BK Murli 15 July 2016 Bengali

BK Murli 15 July 2016 Bengali

 ১৫-০৭-১৬ প্রাতঃমুরলী ওমশান্তি "বাপদাদা " মধুবন

"মীঠে বাচ্চে - স্মরণের যাত্রায় কখনও ক্লান্ত হবে না , দেহঅভিমানের ঝড়-ঝঞ্ঝা ক্লান্তি আনবে, দেহি-অভিমানী স্বরূপ হয়ে থাকলে ক্লান্তি মিটে যাবে"

প্রশ্ন :- 

কোন্ একটি সংস্কার ২১ জন্মের শ্রেষ্ঠ ভাগ্যকে নষ্ট করে?

উত্তর :- 

যদি কারো অভিমানে রাগ করার সংস্কার থাকে। বাবার উপরে বা পড়াশোনার উপরে যদি অভিমানে রেগে থাকে তাহলে ২১ জন্মের ভাগ্য নষ্ট হয়ে যায় তাই বাবা বলেন মিষ্টি বাচ্চারা দেহঅভিমানের বশে কখনও উল্টো নেশায় মেতে যেওনা যে আমি এতজনকে বাবার পরিচয় দিয়েছি , এতজনের সাহায্য করেছি। দেখো, বাবা হলেন কত শ্রেষ্ঠতম অথোরিটি তবুও তিনি হলেন কত নিরহংকারী , সী ফাদার ।

গান :- 

রাত্রির পথিক ক্লান্ত হোয়োনা ....

ওমশান্তি ! 

