জ্ঞান গঙ্গাও হও । বাবা হলেন সাগর । ব্রক্ষা হলেন ব্রক্ষপুত্র , বড় থেকে বড় নদী । কলকাতায় আছে বড় ব্রক্ষপুত্র নদী যেখানে সাগর আর নদীর অনেক বড় মেলা লাগে । সত্যিই বাবা হলেন জ্ঞানসাগর । তিনি হলেন চৈতন্য জ্ঞান সাগর আর তুমি হলে চৈতন্য জ্ঞান নদী । সেটা তো হয় জলের গঙ্গা । বাস্তবে নদীদের ওপরে নাম পড়েছে কিন্তু আসুরী সম্প্রদায় এইসবও ভুলে গেছে । হরিদ্বারে গঙ্গার কিনারায় চতুর্ভূজের চিত্র দেখানো হয়েছে । তাদেরও গঙ্গা বলা হয়েছে , কারণ মানুষরা বোঝে না যে এই চতুর্ভূজ কে ? বরাবর এই সময়ে তুমি স্বদর্শন চক্রধারী পরিনত হয়ে থাকো । তোমরা হলে সত্যিকারের জ্ঞান নদী । তারা হলো জলের , সেখানে গিয়ে স্নান করে , বোঝে না কিছুই , ব্যস দেবী হয় । মানুষরা তো কখনো চারভুজাধারী হয় না । তারা কোনো অর্থই বোঝে না । তোমরা বাচ্চারা জানো যে বাবা আমাদের কি থেকে কি পরিনত করেছেন । আমরা তো শত প্রতিশত অবুঝ ছিলাম । বাবার কোলে নিজেকে সমর্পিত করলে আমরা বিশ্বের মালিক পরিনত হই । যদিও এখানে কেঊ রাজা হয়েছে , কিন্তু স্বর্গের সুখ আর এখনকার সুখে রাতদিনের তফাত থাকে । তোমাদের মধ্যেও অনেকে এমন আছে যে তারা বাবাকে বোঝে না তো নিজেদেরও চেনে না । দেখা দরকার যে আমি কত সুগন্ধ ছড়াই ? ঊল্টো কথা তো কখনোও বলি না ? ক্রোধ তো করি না ? বাবা ঝট্ করে সবার চলন দ্বারা বুঝে নেন যে এই বাচ্চা কেমন হবে । সার্ভিসেবল বাচ্চারা বাবার অনেক আদরের হয় । সবাই তো একরকমের স্নেহী হয় না । এরকম বাচ্চাদের জন্য অন্দর থেকে অটোমেটিক্যালি আশীর্ব্বাদ বেরোয় । বাবার অবজ্ঞাকারী বাচ্চা হলে তো বাবা বলেন এরকম বাচ্চা থাকার থেকে মৃত ভালো । কত নাম বদনাম করে । একেই বলা হয় ভাগ্য । কার ভাগ্যে কি লেখা আছে ঝট্ করে বোঝা যায় । বাবা বোঝান যে এই হলো সুপুত্র আর এই হলো কুপুত্র । বাপদাদাকে চেনে না । ভাগ্যে বর্সা প্রাপ্ত করা না থাকলে কি করা যাবে ! এই জ্ঞান মার্গে অনেক কঠিন নিয়ম আছে । বাবা পবিত্র হবে আর বাচ্চারা না হলে তো সেই বাচ্চারা অধিকারী হতে পারবে না । তাদের বাচ্চা বোঝা হবে না । তখন আবার বলবে আমরা তো শিববাবাকে ওয়ারিস পরিনত করবো তখনই তো বাবা আমাদের একুশ জন্মের জন্য রিটার্ন করবেন । এর মানে এই নয় যে বাবার নিকটে শুধু বসে থাকা । না , গৃহস্থ ব্যবহারে থেকে তাদেরও সামলাতে হবে কিন্তু ট্রাস্টী (দেখভাল করা) হয়ে থাকতে হবে । এরকম নয় যে তোমাদের বাচ্চাদের ইত্যাদিদের বাবা বসে সামলাবেন । না । এরকম চিন্তাধারীরাই কনফিউশনে (ভটকতে) থাকে । এখানে বাবার নিকটে তো একদম পবিত্র দরকার । অপবিত্র কেউই বসতে পারে না । নয়তো পাথরবুদ্ধিধারীতে পরিণত হবে । বাবা কোনো অভিশাপ দেন না । এটা তো একটা নিয়ম হয় । তাই বাবা বলেন যে এরপর থেকে সাবধান থেকো । কর্মেন্দ্রীয় দ্বারা কোনো পাপ করবে তো মরবে ।লক্ষ্য হলো অনেক কঠিন । বাবার সন্তান হয়েছো তো অসুখ পুরো বেরিয়ে আসবে । ভয় পাওয়ার কিছুই নেই । বৈদ্যরাও বলে যে অমুক ঔষধ দ্বারা তোমার অসুখ বাইরে বেরোবে । তুমি ভয় পেও না । বাবাও নিজে বলেছেন যে তুমি বাবার হবে তো মায়া রাবন তোমায় অনেক হয়রান করবে । অনেক ঝড় নিয়ে আসবে । এখন তোমার ভুল আর ঠিকের বুদ্ধি প্রাপ্ত হয়েছে আর কেউই ভুল ঠিকের বুদ্ধি প্রাপ্ত করেনি কারন সবার হলো এখন বিনাশকালে বিপরীত বুদ্ধি । প্রীত বুদ্ধি তোমারও নম্বর ভিত্তিক পুরুষার্থ অনুসারে আছে । প্রীত বুদ্ধিধারীরাই বাবার সার্ভিস খুব ভালো ভাবে করবে । আচ্ছা !

