BK Murli 20 July 2016 Bengali

BK Murli 20 July 2016 Bengali

 ২০-০৭-২০১৬ প্রাতঃমুরলী ওম শান্তি "বাপদাদা" মধুবন


"মিষ্টি বাচ্চারা - এই পুরোনো দুনিয়ায় মানুষেরা যেরকম আশাবাদী হয়, সেইরকম আশাবাদী তুমি হয়ো না, কারণ এই দুনিয়ার বিনাশ হবে"

প্রশ্ন :- 

সঙ্গমযুগে কোন্ আশা রাখলে সেইসব আশা সদা কালের জন্য পূরণ হয়ে যায় ?

উত্তর :-

 আমাদের পবিত্র হয়ে, বাবাকে স্মরণ করে ওঁনার কাছ থেকে পুরো অধিকার (বর্সা) প্রাপ্ত করতে হবে , শুধু এইটুকু আশা যেন থাকে । এই আশার দ্বারাই সদা কালের জন্য সব আশা পূরণ হবে । আয়ুষ্মান ভব , পুত্রবান ভব , ধনবান ভব - সকল বরদান প্রাপ্ত হয়ে যাবে । সত্যযুগে সব কামনাই পুরো হবে ।

গীত :- 

তুমিই মাতা পিতাও তুমি ........

ওম শান্তি । 

মিষ্টি মিষ্টি রূহানী বাচ্চারা অর্থাৎ আত্মাদের প্রতি পরমপিতা পরমাত্মা এইসব বোঝাচ্ছেন । তুমি জানো বেহদের বাবা আমাদের বরদান দিচ্ছেন । সেই লোকেরা আশীর্বাদ দেয় পুত্রবান ভব, আয়ুষ্মান ভব, ধনবান ভব । তোমার আয়ু অনেক বড় । সেখানেও পুত্র হবে , তারা হবে সুখদাতা । এখানে যেসব বাচ্চারা আছে , তারা সকলেই হল দুঃখ দেওয়ার নিমিত্ত । এখন তোমরা বাচ্চারা জানো বেহদের বাবা বেহদের সুখের বর্সা দিচ্ছেন । ঠিকই আমরা আয়ুষ্মান ধনবান হবো । এখন কোনো কামনা অথবা ইচ্ছা হৃদয়ে পোষন কোরো না । ধনের ইচ্ছাও পোষণ কোরো না । অনেক ধন হবে , ভালো চাকরী প্রাপ্ত হোক এইসব ইচ্ছা রেখো না । পেট তো একটা রুটি খায় , তাই বেশী লোভে থাকা উচিত নয় । বেশী ধন হবে তো সেইসবও শেষ হয়ে যাবে । বাচ্চারা জানে বাবা আমাদের স্বর্গের মালিক বানান । এবার বাবা বলেন যে "দাও দান তো ছুটে গ্রহন অর্থাৎ গ্রহন মুক্ত হও "। এবার বাবা কোন্ দান দিতে বলছেন ? পাঁচটি বিকার , এই দান দিলেই গ্রহচারী মুক্ত হওয়া যায় । আর তুমি ষোলকলা সম্পূর্ণ হবে । তুমি জানো আমাদের সর্বগুণসম্পন্ন , ষোলো কলা সম্পূর্ণ ....সবকিছু এখানেই হতে হবে । পাঁচ বিকার সেই কারণে দানে দেওয়া দরকার ।বাচ্চাদের বাবা বলেন যে মিষ্টি বাচ্চারা বেহদের বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত করা অধিকারের ইচ্ছা ছাড়া আর কোনো ইচ্ছাই পোষণ করা উচিত নয় । খুবই অল্প সময় আছে , কথিতও আছে, সময় বড়ই অল্প । অল্প সময় আছে এই বিনাশের, এইজন্য পুরানো দুনিয়ায় কোনো ইচ্ছা পোষন কোরো না । বাবাকে অনবরত স্মরণ করতে থাকো । স্মরণের ফলেই বাচ্চারা সতোপ্রধান হবে । এই দুনিয়ায় মানুষ যেরকম আশা অথবা ইচ্ছা রাখে , সেইসব কোনোও ইচ্ছাই পোষণ করা উচিত নয় । ইচ্ছা শুধু রাখতে হবে যে কিভাবে আমরা শিববাবার কাছ থেকে নিজের স্বর্গের অধিকার প্রাপ্ত করবো । কাউকেই কখনো দুঃখ দেওয়া উচিত নয় । একে অপরের সাথে কাম কাটারি চালানো-- হল সবচেয়ে বড় দুঃখ । এইজন্য সন্ন্যাসীরা স্ত্রীদের থেকে পৃথক হয়ে যায় আর বলে ত্যাগ করেছে । এই সময়ে রাবণ রাজত্বে সকলে হয় পতিত আর পাপাত্মা ।