মীঠে মীঠে সিকীলাধে বাচ্চারা গান শুনলো আর যোগযুক্ত সার্ভিসেবল বাচ্চারা এই গানের অর্থ বুঝবে । আমরা হলাম রাতের পথিক অর্থাৎ ব্রাহ্মণের রাত এবারে সম্পূর্ণ হল। ভক্তি মার্গকে রাত বলা হয়। অর্ধকল্প রাত্রি পূর্ণ হচ্ছে । হদের দিনরাত আছে। এই হল ব্রাহ্মণের অর্ধকল্প দিন আর অর্ধকল্প রাত। এইসময় যখন বাবা আসেন তখন তো অন্ধকার । প্রভাতের প্রথম পুর , ভোর হচ্ছে । বাচ্চারা জানে এখন বাবা বলেন মিষ্টি বাচ্চারা ক্লান্ত হোয়োনা । যেমন দৈহিক যাত্রা হয়। প্রথম প্রথম পদযাত্রা করা হত। খুব আস্তে , মাঝে মাঝে লক্ষ্য তৈরী থাকতো। অমুক লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে এই কথা জানা থাকতো। আগেকার দিনে শ্রদ্ধা সহ পদযাত্রা করতো মানুষ , অনেক পরিশ্রম হয়। এখন এইতো হল অনেক সহজ । একে বলা হয় সহজ যোগ । শুধু বাবাকে স্মরণ করতে হবে , ক্লান্তি অর্থাৎ দেহ-অভিমান । হ্যাঁ এতে কোনো সংশয় নেই মায়ার বিঘ্ন আসবেই । কিন্তু ক্লান্ত হলে চলবেনা । ক্লান্ত হলেই দেহ-অভিমান এসে পড়বে । বাবা বলেন বাচ্চারা শরীর নির্বাহ অর্থে কর্ম তো করতেই হবে তারজন্যে ছুটি রয়েছে । ৮ ঘন্টা শরীর নির্বাহ , ৮ ঘন্টা আরাম এবং বাকি ৮ ঘন্টা এই সেবা করো। এখন তো পুরো ৮ ঘন্টা কেউই দেয়না। অন্তিম কালে ৮ ঘন্টা দেবে। চার্ট বাড়াও। এখানে এসে বসলে স্মরণ করান হয় , যাকে তুমি নিষ্ঠা বলে দাও। বাবার স্মরণে এসে বসে পড়ো। এর মানে এই নয় যে এখানে এসে স্মরণে বসতে হবে। এমন অনেকেই ভাবে যে ৫-১০ মিনিট যোগ করবে । কিন্তু বাবাতো বলেন কাজকর্ম করতে , আসতে যেতে তুমি যোগে থাকো। কোথায় গঙ্গা স্নান ইত্যাদি করতে যায় সেখানে রাম-রাম জপ করে কিনা । এখানে তোমাকে কিছুই জপ বা সিমরন করতে হবেনা , শুধুমাত্র বাবাকে স্মরণ করতে হবে । এই কথা বাবা বাচ্চাদের বলছেন । তোমার কল্যাণ রয়েছে স্মরণের যাত্রায় , এই যাত্রায় ক্লান্ত অনুভব করবেনা । এই যাত্রায় অনেক ঝড়-ঝঞ্ঝা আসবে। মাটি ইত্যাদির ঝড় নয়। মায়ার ঝড় আসলে বুদ্ধি যোগ বাধিত হয়। তারপর দেহ-অভিমানে এলেই কাজকর্ম সন্তান ইত্যাদি স্মৃতিতে এসে পড়ে। বাবা বলেন - এখন তো এই কাজকর্ম ইত্যাদি সব শেষ হয়ে যাবে। তোমার বাচ্চারা অধিকার প্রাপ্ত করবেনা । সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। এখন সকল অধিকারী যারা দাঁড়িয়ে রয়েছে তারা বেহদের বাবার । হদের বর্সা মুর্দাবাদ হবে। সাহুকার বা ধনী জনেরা ভাবে বাচ্চারা বড় হবে , বিবাহ ইত্যাদি সম্পন্ন হবে তারপর এইসব হবে। বাবা বলেন এখন আর অত সময় নেই তাই পুরনো দুনিয়া থেকে মন সরিয়ে নাও। এই স্থান তো কবরখানায় পরিণত হবে। কাজকর্ম সন্তান ইত্যাদির চিন্তায় মরবে তাহলে অহেতুক নিজের লোকসান করবে। শিববাবাকে স্মরণ করলে লাভ অনেক হবে। দেহ-অভিমানে আসলে ক্ষতি হয়। দেহি-অভিমানী হলে লাভ আছে । যত স্মরণ করবে তত ভবিষ্যতে ২১ জন্মের বর্সা প্রাপ্ত করবে। স্মরণ না করলে অনেক ক্ষতি হবে। তায় আবার কল্প-কল্পান্তরের জন্যে ফিক্স হয়ে যাবে। এত বড় রকমের ক্ষতির কথা হচ্ছে । ভাবতে হবে আমরা সম্পূর্ণ বর্সা প্রাপ্ত করব কিভাবে । ধন সম্পদের বেশী লোভ থাকা উচিত নয়। অতিরিক্ত সঞ্চয় করবেনা । কেউ দেউলিয়া হয়ে গেলে কত চিন্তায় পড়ে যায়। শিববাবাকে একেবারে ভুলে যায়। তারপর দোষ দেয় যে জ্ঞানে এসে দেউলিয়া হয়েছে । অসুস্থতা ঘিরে নিয়েছে । এইরকম কখনও ভাববেনা। রোগ ইত্যাদি হয় , এইসব তো হল কর্মভোগ । ভালই তো বিকর্ম বিনাশ হয়ে যাবে। ধর্মরাজের সাজা খাওয়ার চেয়ে রোগ হওয়া তো ভাল কিনা । কর্মভোগ তো চুকিয়ে যেতে হবে। এই শরীর তো হল মহারোগী । কত খেয়াল রাখতে হয়। চলতে ফিরতে দাঁড়িয়ে যায়। হার্টফেল হয়ে যায়। এমন পুরনো দুনিয়াকে তো বুদ্ধি দ্বারা