মিষ্টি মিষ্টি সিকীলধে (হারানিধি) বাচ্চাদের প্রতি মাতাপিতা বাপদাদার স্মরণ স্নেহ আর সুপ্রভাত । রূহানী বাবা রূহানী বাচ্চাদের জানান নমস্কার ।

ধারণার জন্য মুখ্য সার --:

১. ঈশ্বরীয় সন্তানে পরিণত হয়ে একটুও ওঁনার আজ্ঞার অবজ্ঞা করবে না । এই কর্মেন্দ্রীয় দ্বারা কোনোও কুকর্ম করবে না । উল্টো কথাও বলবে না । সুপুত্র হয়ে বাবার আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত করবে ।

২. ট্রাস্টী হয়ে নিজের গৃহস্থ ব্যবহারকে সামলাতে হবে । জ্ঞান মার্গের যা নিয়ম আছে , তার ওপরে পুরো পুরো চলতে হবে । ঠিক আর ভুলকে বুঝে মায়ার বজ্রমুষ্ঠি থেকে সাবধানে থাকতে হবে ।

বরদান --: 

সত্সঙ্গ দ্বারা রূহানী রং লাগিয়ে সদা হর্ষিত আর ডবল লাইট (ভব) হও !

যে বাচ্চারা বাবাকে হৃদয়ের সাথী বানিয়ে সদা হৃদয়ে রাখে , তাদের সঙ্গের রূহানী রং সদাই লাগানো থাকে । বুদ্ধি দ্বারা সত্ বাবা , সত্ শিক্ষক আর সত্গুরুর সঙ্গ করা , এই হলো সতসঙ্গ । যারা এই সতসঙ্গে থাকে , তারা সদা হর্ষিত আর ডবল লাইটে থাকে । তাদের কোনোও প্রকারের বোঝ অনুভব হয় না , তারা সবসময় এমন অনুভব করে যেন ভরপুর আছে । খুশীর খনি আমার সাথে আছে , যাকিছূ বাবার আছে , সেসব আমার হয়ে গেছে ।

স্লোগন --: 

নিজস্ব মিষ্টি বোল , আর উৎসাহ-ঊল্লাসের সহযোগ দ্বারা দুর্বল আত্মাদের শক্তিমান তৈরী করো ।

***OM SHANTI***

Google+ Followers