BK Murli 30 June 2016 Bengali

BK Murli 30 June 2016 Bengali

 ৩০-০৬-২০১৬ প্রাতঃমুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন

"মিষ্টি বাচ্চারা -- সূর্যবংশী রাজ্য পদ প্রাপ্ত করার জন্য নিজস্ব সবকিছু বাবাকে অর্পন করো , সূর্যবংশী রাজ্য পদ অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশন টিকিট "

প্রশ্ন -- 

এই দুনিয়ায় তোমাদের বাচ্চাদের থেকে অধিক ভাগ্যবান কেউই নয় এবং কেন ?

উত্তর --: 

তোমাদের বাচ্চাদের সম্মুখে বেহদের বাবা শিববাবা আছেন । ওঁনার দ্বারা তোমাদের বেহদের বর্সা (অধিকার) প্রাপ্ত হচ্ছে । তুমি এই সময়ে বেহদের বাবা , শিক্ষক আর সদগুরুর হয়ে গিয়ে ওঁনার দ্বারা বেহদের বর্সা প্রাপ্ত করছো । বিশ্ববাসীরা ওঁনাকে জানেই না তো তোমার মতন ভাগ্যবান কি করে হবে ।

গীত --: 

বড়ই ভাগ্যবান......

ওম শান্তি । 

ব্রাহ্মণ কুলভূষন বাচ্চারা জানে যে আমরা এখন ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের তারপরে দৈবী সম্প্রদায়ের পরিনত হবো । বাচ্চাদের বাবা বসে বোঝাচ্ছেন , যখন বেহদের বাবা সম্মূখে আছেন আর ওনার দ্বারা বেহদের অধিকার প্রাপ্ত হচ্ছে । বাকী আর কি প্রাপ্ত করার থাকে ! ভক্তি মার্গ কবে থেকে চলছে , এইসব কারোর জানা নেই । ভক্তিমার্গধারী ভক্তরা ঈশ্বরকে অথবা ব্রাইডস-ব্রাইডগ্রুম (বর-কনেকে) স্মরণ করে । কিন্তু আশ্চর্য্যের ব্যাপার এই যে , ওঁনাকে কেউই চেনে না । এমন কোথাও দেখেছো কি যে সজনী সাজনকে চেনে না । নইলে স্মরণ কিভাবে করবে । ভগবান তো হলেন সকলের বাবা । বাচ্চারা বাবাকে স্মরণ করে , কিন্তু বিনা পরিচয়ে স্মরণ করা সব ব্যর্থ হয়ে যায় , এই কারণে স্মরণ করেও কোনো লাভ হয় না । স্মরণ করেও কেউই মূল লক্ষ্যকে(এ‌ইম অবজেক্টকে) প্রাপ্ত করতে পারে না । ভগবান কে, ওঁনার দ্বারা কি প্রাপ্ত হবে , কিছুই জানে না । এতো সব ধর্ম ক্রাইস্ট , বৌদ্ধ ইত্যাদি ধর্ম স্থাপনকারীদের তাদের অনুসরণকারীরা স্মরণ করে কিন্তু তাদের স্মরণ করে আমাদের কি প্রাপ্তি হয় , কিছুই জানে না । এইসব দ্বারা তো শারীরিক পড়াশোনা ভালো হয় । মূল লক্ষ্য (এইম অবজেক্ট) তো বুদ্ধিতে থাকে , তাই না! বাবার দ্বারা কি প্রাপ্ত হয় ? শিক্ষক দ্বারা আর গুরুর দ্বারা কি প্রাপ্ত হবে ? এইসব আর কেউই বুঝবে না । তুমি এখানে বাবার , আবার শিক্ষকের , আবার সদগুরুর হও । বাবা আর শিক্ষকের থেকে গুরু উচ্চ হয় । এবার তোমাদের বাচ্চাদের নিশ্চয় হয়েছে যে আমরা বাবার হয়েছি , বাবা আমাদের পাঁচ হাজার পূর্বের মতন এসে স্বর্গের মালিক বানান অথবা শান্তিধামের মালিক করেন । বাবা বলেন আদরের বাচ্চারা তোমরা আমার থেকে নিজের অধিকার প্রাপ্ত করবে তো ! সকলে বলে হ্যাঁ , বাবা কেন প্রাপ্ত করবো না । আচ্ছা ! চন্দ্রবংশী রামের পদ প্রাপ্ত করতে রাজী হবে ? তোমার কি