একেবারে ভুলে যাওয়া উচিত । বাচ্চারা দেখে যে বাবা নতুন গৃহ নির্মাণ করছেন তখন পুরনো থেকে মন একেবারে সরে যায়। বলে বাবা শীঘ্রাতিশীঘ্র গৃহ নির্মাণ করুন। পুরনো গৃহে অনেক কষ্ট আছে । তুমিও জানো এই পুরনো দুনিয়া হল খুব খারাপ । তোমার এই হল বেহদের সন্ন্যাস । তারা সন্ন্যাসী হয় ঘর সংসার ত্যাগ করে। যাকে হদের সন্ন্যাস বলে। তুমি সন্ন্যাস করো বিকারের । বাবা বলেন দেহ সহ দেহের সব সম্বন্ধ ভুলে মামেকম স্মরণ করো । এই চোখ দিয়ে যে দুনিয়াকে দেখছো, সব ভুলে যাও। এখন তোমার বুদ্ধিতে জ্ঞান রয়েছে আমরা স্বর্গের রাজধানীর জন্যে পুরুষার্থ করছি। জ্ঞানের তৃতীয় নেত্র পেয়েছি । এইসব কবরখানায় পরিণত হবে, এতে মন লাগানোর প্রয়োজন নেই। আজকাল মানুষের কাছে টাকা পয়সা অনেক আছে তাই বিকারও তীব্র রূপ ধারণ করেছে। কাম বিকার কত তীব্র হয়েছে। কাম বিকার ছাড়া থাকতে পারেনা । ৪-৫ বছর পবিত্র থেকে তারপর লেখে বাবা আজ ভূতে ধরেছে , মুখ কালো করেছে। কত ধাক্কা খেয়েছে । একেবারে ৫ তলা থেকে নীচে পড়েছে । প্রথমেই হল দেহ-অভিমান । উঁচু থেকে পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। শেষ , হাড়গোড় ভেঙ্গে একাকার । তারপর পুরুষার্থ করতে সময় লাগে। এই হল সবচেয়ে বড় আঘাত তাই বাবা বলেন কাম হল মহাশত্রু । বিকারকেই পতিতপানা বলে। বলে বাবা আমাদের পতিত থেকে পবিত্র করো। ভারতেই সম্পূর্ণ নির্বিকারী ছিল কিনা। ভারত-ই নির্বিকারী ছিল । এখন ভারত হল বিকারী। সম্পূর্ণ নির্বিকারী সূর্য্যবংশীদের বলা হয়। ভালাই রামচন্দ্রের রাজ্যেও বিকারের কথা ছিলনা । কিন্তু আত্মার কলা তো কম হয়েই যায়। ১২৫০ বছর কম হলে দুনিয়ার শক্তি তো কম হয়েছে কিনা তাই তাদের সতোপ্রধান পরে সতো বলা হয়। তুমি চাও আমরা মাম্মা বাবাকে ফলো করে সূর্য্যবংশী মহারাজা মহারানী হই ,এতে কোনো কষ্ট নেই , মুখে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। শুধু স্মরণ করতে হবে যাকে সহজযোগ বলা হয় , এতেই পরিশ্রম চাই। বাবার সামনে তো সবাই হল মহারথী । এতে যোগ পুরো চাই তবে কিছু তীর লাগবে। যোগবল আছে কিনা । যোগের অনেক ঘাটতি আছে। যোগেই অনেক বিঘ্ন আসে। বেহদের বাবা মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চাদের বসে বোঝাচ্ছেন । বাবার উপরে বা পড়াশোনার উপরে কখনও রাগ করবেনা । রাগ করলে জানবে ২১ জন্ম ভাগ্যের উপরে রাগ করেছ। খুব ভাল বাচ্চারাও অভিমানে রেগে থাকে । নেশা হয়ে যায় দেহঅভিমানের । আমি এতজনকে বুঝিয়েছি । দেহ অহংকারে আসলে পতন হয়। এতে অহংকার যেন না আসে। শিববাবার কি কোনো অহংকার আছে? কত নিরহংকারী তিনি , আর তিনি হলেন কত বড় অথোরিটি । বলেও থাকে আমি সাধারণ দেহে সাধারণ গৃহে আসি। সাহুকারের কাছে থোরাই আসি । তাই এখন বাচ্চাদের জাগ্রত হতে হবে। বাবা যুক্তি খুবই ভাল দিয়ে থাকেন । তোমাদের দেরী হচ্ছে । ড্রামা অনুযায়ী এখনও অবস্থা মজবুত হয়নি। ভবিষ্যতে জোর আসবে। আমরা গভর্নমেন্টকে খবর দেই অমুক বছরে স্বর্গের স্থাপনা ঘটবে । খবরের কাগজে পড়ে মানুষ এসে তোমাকে জিজ্ঞাসা করবে। একটু সময়ের মধ্যে যদি স্থাপনা হয় তবে বিনাশও নিশ্চয়ই ঘটবে। অনেকে আসবে। এই প্রপার্টি ইত্যাদি হল কম সময়ের জন্যে । তুমি তো জানো এইসব কিছু একটু সময় থাকবে । এই বাড়ি ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্যে তৈরী হয়েছে কারণ মধুবনে বাচ্চারা আসে রিফ্রেস হতে। হেড অফিস হল মধুবনে । আজ তুমি কি করছো , কাল তুমি কি করবে। এখানে তপস্যা করছো ভবিষ্যতে দিল্লি বৃন্দাবনে গিয়ে রাজত্ব করবে। আমাদের স্মৃতিচিন্হ রয়েছে এইসব ভাল রীতি দেখাতে হবে। যে কর্ম আমরা এখন করছি ৫ হাজার বর্ষ পূর্বেও করেছিলাম । সর্বপ্রথম শিববাবার মন্দির নির্মাণ হয়। বাকি দিলবাড়া মন্দির তো পরে তৈরী হয়েছে । বুদ্ধি দ্বারা কাজ নিতে হবে। দিলবাড়া মন্দিরের হিসাব পাওয়া যাবে। পুরোপুরি আমাদের স্মৃতিচিন্হ । তুমি জানো এই হল স্থাপনার স্মৃতিচিন্হ ।
