BK Murli 27 June 2016 Bengali

BK Murli 27 June 2016 Bengali

 ২৭-০৬-১৬ প্রাতঃমুরলী ওম্ শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মীঠে বাচ্চে - বাবা এসেছেন সম্পূর্ণ দুনিয়া থেকে বিকারের তাপ মিটিয়ে সকলকে শীতল স্বরূপ করতে , জ্ঞান বর্ষা শীতল রূপ প্রদান করে"

প্রশ্ন :- 

কোন্ অগ্নির তাপ সমস্ত দুনিয়াকে পূড়িয়ে দিচ্ছে ?

উত্তর :- 

কাম বিকারের তাপ সম্পূর্ণ দুনিয়াকে পূড়িয়ে দিচ্ছে । সবাই কাম অগ্নিতে পূড়ে কালো হয়ে গেছে । বাবা জ্ঞানের বর্ষা বা বৃষ্টি দ্বারা শীতল স্বরূপ করে দিচ্ছেন । যেমন বৃষ্টি পড়লে ধরিত্রী শীতল হয় তেমনই জ্ঞান বৃষ্টি দ্বারা তুমিও ২১ জন্মের জন্যে শীতল হয়ে যাও। কোনো রকমের তাপ যেন অন্তরে থাকেনা । তত্ত্ব ইত্যাদিও সতোপ্রধান হয়ে যায় । কেউ সেই তাপ অনুভব না করে ।