এখন সময় বড়ই কম । এখনও যদি তুমি বাবার শ্রীমতে না চলো তবে শ্রেষ্ঠ হবে না । বাচ্চাদের উচ্চ থেকে উচ্চ হতে হবে । এইজন্য পাঁচ বিকারকে দানে দিতে হবে তাহলে তোমরা গ্রহন মুক্ত হয়ে যাবে । সকলের ওপরেই গ্রহের দশা রয়েছে, একদম কালো হয়ে গেছে । বাবা বলেন যে যদি আমার দ্বারা বর্সা প্রাপ্ত করতে চাও তাহলে পবিত্র হও । দ্বাপর থেকে তুমি পতিত হতে হতে সতোপ্রধান থেকে তমোপ্রধান হয়েছো । সেইজন্যই তো গাইতে থাকো যে পতিত পাবন এসো , এসে আমাদের পবিত্র করো । তাই বাবা আদেশ দেন যে বাচ্চারা এবার আর পতিত হয়ো না । কাম মহাশত্রূর হাত থেকে বিজয়ী হও । এর কারণে তুমি আদি-মধ্য-অন্ত দুঃখ ভোগ করেছো । বাবা বলেন যে স্বর্গে তুমি একদম পবিত্র ছিলে। এবার রাবণের মতে পতিত হওয়ার কারণে দেবতাদের সামনে গিয়ে তাদের মহিমা করতে থাকে যে আপনি হলেন সর্বগুণসম্পন্ন, সম্পূর্ণ নির্বিকারী আর আমরা হলাম বিকারী । নির্বিকারী হলে সুখই সুখ হবে । বাবা বলেন যে এবার আমরা (বাপদাদা) এসেছি তোমাদের বাচ্চাদের নির্বিকারী করতে । এখন তোমাদের বাচ্চাদের সব ইচ্ছে ত্যাগ করতে হবে । নিজের ব্যবসা ইত্যাদি ভালো করে করো আর দু'একজনকে জ্ঞান অমৃত সুধা পান করাও । গাওয়াও হয় যে অমৃত সুধা ত্যাগ করে বিষ কেন গ্রহণ করা হয় । বাবা বলেন কোনো ইচ্ছাই পোষণ করা উচিত নয় । স্মরনের যাত্রার দ্বারাই পুরো সতোপ্রধান হয়ে যাবে । তেষট্টি জন্ম ধরে যেসব পাপ করা হয়েছে, সেইসব স্মরণ দ্বারাই মুক্ত হবে । এবার নির্বিকারী হতে হবে । তুমিই ছিলে সতোপ্রধান পুজ্য দেবতা , আবার তুমিই পুজ্য থেকে পূজারী হয়েছো । তোমরা নিরোগী ছিলে আবার রোগীতে পরিনত হয়েছো , এবার পুনরায় নিরোগী হচ্ছো । যখন নিরোগী ছিলে তখন আয়ু বড় ছিল । এখন তো দেখো বসে বসেই মানুষের মৃত্যু হয়ে যায় । তাই কোনো ইচ্ছা পোষণ কোরো না । এইসব হলো ছিঃছিঃ ইচ্ছা । কাঁটা থেকে ফুল হওয়ার জন্য একটিই ফার্স্ট ক্লাস ইচ্ছা হল যে বাবা বলছেন আমাকে স্মরণ করো তো পুণ্যাত্মা হয়ে যাবে । এই সময়ে সকলের ওপরে রাহুর গ্রহন বিদ্যমান । সারা ভারতে রাহুর গ্রহন লেগে আছে । এবার দরকার বৃহস্পতির দশা । তুমি জানো এখন আমাদের ওপরে বৃহস্পতির দশা বিদ্যমান । ভারত স্বর্গ ছিল । সত্যযুগেও তোমার ওপরে বৃহস্পতির দশা ছিল । এই সময়ে আছে রাহুর দশা । এবার পুনরায় বেহদের বাবার দ্বারা বৃহস্পতির দশা প্রাপ্ত হয় । বৃহস্পতির দশায় একুশ জন্ম সুখ বিদ্যমান হয় । ত্রেতায় হয় শুক্রের দশা । যে যত স্মরণ করবে , যত বেশী স্মরণ করবে , তাদেরই বৃহস্পতির দশা হবে । এইসবও বুঝিয়ে দেওয়া হলো এবার সকলকে ঘরে ফিরতে হবে , সেইজন্য বাবাকে স্মরণ করতে থাকো , যার ফলে তোমাদের বিকর্মের বিনাশ হবে আর তুমি উড়ন্ত বিহঙ্গ হবে । মায়া তোমার পাখা কেটে দিয়েছে । এবার তুমি ঈশ্বরীয় মত প্রাপ্ত করো , যার ফলে তুমি সদা কালের জন্য সুখী হও । ঈশ্বরীয় মতে চলার কারণে তুমি স্বর্গের মালিক হয়ে থাকো । বিশ্বের বাদশাহী প্রাপ্ত করছো । ঈশ্বরীয় মত প্রাপ্ত হয় যে বাবাকে স্মরণ করো তো অন্ত মতি আর সেই মতোই গতি হয়ে যাবে । স্মরনের দ্বারাই বিকর্ম বিনাশ হবে আর পবিত্র হবে । পবিত্র আত্মাই স্বর্গের যোগ্য তৈরী হয় । সেখানে তোমার শরীরও নিরোগী হবে আর আয়ুও বড় হবে । ধনও অনেক হবে । সেখানে কখনোই ধর্মপুত্র কাউকে বানানো হয় না । বাবা বলেন আয়ুষ্মান ভব , সম্পত্তিবান ভব । পুত্রও একটি অবশ্যই হবে । এই সময়ে বাবা সকলকে ধর্মপুত্রকণ্যা করেন । তাই সত্যযুগে পুনরায় কোনো ধর্মপুত্রকণ্যা তৈরী হয় না । যোগবল দ্বারা এক পুত্র আর এক কন্যা হয়ে থাকে । জিজ্ঞাসা করে সেখানে সন্তান কি করে জন্ম গ্রহণ করে , সেখানে আছেই যোগবল । ড্রামায় লিপিবদ্ধ আছে । সত্যযুগে সকলেই যোগী হয় । কৃষ্ণকে যোগেশ্বর বলা হয় । এমন নয় যে কৃষ্ণ যোগে থাকে । সে তো পুরো পবিত্র যোগী । ঈশ্বর যখন সকলকে যোগী করছেন তখন ভবিষ্যতে সবাই যোগী থাকবে ; তাই না ! বাবা যোগী বানাচ্ছেন । যোগীদের আয়ু লম্বা হয় । ভোগীদের আয়ু ছোটো হয় । ঈশ্বর বাচ্চাদের পবিত্র তৈরী করে যোগ শিখিয়ে দেবতায় পরিনত করছেন , এদের বলা হয় যোগী । যোগী অথবা ঋষিরা পবিত্র হয় । তোমাকে বোঝানো হয়েছে যে তুমি হলে রাজঋষি । রাজত্ব পদ প্রাপ্ত করার জন্য রাজযোগ শিখছো ।এই সময়ে শুধু বাবাকে স্মরণ করতে হবে । এখানে কোনো উল্টো আশা অথবা ইচ্ছা পোষণ কোরো না যে সন্তান জন্ম গ্রহণ করুক । তাহলে আবার বিকারে যেতে হবে , কাম কাটারি চালাতে হবে তাই না ! দেহ অভিমানী কাম কাটারি চালায় । দেহী অভিমানী (আত্মা ) কাম কাটারি চালায় না । বাবা বারবার বোঝাচ্ছেন পবিত্র হও । আত্মাদের সাথে কথা বলছেন, এবার এই সব বন্ধ করো । পবিত্র হও তবেই তোমাদের সব দুঃখ দূর হবে । তোমাকে স্বর্গের মালিক করা হয় । বাবা কত সুখ প্রদান করেন । বাবার কাছ থেকে পুরো অধিকার প্রাপ্ত করা দরকার ।