দরকার ? বাবা উপহার এনেছেন । তুমি সূর্যবংশী লক্ষ্মীকে বরণ করবে না চন্দ্রবংশী সীতাকে ? তুমি নিজের চেহারা তো দেখো । শ্রী নারায়নকে অথবা শ্রী লক্ষ্মীকে বরন করার যোগ্য হয়েছো ? বিনা যোগ্য পরিনত হয়ে বরন কিভাবে করবে ? এবার বাবা বসে বোঝাচ্ছেন আমাদের , হুবহু কল্প পূর্বে যেমন বুঝিয়েছিলেন । আবার বাবা বোঝাচ্ছেন , আবার তুমি এসে অধিকার প্রাপ্ত করছো । তোমার মূল লক্ষ্যই হল বেহদের বাবার দ্বারা বেহদের অধিকার প্রাপ্ত করা । প্রথম গ্রেড হল সূর্যবংশী রাজ্য পদ আর দ্বিতীয় গ্রেড হলো চন্দ্রবংশী । যেমন এয়ারকন্ডিশন ফার্স্টক্লাস , সেকেন্ড ক্লাস হয় , তাই না । তাই সত্যযুগের পুরো রাজধানীকে এয়ারকন্ডিশন মনে করো। এয়ারকন্ডিশন থেকে উচ্চ তো আর কিছুই হয় না । তারপর হয় ফার্স্টক্লাস । তাই এবার বাবা বলছেন যে , তুমি এয়ারকন্ডিশনের সূর্যবংশী পদ প্রাপ্ত করবে না চন্দ্রবংশীর ফার্স্টক্লাস ? তার থেকে কম তো আবার সেকেন্ড ক্লাসে ক্রমানুসারে ওয়ারিস তৈরী হবে তখন তুমি পেছনে পেছনে এসে রাজত্ব প্রাপ্ত করবে । নয় তো আবার থার্ড ক্লাস প্রজাদের , তার মধ্যেও টিকিট রিজার্ভ থাকে । ফার্স্টক্লাস রিজার্ভ , সেকেন্ডক্লাস রিজার্ভ , ক্রমানুসারে দরজা থাকে , তাই না । বাকী সুখ তো সেখানে আছেই । আলাদা আলাদা কম্পার্টমেন্ট (বগী) তো হয় , তাই না । বিত্তশালীরা (সাহুকার)তো এয়ারকন্ডিশন টিকিট নেয় । তোমাদের মধ্যে বিত্তশালীতে (সাহুকার) কে পরিনত হবে ? যারা সবকিছু বাবাকে দিয়ে দেয় । বাবা এই সবকিছু আপনার । ভারতেই মহিমা গাওয়া আছে যে , সওদাগর , রত্নাগর , জাদুকর এই মহিমা হলো সব বাবার নাকি কৃষ্ণের! কৃষ্ণ তো অধিকার প্রাপ্ত করে , সত্যযুগে প্রালব্ধ প্রাপ্ত করে , কারণ সেও বাবার হয়েছে । প্রালব্ধ কোথার থেকে তো প্রাপ্ত হয়েছে হবে , তাই না । লক্ষ্মীনারায়ণ সত্যযুগে প্রালব্ধ ভোগ করে । এবার তোমরা বাচ্চারা ভালোভাবে জানো যে অবশ্যই তারা অতীতে প্রালব্ধ তৈরী করেছে । নেহেরুর প্রালব্ধ কত ভালো ছিল । ভালো কর্ম করেছিল , আর বিনা মুকুটের ভারতের বাদশাহ ছিল । ভারতের মহিমা তো অনেক আছে । ভারতের মতন উচ্চ দেশ আর কোথাও নেই । ভারত হলো পরমপিতা পরমাত্মার জন্মস্থান । এই রহস্য কারোরও বুদ্ধিতে স্থায়ী হয় না । পরমাত্মাই সকলকে অর্দ্ধকল্পের জন্য সুখশান্তি দিয়ে থাকেন । ভারতই হয় নম্বরওয়ান তীর্থস্থল । কিন্তু ড্রামা অনুসারে এক বাবাকে ভুলে যাওয়ার দরুন সৃষ্টির অবস্থা দেখো কি হয়ে গেছে , এই কারনেই শিববাবা আবার এসেছেন অর্থাৎ শিববাবার অবতরণ হয়েছে । নিমিত্ত তো কাউকে হতে হবে , তাই না । এবার বাবা বলেন যে অশরীরী ভব , নিজেকে আত্মা চিন্তা করো । আমি আত্মা কাঁর সন্তান , এইসব কেউই জানে না । আশ্চর্যের ব্যাপার , তাই না । এদিকে বলেও তারা ও গড ফাদার , দয়া করো । শিবজয়ন্তীও