ওমশান্তি । 

রূহানী বাচ্চারা কার স্মরণে বসে আছে? নিশ্চয়ই নিজের রূহানী বাবার স্মরণে বসে আছে। রূহ বা আত্মা নিজের পরমপিতা পরমাত্মার স্মরণে বসে আছে যে রূহানী বাবা এসে আমাদের রিফ্রেস করে শীতল করে দেবেন কারণ কাম চিতায় বসে ভারত পূড়ে মরেছে । গায়নও রয়েছে তাপ মেটাও । তাপ কিসের ? কাম চিতার। অনেক তাপ হলে মানুষ মরে যায়। এই কাম চিতার তাপে ভারত একেবারে পূড়ে মরেছে সেইজন্য বাবাকে স্মরণ করে এসে শীতল করো। বৃষ্টি পড়লে শীতল হয়ে যায়। ধরিত্রী শীতল হয়। এইতো হল জ্ঞানের বর্ষা বা জ্ঞান বৃষ্টি । একবারই এসে এমন শীতল করেন এত কিছু দিয়ে দেন যে সত্যযুগে কোনো কিছুর উৎকন্ঠা থাকেনা । অর্ধকল্প উৎকন্ঠায় থেকেছ বাবা এসে শীতল করো। পতিত-পাবন বাবা এসে আমাদের শীতল করেন। এই জ্ঞান বৃষ্টি দ্বারা ভারত অথবা সমস্ত দুনিয়া শীতল হয়ে যায়। তুমি স্বর্গের মালিক হও। মানুষ মরলে বলা হয় স্বর্গবাসী হয়েছে। তারা শুধু বলে মুখ মিষ্টি করে। তুমি জানো যে স্বর্গের স্থাপনা এখন হচ্ছে । বাবা এসেছেন , এই জ্ঞানের বর্ষা করছেন। শীতলতার প্রভাব ২১ জন্ম থাকে। সেখানে না বৃষ্টির , না অন্য কোনো কিছুর ইচ্ছা থাকে। সর্বদা বসন্ত থাকে । সেখানে কোনো প্রকারের দুঃখ থাকেনা । সূর্য সতোপ্রধান হয়ে যায়। কখনও তাপ দেখায়না। তুমি সম্পূর্ণ বিশ্বের মালিক হও। এখন তো তুমি গোলাম কিনা । গায়নও আছে আমি গোলাম তোমার ... বাবাকে স্মরণ করে । এখন বাবা বলেন তোমার সেবায় আমি এসে তোমার গোলাম হয়েছি। তোমাদের সেবা করি। অপরের , পতিত দেশে , পতিত শরীরে আমি আসি। এই পতিত দুনিয়ায় কেউ পবিত্র নয়। সত্যযুগকে পবিত্র , কলিযুগকে পতিত বলা হয় কারণ সকলেই হল বিকারগ্রস্ত । ভারতবাসীই এই জ্ঞান বুঝবে। যারা ৮৪ জন্ম নিয়েছে তারা-ই এই নলেজ শুনবে বা যারা সত্যযুগ ত্রেতায় আসবে তারা-ই এসে ব্রাহ্মণ হবে, নম্বর অনুযায়ী পুরুষার্থ অনুসারে । বাবা বোঝাচ্ছেন এখন তুমি ব্রাহ্মণ বর্ণে রয়েছ তুমি - ই দেবতা বর্ণে আসবে। ব্রাহ্মণ বর্ণ বা ব্রাহ্মণ ধর্মের স্থাপনা করতে বাবা আসেন। ব্রহ্মা , ব্রাহ্মণ ধর্মের স্থাপনা করেন । এমন বলা হবেনা পরমপিতা পরমাত্মা স্বয়ং এসে শুদ্রদের ব্রাহ্মণ রূপে পরিণত করেন। এই তোমাদের বাজোলী চলছে । এইতো খুবই সহজ। তুমি জানো যে এই চক্র কিভাবে ঘুরছে ? বিরাট রূপে ব্রাহ্মণ শিখা আর শিববাবাকে দেখাতে ভুলে গেছে । বলে দেবতা , ক্ষত্রিয় , বৈশ্য , শুদ্র .... আবার শুদ্র থেকে দেবতা । তাহলে ব্রাহ্মণ কোথায় গেল ? ব্রাহ্মণরা গায়ন করে ব্রাহ্মণ দেবতায় নম: । তাহলে প্রজাপিতা ব্রহ্মার বংশাবলী কোথায় গেল? প্রজাপিতা ব্রহ্মার নাম কত প্রসিদ্ধ । চিত্রেও ভুল করে দিয়েছে । প্রজাপিতা ব্রহ্মার সন্তানের কোনো নাম গন্ধ নেই । স্কুলে টিচার পড়ান। সেইসব হল সোর্স অফ ইনকাম । এইম অব্জেক্ট তো নিশ্চয়ই চাই। তোমরা বাচ্চারা জানো ঐ পড়াশোনার দ্বারা পদ প্রাপ্ত হয়। পতিত দুনিয়ায় ভগবান এসে পতিতদের পড়ান। বাবা বলেন আমি তোমাদের পড়িয়ে পবিত্র করি। এই পড়াশোনা দ্বারা ইন্কাম দেখো কত বৃহৎ । অর্ধকল্পের ভাগ্য তুমি নির্মাণ করো। ভারতে গায়ন রয়েছে ২১ প্রজন্ম , এখন তুমি বেহদের বাবার কাছ থেকে ২১ প্রজন্মের বেহদের বর্সা প্রাপ্ত করো। লৌকিক পিতার হল অল্পকালের ক্ষণস্থায়ী বর্সা । এই বাবার কাছে তুমি এমন বর্সা প্রাপ্ত করো যে জন্ম জন্ম