বাবা তোমার হলেন গরিব নিবাজ(গরিবের অন্তরেই তাঁর বাস) । গাওয়াও হয় সাধারণ দু'মুঠো চালের পরিবর্তে মহল প্রাপ্ত করেছিল(সুদামা) । বাবা একুশ জন্মের জন্য অধিকার দিয়ে থাকেন । এখন এইসবও বোঝো যে এবার সবারই ঘরে ফেরার পালা । শিববাবার স্থাপনার কার্যে যে যতটুকু সাহায্য করবে । ঘরে ইউনিভার্সিটি আর হাসপাতাল খোলো । বোর্ডে লেখো ভগিনী আর ভ্রাতাগণ একুশ জন্মের জন্য এভরহেল্দী আর ওয়েল্দী হতে হবে তো এসে বোঝো । আমরা এক সেকেন্ডে এভরহেল্দী , ওয়েল্দী হওয়ার পথ বলে থাকি । তুমি হলে সার্জন, তাই না ! সার্জন তো বোর্ড অবশ্যই লাগায় , না হলে মানুষ কি ভাবে জানবে । তুমিও নিজের ঘরের বাইরে বোর্ড লাগিয়ে দাও । কেউ আসলে তাদের দুটি বাবার রহস্য বোঝাও । লৌকিক (হদের ) পিতার নিকট থেকে লৌকিক (হদের) অধিকার (বর্সা) প্রাপ্ত করে আসছো । বেহদের বাবা বলেন যে মামেকম্ স্মরণ করো তো বেহদের বর্সা প্রাপ্ত হবে । প্রোজেক্টর, প্রদর্শনীতে প্রথমে এইসব বোঝাও । এই পুরুষার্থ দ্বারা তুমি এই তৈরী হবে । এখন হলো সঙ্গম । কলিযুগী থেকে সত্যযুগী হতে হবে । তোমরা ভারতবাসী সতোপ্রধান ছিলে , এখন তোমরা তমোপ্রধান হয়েছো । এবার বাবা বলেন যে আমাকে স্মরণ করো তো তোমরা স্বর্গের মালিক হবে । শব্দই তো দুটো রয়েছে । অল্ফ (ঈশ্বর )কে স্মরণ করো তো বে (বাদশাহী ) তোমার । এই স্মরণ দ্বারাই খুশীতে থাকবে , এই ছি-ছি দুনিয়ায় কোনো প্রকারের আশা অথবা ইচ্ছা পোষণ করে রেখো না । এখানে তুমি জীবিত হয়েও শরীর থেকে (detach) আলাদা হওয়ার পুরুষার্থ করে থাকো । তারা তো মৃত্যুর পরে বলে স্বর্গবাসী হয়েছে । তুমি সকলকে বলো আমরা স্বর্গবাসী হওয়ার জন্য বাবাকে স্মরণ করি । ওঁনার থেকে বেহদের সুখ প্রাপ্ত হয় । বাবাকে স্মরণ করলে তুমি কখনো কাঁদবে না , মার (মারপিট ) খাবে না । মায়ার তুফান আসে , তার চিন্তা অথবা খেয়াল কোরো না । মায়ার তুফান তো আসবেই । এটি হলো যুদ্ধ । সঙ্কল্প -বিকল্প আসে তো ফালতু সময় নষ্ট হয় । তুফান তো চলে ( পাস হয়ে ) যাবে , সদৈব থোড়াই থাকে । প্রাতঃকালে উঠে বাবাকে স্মরণ করতে হবে , বাবার কাছ থেকে অধিকার প্রাপ্ত করতে হবে । এই ধুন যেন অনবরত চলতে থাকে । বাবা কাউকেই কোনো কষ্ট দেন না । শুধু মাত্র বাবাকে স্মরণ করতে হবে । আর সবাইকে ভুলে যাও , এরা সবাই মৃত । নিজের সাথে এইসব কথাই বলতে থাকো । বাবা এবার তো শুধু তোমাকেই স্মরণ করবো । তোমার থেকেই স্বর্গের বর্সা প্রাপ্ত করবো । সময় বার করো যে আমরা অবশ্যই তিনটে-চারটের সময় উঠে বাবাকে স্মরণ করবো । চক্রকেও স্মরণে রাখতে হবে । বাবা আমাদের রচয়িতা আর রচনার জ্ঞান দিয়েছেন । আমরা এই মনুষ্য সৃষ্টি ঝাড়কে জেনেছি । আমরা একুশ জন্ম কিভাবে গ্রহন করি এইসব বুদ্ধিতে আছে । এখন আমরা পুনরায় গিয়ে স্বর্গে আবার পার্ট প্লে করবো । আমরা হলাম আত্মা, আত্মাদেরই রাজ্য প্রাপ্ত হয় । বাবাকে স্মরণ করলে বর্সার অধিকারী হওয়া যায় । এ হল রাজযোগ । বাবাকে স্মরণ করতে হবে । বেহদের বাবার দ্বারা আমরা অনেকবার বিশ্বের মালিক হয়েছি , আবার নরকবাসীও হয়েছি । এবার এক বাবার স্মরণ দ্বারা পুনরায় আমরা স্বর্গবাসী হবো । বাবার স্মরনেই পাপ ভস্মীভূত হবে এইজন্য একে যোগ অগ্নি বলা হয় । তুমি ব্রাহ্মণ, তুমি হলে রাজঋষি, ঋষি সর্বদা পবিত্র হয় । বাবাকে স্মরণ করে আর বাবার নিকট থেকে রাজত্বের অধিকার প্রাপ্ত করে । এখন থোড়াই বিকারের জন্য আশা পোষণ করা উচিত ! এইসব হলো ছি-ছি আশা । এবার তো পারলৌকিক পিতার থেকে অধিকার প্রাপ্ত করতে হবে । অসুস্থ হয়েও বাবাকে স্মরণ করতে পারো । বাবাও বাচ্চাদের অনেক ভালোবাসেন । বাবাকেই অনেক বাচ্চাদের পত্র ইত্যাদি লিখতে হয় । শিববাবা লেখান । তুমিও পত্র লেখো --শিববাবা কেয়র অফ ব্রক্ষা। আমরা সবাই শিববাবার সন্তান ভাই -ভাই হই । রূহানী বাবা এসে আমাদের পবিত্র পরিনত করেন , এইজন্য বলা হয় পতিতপাবন । সকল আত্মাদের পবিত্র করেন । কাউকেই ছাড়েন না এমনকি প্রকৃতিও পবিত্র হয় । তুমি জানো সত্যযুগে প্রকৃতিও পবিত্র থাকবে । এখন তো শরীরও পতিত হয় , তাই তো গঙ্গায় শরীর ধুয়ে পবিত্র হতে যায় কিন্তু আত্মা তো পবিত্র হয় না । সে (আত্মা ) তো পবিত্র হবে যোগ অগ্নির দ্বারা । আচ্ছা !