তোমরা হলে মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চা তোমাদের অনেক আনন্দ খুশী অনুভব হওয়া উচিত । সার্ভিস বৃদ্ধির যুক্তি আবিষ্কার করা উচিত । রামও গেছে ... রাবণও গেছে.... যাদের বিশাল পরিবার । রাবণের দেখো কত বড় পরিবার । রামের হল ছোট পরিবার ... গায়ন একেবারে সঠিক রয়েছে । কিন্তু কেউ বুঝতে পারেনা। বাবা বসে বোঝাচ্ছেন তবুও নিশ্চয় হয়না । শরীর নির্বাহ অর্থে কর্ম তোমাকে নিশ্চয়ই করতে হবে । হ্যাঁ যারা সার্ভিসেবল বাচ্চা - পান্ডব , তারা তো গভর্নমেন্টের পালনা নিতে পারে। তাদের সমস্ত পালনা আমাদের করতে হয়। বাচ্চাদের অবস্থা এমন হওয়া উচিত যে বাবার স্মরণে এই দুনিয়ার সবকিছু ভুলে যেতে হবে। স্মরণের যাত্রায় যে পাক্কা মত্ত থাকবে তাদেরই অবস্থা মজবুত হবে। যেমন শিববাবার স্মরণে তুমি শরীর ত্যাগ করো। সন্ন্যাসীরা ব্রহ্মের স্মৃতিতে শরীর ত্যাগ করে তাতেও বায়ুমন্ডলে একেবারে নিস্তব্ধতা ছেয়ে যায়। বাবার অনুভব রয়েছে । মানুষ মরলে যেমন নিস্তব্ধতা ছড়িয়ে পড়ে , এতেও সেইরকমই হয়। ভবিষ্যতে সবকিছু যেন ভুলে যায়। এখন আমাদের বাড়ি ফিরতে হবে। দেহ-অভিমান ক্রমশ মিটতে থাকে। শেষের দিকে শরীর খুশীতে ত্যাগ করা উচিত , হর্ষিতমুখ । ব্যস । আমরা কোথায় যাচ্ছি , এমন অবস্থা যখন হবে তখন বিজয় মালায় স্থান পাওয়ার যোগ্য হবে। তোমার মধ্যে শান্তির কারেন্ট আছে । যেই জন আসে সেই বলে এখানে অনেক শান্তি রয়েছে । এই হল রিয়ল বা আসল শান্তি । আত্মা শরীর থেকে ডিট্যাচ হয়ে যায়। তুমি জানো আমরা আত্মারা হলাম শান্ত স্বরূপ । আমরা নিজেদের স্বধর্মে স্থির হয়ে বসি। কর্ম বিনে কোনো মানুষ থাকতে পারেনা। তারাতো হঠযোগ দ্বারা কি সব করে। তুমি এখন বুঝতে পারো আমাদের স্বধর্মই হল শান্তি। এখানে আমরা এসেছি পার্ট প্লে করতে । এখন বাড়ি ফিরতে হবে। বাবা বলেন আমারে স্মরণ করো এবং ঘরকে অর্থাৎ পরমধামকে স্মরণ করো। বাবাকে স্মরণ করলে বর্সা প্রাপ্ত হবে। বাবা বলেন আমারে পরমধামে স্মরণ করো । এখানেতো আমি আসি অল্প সময়ের জন্যে । তোমার বুদ্ধি শান্তিধামে স্থির হওয়া উচিত - বাবার স্মরণে । পরমধামের বর্সাও নিতে হবে কিনা । ঐ হল আত্মাদের নিবাস । এই হল জীবাত্মাদের নিবাস। নিজ বাসস্থানকে কখনও ভুলে যেওনা । বাবাকেও ভুলে যেওনা । বাবাকে স্মরণ করলেই পবিত্র হয়ে পরমধাম ফিরে যাবে। জ্ঞান ধারণ করলে রাজত্ব করতে আসবে নতুন দুনিয়ায় । যত দূর সম্ভব অন্যদের পথ দেখাও। অলওয়েজ সী ফাদার অর্থাৎ সর্বদা বাবাকে অনুসরণ করো। তুমি জানো যে বাবা কি করেছেন । সবকিছু মাতাদের সমর্পিত করেছেন । তিনিই আজ্ঞা দিয়েছেন সবকিছু মাতাদের সেবায় লাগাও। একে অপরের অনুসরণ করেছে । স্বাহা হয়েছে। কিন্তু তবেই টিকতে পেরেছে কিনা । ড্রামা অনুযায়ী ভাট্টিও হওয়ার ছিল। পাকিস্তান - হিন্দুস্তান হয়েছিল । তোমাদের ভাট্টি প্রথমে আরম্ভ হয় পাকিস্তানে । তুমি নদী পার করেছ শাস্ত্রে কত কিছু লেখা রয়েছে । প্র্যাক্টিকালে এখন তুমি শুনছো কিনা । তারপর কল্প পরে তোমরাই শুনবে । এখন বাবা বলেন হিয়ার নো ইভিল , খারাপ শুনবেনা , কাজকর্ম যতই করো কিন্তু হিয়ার নো ইভিল । বাবা বলেন প্রতি কথায় শ্রীমত নাও। বাবা এই অবস্থায় আমরা কি করব তাহলেই বাবা সব বলে দেবেন । কোনও কথা জিজ্ঞাসা করতে হলে তুমি বাবার কাছে এসো। তুমি ভয় কেন পাও। প্রতি পদে জিজ্ঞাসা করতে হবে। শ্রীমত অনুযায়ী চললে পদে পদে পদ্ম রয়েছে । তোমার সেকেন্ডে সেকেন্ডে যা পাশ হচ্ছে তাতে পদ্ম রয়েছে । তাহলে কত লাভ হচ্ছে । আচ্ছা !