তোমার কোনো দুঃখ থাকবেনা । ভারতেই বেহদের সুখ ছিল । এই জ্ঞান আর কারুর বুদ্ধিতে নেই । এইসব জ্ঞানদাতা পিতা জানেন আর যাদের দিয়ে থাকেন তারা জানে, আর অন্য কেউ জানেনা । গ্রন্হাদিতে তাঁর মহিমা বর্ণিত রয়েছে । এক ওংকার , নিরাকার , নিরহংকার। এর অর্থও এখন তুমি বুঝেছো । তারা শুধুমাত্র গান গায় নিরহংকারী । এত বিশাল অথোরিটি হওয়া সত্বেও ওনার কোনো অহংকার নেই । এখানে একটু পোজিশনেরও কত নেশা থাকে । সেই হল অল্পকালের পোজিশনের নেশা যে আমি অমুক ... এখন তোমার এই রূহানী পড়াশোনার নেশা রয়েছে । তোমার আত্মা এখন জানে যে আত্ম অভিমানী হতে হবে তবেই বাবাকে স্মরণ করতে পারবে। বাবার সঙ্গে যোগ ছিন্ন হলে মায়ার গোলা লেগে যায়, মন খারাপ হয়ে যায়। স্মরণ করলে খুশীর পারদ উচ্চে থাকে । কেউ বড় পরীক্ষা পাশ করলে যেমন খুশীতে থাকে । ভাবে ব্যস এর উপরে আর কোনো পড়াশোনা নেই । তুমিও জানো যে আমাদের এই পড়াশোনার থেকে উঁচু দরের পড়াশোনা আর অন্য কিছু নেই । এই লক্ষ্মী-নারায়ণ নিশ্চয়ই অতীতে এমন পড়াশোনা করেছিলেন । রাজযোগ শিখেছিলেন তবে মহারাজা মহারানী হয়েছিলেন । রাজযোগ তো প্রসিদ্ধ । পরমপিতা পরমাত্মা স্বয়ং এসে রাজযোগ শেখাচ্ছেন স্বর্গের জন্যে । বলাও হয় পূর্বের পুণ্য কর্মের ফল এই স্বরূপ ধারণ করা। তুমি জানো যে এই জন্মে আমরা এমন কর্ম শিখছি যা ভবিষ্যতে ২১ জন্মের রাজত্বের জন্যে বা স্বর্গে বিরাজ করার জন্যে । যথা রাজা রানী তথা প্রজাও তো হবে কিনা । রাজধানী কিনা । বাবা এসেছেন রাজধানী স্থাপন করতে । তুমি সেখানে ২১ জন্মের জন্যে পালনা করবে। ৬৩ জন্ম তো দুঃখ ভোগ হয়েছে । সেইসব এখন শেষ হয়ে যাবে। ভারতকে স্বর্গ বলা হয়, এখনতো হল নরক । সৃষ্টি কত বদলে গেছে । সেই রাজ্যপাট কোথায় চলে গেছে? রাবণরাজ্যের আরম্ভ হতেই তুমি পতিত রূপে পরিণত হয়েছ। বাবা বলেন তুমি নিজের ৮৪ -র চক্রকে জাননা । এখন তোমাদের বারবার বোঝান হচ্ছে । তুমি ৮৪ জন্মের চক্র পূর্ণ করেছ। এখন তোমাদের হল অন্তিম জন্ম। পুনরায় নিজের বর্সা নিতে হবে। তোমরা মুক্তিধামে বসতে পারবেনা । তোমাদের অলরাউন্ড পার্ট রয়েছে । এমন অনেকে রয়েছে যারা সত্যযুগ থেকে দ্বাপর কলিযুগ অব্দি মুক্তিধামে থাকে । এমন বলা চলবেনা এখানে আসার চেয়ে মুক্তিধামে থাকা ভাল। সেতো মশাদের সমান হয়ে গেল । এল আর গেল। মানুষের মহিমা গায়ন আছে । এইসব মন্দির হল কাদের ? যারা আদি থেকে পার্ট প্লে করেছে তাঁদেরই স্মারিকা স্বরূপ নির্মিত রয়েছে । যারা শেষের দিকে আসে তাদের কোনো স্মারিকা তৈরী হয়েছে কি? কিছুই না। তোমাদের হল কত বৃহৎ স্মারিকা । সবচেয়ে বেশী পার্ট তুমি প্লে করো। তুমি নিজের প্রালব্ধের সময় পূর্ণ করে যখন ভক্তি মার্গে প্রবেশ করো তখন তোমার স্মারিকা এবং শিববাবার মন্দির তৈরী হওয়া আরম্ভ হয়, তারপর অন্য ধর্ম আসে। তাদের ধর্ম স্থাপন হয়। তুমি নিজের হিস্ট্রী - জ্যোগ্রাফি জানো আবার সব ধর্মের বিষয়েও জানো। এই হল ৮৪ জন্মের সিঁড়ি । প্রথমে আমরা স্বর্গে আসি তারপর নীচের দিকে কিভাবে নামতে থাকি এইসব কথা এখন তোমাদের বুদ্ধিতে রয়েছে । প্রত্যেক জন্মে ভিন্ন ভিন্ন নাম রূপ যুক্ত মিত্র আত্মীয় স্বজনের সঙ্গ প্রাপ্ত করেছ। এইসব ড্রামায় তোমার পার্ট পূর্বেই রচিত রয়েছে । এই হল বেহদের ড্রামা । যা সবকিছু হুবহু রিপিট হয়। তুমি জানো যে আমরাই সেই দেবী-দেবতা ছিলাম ৮৪ জন্ম নিয়ে শুদ্র রূপে পরিণত হয়েছি। পুনরায় আমরাই দেবী-দেবতা স্বরূপে পরিণত হই। মানুষতো বলে আত্মা হল সেই পরমাত্মা। বাস্তবে আমরাই হলাম সেই - এই হল সেই কথার অর্থ । তারা বলে আত্মা সেই পরমাত্মা, পরমাত্মাই হল সেই আত্মা । রাত-দিনের তফাত রয়েছে কিনা । এইসব কথা তুমি এখন জানো। তুমি এখন পান্ডব হয়েছ। কৌরব পান্ডব ভাই-ভাই ছিল কিনা। এখন বাবাকে পেয়ে তুমি কৌরব থেকে পান্ডব হয়েছ। বাবা তোমাকে দুঃখ থেকে লিবরেট করে গাইড রূপে নিয়ে যেতে এসেছেন । নিবাস স্থানের ঠিকানা তো কারুর জানা নেই । তারা বলে আত্মা ব্রহ্মতে লীন হয়ে যাবে। তাহলে ঘর বা নিবাস স্থান হল কি? ঘরে তো থাকতে হয়। যাকে ইনকরপোরিয়াল ওয়ার্ল্ড বলা হয়। এখন তোমরা বাচ্চারা জানো - আমরা নিরাকারী আত্মা নিরাকারী ওয়ার্ল্ডে বিন্দু স্বরূপ নিবাস করি। সেখানেও নিরাকারী বৃক্ষ রয়েছে । এইরূপ ড্রামা রচিত । বীজ এবং বৃক্ষকে জানতে হবে। যার নামই হল বিবিধ ধর্ম বৃক্ষ , এই হল মনুষ্য সৃষ্টি । বীজরূপ হলেন বাবা , কতখানি বিবিধতা বা ভ্যারাইটি রয়েছে । প্রত্যেক ধর্মের ফিচার্স আলাদা নেয়ারা আর এইখানে একটি চেহারা মেলেনা অন্যের সঙ্গে । এইসব ড্রামাতে রচিত । কল্প বৃক্ষের আয়ু হল ৫ হাজার বর্ষ - এই কথাও বাবা-ই বুঝিয়ে দেন। মানুষেরা সকলেই হল অ্যাক্টর্স , এখানে নিজের পার্ট প্লে করতে আসে । এই হল মঞ্চ স্থল , আলোর জন্যে সূর্য চন্দ্র ইত্যাদি রয়েছে । এইসব কোনো দেবতা নয়, এইসব হল ঝাড়বাতি । কিন্তু নিরন্তর সার্ভিসেবল তাই দেবতা বলা হয়। বাস্তবে দেবতারা কোনো সার্ভিস করেনা , সার্ভিস তো তোমরা বাচ্চারা করো। বাবা হলেন ওবিডিয়েন্ট সার্ভেন্ট আজ্ঞাকারী সেবক। বাচ্চাদের দুঃখ হলে বাবারও করুণা হয়। বাবা এসেছেন বুঝিয়ে দিতে। তোমাদের পুনরায় দেবী দেবতা পদ প্রাপ্ত করাতে আসি। আরোহী কলা , অবরোহী কলা ( নবীন অবস্থা পুরাতন অবস্থা ) প্রতিটি বস্তুর হয়। পুরনো দুনিয়াকে তমোপ্রধান , নতুন দুনিয়াকে সতোপ্রধান বলা হয়। প্রতিটি বস্তু নতুন থেকে পুরনো হয়। আত্মা বলে - এই শরীরও হল তমোপ্রধান পতিত । এই আত্মা ও শরীর সত্যযুগে সতোপ্রধান ছিল । বেশী মাথা ঘামানো হত না। আত্মার এখন এইসব জ্ঞান হয়েছে । স্মৃতি এসেছে , আমরা ৮৪ জন্ম নিয়েছি। এই রহস্য বেহদের বাবা বোঝাচ্ছেন । দুঃখে বাবাকেই আহ্বান করতে থাকে। দয়া করো হে দুঃখ হর্তা সুখ কর্তা ... ভারতই সবচেয়ে বেশী সুখী ছিল কিনা। ভারত সম পবিত্র খন্ড অন্য হতে পারেনা। এখন বাবা তোমাদের ঝুলি অবিনাশী জ্ঞান রত্নে ভরে দিচ্ছেন । কখনও এমন পিতা কি দেখেছ? বলেন বাচ্চারা আমি তোমাদের জন্যে বৈকুন্ঠ উপহার এনেছি । তোমরা স্বর্গবাসী ছিলে , এখন পতিত নরকবাসী হয়েছ। পবিত্র তাঁদের বলা হয় যারা বিকারে যায়না । সত্যযুগে হয় সম্পূর্ণ নির্বিকারী । এই সময় হল সম্পূর্ণ বিকারী । বাবা বলেন তুমিও সম্পূর্ণ নির্বিকারী ছিলে। এখন সম্পূর্ণ বিকারী হয়েছ , এবারে পুনরায় সম্পূর্ণ নির্বিকারী দেবতা পদ পেতে হবে - বাবাকে স্মরণ করে। অক্ষর দেখো কত সুন্দর - মনমনাভব । আমি পিতা আমারে স্মরণ করো তো তোমরা তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান স্বরূপে পরিণত হবে। আমি হলাম সর্বশক্তিমান কিনা । আমারে স্মরণ করো। স্মরণকেই যোগ অগ্নি বলা হয়, যার দ্বারা তোমাদের পাপ দগ্ধ হবে । তোমরা পবিত্র হয়ে যাবে। আচ্ছা ।