পালন করে কিন্তু তিনি কবে এসেছেন , এইসব কারোরও জানা নেই আর এইসব হলো পাঁচ হাজার বছরের কথা । বাবা-ই এসে নতূন দুনিয়া সত্যযুগ স্থাপন করেন । সত্যযুগের আয়ু লক্ষ বর্ষ তো হয় না । সেইকারণে ঘোর অন্ধকার হলো তো ! গীতার উপদেশ কতজন এসে শোনে । কিন্তু যে পড়ান আর যারা পাঠ করে , তারা কিছুই বোঝে না । বাবা কত সহজ করে বোঝাচ্ছেন । শুধু বাবাকে স্মরণ করো । গৃহস্থ ব্যবহারে থেকে পদ্মফুলের মতন পরিণত হও । বিষ্ণুকেই সব রকমের অলঙ্কার দেওয়া হয়েছে , শঙ্খও দেওয়া হয়েছে আর ফুলও দেওয়া হয়েছে । বাস্তবে দেবতাদের থোড়াই দেওয়া হয় । এইসব অনেক গুহ্য গম্ভীর কথা । সবই হয় ব্রাহ্মণদের অলঙ্কার , কিন্তু ব্রাহ্মণদের কি করে দেওয়া হবে , আজ তারা ব্রাহ্মণ হয় , কালই আবার শূদ্র তৈরী হয় । ব্রহ্মাকুমার‌ই শূদ্রকুমারে পরিনত হয় । মায়া দেরী করে না । যদি কোনো গাফিলতি করেছো , বাবার শ্রীমতে না চলেছো , বুদ্ধি খারাপ হয়েছে , তখন মায়া ভালোভাবে চড় মেরে মুখ ঘুরিয়ে দেয় । রাগের মাথায় মানুষরা বলে না , যে থাপ্পড় মেরে মুখ ঘুরিয়ে দেব , তো মায়া সেকেন্ডে জীবনমুক্তি শেষ করে দেয় । কত ভালো ভালো বাচ্চাদের মায়া গ্রাস করে । দেখতে থাকে কোথায় গাফিলতিতে থাকলে ঝট্ করে থাপ্পড় লাগিয়ে দেয় । বাবা তো এসে পুরোনো দুনিয়ায় মুখ ঘুরিয়ে থাকেন । লৌকিক বাবা অনেকেই গরীব হয় , পুরোনো ঝোপড়ীতে থাকে , আবার নতুন তৈরী করে তো বাচ্চাদের বুদ্ধিতে থাকে যে ব্যস এবার নতুন বাড়ী তৈরী হবে , আবার আমরা গিয়ে বসবাস করবো । এই পুরোনোটা ভেঙ্গে দেব । এবার বাবা তোমাদের জন্য হাতের ওপরে স্বর্গ (বহিশ্ত) বা বৈকুন্ঠ এনেছেন । বলছেন আদরের বাচ্চারা , আত্মাদের সাথে কথা বলছেন । এই নেত্র দ্বারা তোমাদের বাচ্চাদের দেখছি । বাবা বোঝাচ্ছেন আমিও ড্রামার অধীন । এমন নয় যে ড্রামা ব্যতীত কিছু করতে পারি । না , বাচ্চারা অসুস্থ হয় তো এমন নয় যে আমি (শিববাবা) ঠিক করে দেব , অপরেশনের হাত থেকে মুক্ত করে দেব । না , কর্মভোগ তো সকলকেই ভোগ করতে হবে । তোমার ওপরে তো অনেক চাপ বা দায়িত্ব (বোঝ) আছে , কারণ তুমি হলে সবচেয়ে পুরোনো । সতোপ্রধান থেকে একদম তমোপ্রধান পরিনত হয়েছো । এবার তোমরা বাবাকে প্রাপ্ত করেছো , তো বাবার দ্বারা অধিকার প্রাপ্ত করা দরকার । তুমি জানো কল্পে কল্পে ড্রামা অনূসারে আমরা বাবার দ্বারা বর্সা (অধিকার) প্রাপ্ত করি । যারা সূর্যবংশী , চন্দ্রবংশী ঘরানার হবে , তারা অবশ্যই আসবে । যারা দেবতা ছিল , তারা শূদ্রে পরিণত হয়েছে , আবার তারাই ব্রাহ্মণে পরিনত হয়ে দৈবী সম্প্রদায়ের হবে । এইসব কথা বাবা ব্যতীত কেউই বোঝাতে পারেন না ।