মিষ্টি মিষ্টি সিকীলধে (হারানিধি) বাচ্চাদের প্রতি মাতাপিতা বাপদাদার স্নেহ সুমন আর সুপ্রভাত । রূহানী বাবার রূহানী বাচ্চাদের নমস্কার ।

ধারনার জন্য মুখ্য সার :-

১. এই কলিযুগী দুনিয়ায় কোনো উল্টো আশা অথবা ইচ্ছা পোষণ করবে না । সম্পূর্ণ সতোপ্রধান হওয়ার জন্য ঈশ্বরীয় মতে চলতে হবে ।

২. পবিত্র হয়ে ঘরে ফিরতে হবে, এই একটিই আশা রাখতে হবে । অন্ত মতি সো গতি অর্থাৎ অন্তিম মতি যেরকম হবে গতিও সেইরকম হবে । মায়ার তুফানে সময় নষ্ট কোরো না ।

বরদান :- আলস্যের বিভিন্ন রূপকে সমাপ্ত করে সদা আনন্দিত তীব্র পুরুষার্থী ভব (হও) ! 

বর্তমান সময়ে মায়ার আক্রমণ (বার) আলস্যের রূপে বিভিন্ন ধরনের হয় । এই আলসেমিও হল এক বিশেষ বিকার , একে শেষ করার জন্য সর্বদা উৎসাহিত থাকো । যখন কামাই করার উৎসাহ হবে তখন অলসতা শেষ হয়ে যাবে এইজন্য কখনোই উৎসাহকে কম হতে দিও না । চিন্তা করবো , করবো , করেই নেব , হয়ে যাবে .... এইসব হলো অলসতার চিহ্ন । এইরকম আলস্য ধারী নির্বল সঙ্কল্পের সমাপ্তি ঘটিয়ে চিন্তা করো যে যা করতে হবে, যতটা করতে হবে, সবকিছুই এখনই করতে হবে - তাহলে হবে তীব্র পুরুষার্থী ।

স্লোগান :- 

সত্য সেবাধারী তারা হয় , যাদের বলা আর করা সমান হয় ।

***OM SHANTI***

Google+ Followers