মিষ্টি মিষ্টি সিকীলাধে বাচ্চাদের প্রতি মাতাপিতা বাপদাদার স্মরণ ভালোবাসা আর গুডমর্ণিং । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সার:-

১. রূহানী পড়াশোনার নেশায় থাকতে হবে। বাবা সম নিরহংকারী হতে হবে। পোজিশনের অহংকার রাখবেনা ।

২. নিজের ঝুলি জ্ঞান রত্নে ভরপুর করতে হবে। সম্পূর্ণ নির্বিকারী হয়ে দেবতা পদ প্রাপ্ত করতে হবে। কখনও উদাস হবে না।

বরদান :- 

সাইলেন্সের শক্তি দ্বারা নিজের রেজিস্টার পরিষ্কার রাখতে পারে এমন লোকপ্রিয় , প্রভুপ্রিয় ভব। 

ব্যাখ্যা :- 

যেমন সাইন্স এমন আবিষ্কার বা ইনভেন্সান করেছে যার দ্বারা লিখিত সবকিছু মেটানো যায় , কেউ বুঝতে পারেনা। তেমনই তুমি সাইলেন্সের শক্তি দ্বারা নিজের রেজিস্টার নিয়মিত পরিষ্কার করো তাহলেই প্রভুপ্রিয় বা দৈবী লোক প্রিয় হয়ে যাবে। সত্যতা ও স্বচ্ছতা সবাই পছন্দ করে সেইজন্য এক এক দিনের ব্যর্থ সঙ্কল্প ব্যর্থ কর্ম যা করা হয় তা যেন আগামী দিনে অবশিষ্ট স্বরূপ না থেকে যায় , পাস্টকে পাস্ট করে ফুলস্টপ লাগিয়ে দাও তাহলেই রেজিস্টার পরিষ্কার থাকবে আর সাহেব রাজি হবেন।

শ্লোগান :- 

ব্যর্থ সঙ্কল্প করা বা অন্যদের ব্যর্থ সঙ্কল্প চলার নিমিত্ত হওয়াও হল এক প্রকারের অপবিত্রতা ।

***OM SHANTI***

Google+ Followers