বাবা বলেন তোমরা বাচ্চারা খুবই মিষ্টি । তোমরা হলে সেই কল্প পূর্বের আমার সন্তান । আমি কল্পে কল্পে তোমাকে এসে পাঠ পড়াই । কত আশ্চর্যের কথা! নিরাকার ভগবানুবাচ । শরীর দ্বারা সতর্ক থাকবে , তাই না । শরীর আলাদা হলে তো আত্মা সতর্ক থাকতে পারে না । আত্মা আলাদা (ডিট্যাচ) হয়ে যায় । এবার বাবা বলছেন যে অশরীরী ভব ! এমন নয় যে প্রাণায়াম ইত্যাদি করতে হবে । না , বুঝতে হবে আমি আত্মা হলাম অবিনাশী । আমার আত্মায় চুরাশী জন্মের পার্ট লিপিবদ্ধ আছে । বাবা নিজে বলেন যে , আমার আত্মাও যা রোল প্লে করে , সেসব পার্টও লিপিবদ্ধ আছে । ভক্তিমার্গে সেখানে রোল প্লে করতে হয় আবার জ্ঞানমার্গে এখানে এসে জ্ঞান দিতে হয় । ভক্তিমার্গধারীরা জ্ঞান সম্বন্ধে কিছুই জানে না । কেউ যদি মদিরা পান না করে তাহলে স্বাদ কি করে জানবে ! সেইরকম জ্ঞানও যখন প্রাপ্ত করে তখনই জানতে পারে । জ্ঞান দ্বারা সদ্গতি হয় তাহলে অবশ্যই জ্ঞানসাগরই সদ্গতি করেন । বাবা বলেন আমি হলাম সকলের সদ্গতিদাতা । সর্বোদয়া লীডর হয় , তাই তো ! কত রকম রকমের হয়ে থাকে । বাস্তবে তো সকলের ওপরে দয়াশীল একমাত্র বাবাই হন । বাবাকে বলা হয় হে ভগবান দয়া করো । তাই তিনি সকলের ওপরে দয়া করেন । বাকী সকলে হলো লৌকিকে (হদে) দয়া করার নিমিত্ত । বাবা তো সারা দুনিয়া বা বিশ্বকে সতোপ্রধানে পরিণত করেন । তার মধ্যে তত্ত্বও সতোপ্রধান হয়ে যায় । এইসব কাজই পরমাত্মার হয় । তাহলে সর্বোদয়ার অর্থ কত বড় হয় । সকলের ওপরে দয়া করেন যিনি । স্বর্গের স্থাপনায় কেউই দুঃখী হয় না । সেখানে নম্বরওয়ান আসবাব পত্র , বৈভব ইত্যাদি প্রাপ্ত হয়ে থাকে । মশা , মাছি , জানোয়ার ইত্যাদি যারা দুঃখ দেয় , তারা সেখানে হয় না । সেখানেও বড় লোকেদের ঘরবাড়ী অনেক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকে । কখনো তুমি মাছি দেখবে না । মশা ইত্যাদিও ঢুকতে পারে না । স্বর্গে কারোর সাহস নেই যে আসতে পারে । অপবিত্র নোংরা করার কোনোও জিনিষ সেখানে হয় না । প্রাকৃতিক ফুল ইত্যাদির অনেক সৌরভ থাকে । তোমাকে সূক্ষ্মবতনে বাবা সুবীরস পান করান । এবার সূক্ষ্মবতনে তো কিছুই হয় না । এইসব সাক্ষাৎকার হয় । বৈকুন্ঠে কত ভালো ভালো ফুলের বাগান হয়ে থাকে । সূক্ষ্মবতনে এইসব থোড়াই থাকে । এইসব হলো সাক্ষাৎকার । এখানে বসে তুমি সাক্ষাৎকার করো ।
গীতও খুব সুন্দর আর ফার্স্ট ক্লাস হয় । তূমি জানো যে আমরা বাবাকে পেয়েছি আর কি চাই ? বেহদের বাবার দ্বারা বেহদের অধিকার প্রাপ্ত করি তো বাবাকে স্মরণ করা দরকার । বাবার মত খুবই বিখ্যাত । শ্রীমত দ্বারা আমরা শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠতম হবো । বাকী হলো সকলের অসূরী মত । এইজন্য তারা জানে না যে সত্যযুগে সদৈব সুখ ছিল । লক্ষ্মী নারায়ণের রাজত্ব ছিল । শৈশবে তারাই রাধে-কৃষ্ণ হয় , তাদের আচার আচরণ কখনোই খারাপ হয় না । স্বর্গে তো সব বাচ্চারাই বড় ফার্স্টক্লাস হয় । চঞ্চলতার কোনো কথাই হয় না ।

মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি (সিকীলধে) বাচ্চাদের প্রতি মাতাপিতা বাপদাদার স্নেহ সুমন আর সুপ্রভাত । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের নমস্কার ।

ধারনার জন্য মুখ্য সার --:

১. যখন এই পুরোনো দুনিয়া থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছো তো আবার এমন কোনো গাফিলতি কোরো না যে মায়া তোমাকে নিজের দিকে ঘোরায় । শ্রীমতের অবজ্ঞা করা উচিত নয় । বাবার দ্বারা পুরো বর্সা প্রাপ্ত করতে হবে ।

২. বাবাকে নিজের সবকিছু সমর্পণ করে পুরোপুরি উত্তরাধিকারী (ওয়ারিস) হয়ে সত্যযুগী এয়ারকন্ডিশন টিকিট প্রাপ্ত করতে হবে । মূল লক্ষ্যকে বুদ্ধিতে রেখে পুরুষার্থ করতে হবে ।

বরদান --: 

শ্রেষ্ঠ মতের আধারে মায়াবী সঙ্গদোষের উর্দ্ধে থাকার জন্য শক্তিস্বরূপ ভব ! 

বাচ্চাদের একটা অভিযোগ (কমপ্লেন) থাকে যে , সম্বন্ধীরা শোনে না , সঙ্গ ভালো নয় , এই কারণে শক্তিশালী হতে পারছি না । কিন্তু শ্রেষ্ঠ মতের আধার দ্বারা জ্ঞানস্বরূপ , শক্তিস্বরূপের বরদানী হয়ে নিজস্ব স্থিতিকে অচল তৈরী করো । সাক্ষী হয়ে প্রত্যেকের রোলকে দেখো । আপন সতোগুনী পার্টে স্থিত থাকো । সর্বদা বাবার সঙ্গে থাকলে তমোগুনী আত্মার সঙ্গের রং-এর প্রভাব পড়বে না ।

স্লোগন --: 

কর্মযোগী তারা হয় , যারা কর্মের কল্প বৃক্ষের ডালে বসে কর্ম করেও উপরাম স্থিতিতে স্থিত থাকে ।

***OM SHANTI***

Google+ Followers