মীঠে মীঠে সিকীলাধে বাচ্চাদের প্রতি মাতা পিতা বাপদাদার স্মরণ ভালোবাসা আর গুডমর্ণিং । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সার:-

১. বিজয় মালায় গেঁথে যাওয়ার জন্যে এই শরীর থেকে সম্পূর্ণ ডিট্যাচ হওয়ার পুরোপুরি পুরুষার্থ করতে হবে । দেহ-অভিমানকে ত্যাগ করতে হবে । এই দুনিয়াকে বুদ্ধি দ্বারা ভুলে যেতে হবে।

২. অতিরিক্ত ধন-সম্পদের লালসা রাখবেনা । বাবার স্মরণ ছাড়া আর কোনোরকম যেন চিন্তন না থাকে। কখনোই বাবার উপরে বা পড়াশোনার উপরে অভিমান বশত: রাগ করবেনা ।

বরদান :-

 মনমনাভবের স্থিতি দ্বারা মনের ভাব জানতে পারে এমন সফলতা স্বরূপ ভব। 

ব্যাখ্যা :- যে বাচ্চারা মনমনাভবের স্থিতিতে স্থির থাকে তারা অন্যদের মনের ভাবও জানতে পারে। মুখের কথা যাই হোক না কেন কিন্তু সেই কথার মূল ভাবটা কি , সেইটা জানবার অভ্যাস করো। প্রত্যেকের মনের ভাব বুঝতে পারলে তাদের চাহিদা বা প্রাপ্তির ইচ্ছা গুলি পূর্ণ করতে পারবে । ফলে তারা অবিনাশী পুরুষার্থী স্বরূপে পরিণত হবে কম সময়ে সার্ভিসে বেশী সফলতা দেখতে পাবে এবং তোমরা পুরুষার্থী স্বরূপের বদলে সফলতা স্বরূপে পরিণত হবে।

শ্লোগান :- 

নিদ্রায় যাওয়ার পূর্বে বাবাকে সবকিছু সমর্পিত করে খালি হও তাহলে ব্যর্থ বা বিকারী স্বপ্ন আসবে না ।

***OM SHANTI***

Google+ Followers